বাংলাদেশ–জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি বা ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (ইপিএ) সংক্রান্ত আলোচনা সফলভাবে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন।
আজ সোমবার জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোতেগি তোশিমিৎসুর সঙ্গে টেলিফোন আলাপে তিনি এ কথা জানান। আলোচনায় ইপিএ প্রক্রিয়ার অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে মতবিনিময় হয়।
টেলিফোন আলাপের সময় প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ–জাপান ইপিএর প্রধান আলোচক আয়েশা আক্তার, উপপ্রধান আলোচক মো. ফিরোজ উদ্দিন আহমেদ এবং ফোকাল পয়েন্ট মাহবুবা খাতুন মিনুও বৈঠকে অংশ নেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে এই প্রথম বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জাপানের সঙ্গে ইপিএ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। চুক্তি স্বাক্ষর ও কার্যকর হলে বাংলাদেশ তাৎক্ষণিকভাবে জাপানের বাজারে ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে।
অন্যদিকে জাপান বাংলাদেশ থেকে ১ হাজার ৩৯টি পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক খাত চুক্তির প্রথম দিন থেকেই জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। একই সঙ্গে আরএমজি খাতে ‘সিঙ্গেল স্টেজ ট্রান্সফরমেশন’ সুবিধাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সূত্র জানায়, এই চুক্তি কার্যকর হলে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও গভীর হবে। রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

