Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, জুন 27, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ফলের বর্জ্যেই জুতা-ব্যাগ তৈরির ফ্যাশনের ভবিষ্যৎ, নতুন সম্ভাবনায় বাংলাদেশ
    বাণিজ্য

    ফলের বর্জ্যেই জুতা-ব্যাগ তৈরির ফ্যাশনের ভবিষ্যৎ, নতুন সম্ভাবনায় বাংলাদেশ

    নিউজ ডেস্কজুন 27, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বিশ্বজুড়ে পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের দিকে ঝুঁকছে ফ্যাশন শিল্প। এই পরিবর্তনের সবচেয়ে আলোচিত উদ্ভাবনগুলোর একটি হলো ফলের খোসা, পাতা ও অন্যান্য বর্জ্য ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে উন্নতমানের ভেগান লেদার।

    যে ফলের খোসা একসময় আবর্জনা হিসেবে ফেলে দেওয়া হতো, আজ সেই উপাদান থেকেই তৈরি হচ্ছে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের জুতা, ব্যাগ, মানিব্যাগ, ঘড়ির স্ট্র্যাপ ও নানা ফ্যাশন পণ্য। প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্যোগ যেমন পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখছে, তেমনি নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনারও দ্বার খুলে দিচ্ছে।

    বর্তমানে আপেল, আনারস, আঙুর, আম, কমলা, জাম্বুরা, নারকেল ও কলার মতো বিভিন্ন ফলের বর্জ্য ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের জৈবভিত্তিক চামড়া তৈরি হচ্ছে। এসব উপাদান বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরিশোধন করে এমন এক ধরনের নমনীয় ও টেকসই উপকরণ তৈরি করা হয়, যা দেখতে ও ব্যবহারে অনেকাংশেই প্রচলিত পশুর চামড়ার বিকল্প হিসেবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে।

    আপেলের রস উৎপাদনের পর যে খোসা ও অবশিষ্ট অংশ থাকে, তা থেকে তৈরি হচ্ছে মসৃণ ও টেকসই ভেগান লেদার। একইভাবে ওয়াইন শিল্পে ব্যবহৃত আঙুরের খোসা, বীজ ও ডাঁটার অবশিষ্টাংশ থেকেও তৈরি হচ্ছে উন্নতমানের নতুন উপাদান। অন্যদিকে আনারস সংগ্রহের পর মাঠে পড়ে থাকা পাতাগুলো এখন মূল্যবান শিল্প কাঁচামালে পরিণত হয়েছে। এসব পাতা থেকে সংগ্রহ করা সেলুলোজ আঁশ বিশেষ প্রযুক্তিতে প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি করা হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত পিন্যাটেক্স।

    আম থেকেও তৈরি হচ্ছে নতুন ধরনের বায়ো-লেদার। বাজারে বিক্রির অনুপযোগী কিংবা অতিরিক্ত পাকা আমের খোসা ও শাঁস ব্যবহার করে প্রস্তুত করা হচ্ছে এই উপাদান। একইভাবে কমলা ও জাম্বুরার খোসার সেলুলোজ এবং নারকেল প্রক্রিয়াজাতকরণের পর অবশিষ্ট তরল ব্যবহার করেও পরিবেশবান্ধব চামড়া তৈরির প্রযুক্তি সফল হয়েছে। কলা গাছের কাণ্ডের আঁশও এখন শক্তিশালী জৈবভিত্তিক উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

    এই চামড়া তৈরির পুরো প্রক্রিয়াটি আধুনিক জৈবপ্রযুক্তিনির্ভর। প্রথমে ফলের বর্জ্য সংগ্রহ করে শুকিয়ে নেওয়া হয়। এরপর তা গুঁড়া বা পাল্পে রূপান্তর করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া বা অণুজীবের মাধ্যমে সেলুলোজ তৈরি করা হয়, আবার কোথাও প্রাকৃতিক আঁশ ব্যবহার করা হয়। পরে পরিবেশবান্ধব বায়োপলিমার বা উদ্ভিজ্জ উপাদান মিশিয়ে নির্দিষ্ট তাপ ও চাপে শিট তৈরি করা হয়। শেষ ধাপে বিশেষ ফিনিশিংয়ের মাধ্যমে সেটিকে চামড়ার মতো টেক্সচার দেওয়া হয়।

    বিশ্বের বড় বড় ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে এসব উপাদান ব্যবহারে আগ্রহ দেখিয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড তাদের ব্যাগ, জুতা, পোশাক, ঘড়ির স্ট্র্যাপ ও বিলাসবহুল অ্যাকসেসরিজ তৈরিতে ফলের বর্জ্য থেকে উৎপাদিত উপকরণ ব্যবহার করছে। এর মাধ্যমে তারা কার্বন নিঃসরণ কমানো, প্রাণিজ সম্পদের ওপর নির্ভরতা হ্রাস এবং টেকসই উৎপাদনের লক্ষ্য বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এটি বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করে। কৃষি ও খাদ্যশিল্পে উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ জৈব বর্জ্য পুনঃব্যবহার হওয়ায় একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ কমে, অন্যদিকে নতুন শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালও সহজে পাওয়া যায়। একই সঙ্গে প্রচলিত চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত অনেক ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহারও উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হয়।

    বাংলাদেশের জন্যও এই খাত একটি নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। দেশে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ আম, কাঁঠাল, আনারস, কলা ও অন্যান্য ফল উৎপাদিত হয়। এসব ফলের খোসা, পাতা ও অন্যান্য অবশিষ্টাংশের বড় অংশই বর্তমানে কোনো অর্থনৈতিক কাজে ব্যবহার হয় না। গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং শিল্প বিনিয়োগের মাধ্যমে এই বর্জ্যকে উচ্চমূল্যের শিল্পপণ্যে রূপান্তর করা গেলে নতুন রপ্তানি খাত গড়ে ওঠার সুযোগ রয়েছে।

    এতে শুধু বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথই প্রশস্ত হবে না, কৃষকরাও অতিরিক্ত আয় করতে পারবেন। পাশাপাশি দেশের তৈরি পোশাক ও চামড়া শিল্প পরিবেশবান্ধব কাঁচামাল ব্যবহারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে। সবুজ প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্যোগ বাংলাদেশের টেকসই শিল্পায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    বিশ্বজুড়ে টেকসই ফ্যাশনের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য কাঁচামালের চাহিদা বাড়তে থাকায় ফলের বর্জ্যভিত্তিক ভেগান লেদার আগামী দিনের অন্যতম সম্ভাবনাময় শিল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সময়োপযোগী পরিকল্পনা, গবেষণা ও উদ্যোক্তা সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে এই বৈশ্বিক পরিবর্তনের সুফল বাংলাদেশও কাজে লাগাতে সক্ষম হবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইনফান্তিনোর মধ্যপ্রাচ্য কৌশল: বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিফা প্রধান কীভাবে ভূ-রাজনীতি ব্যবহার করেন?

    জুন 27, 2026
    বাণিজ্য

    খেলাপি ঋণ উদ্ধারে বেসরকারি খাতকে বড় ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব

    জুন 27, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইউক্রেন যুদ্ধে পুতিনের সময় কি শেষ হয়ে আসছে

    জুন 27, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.