দেশের অধস্তন আদালতগুলোর কার্যক্রম তদারকির জন্য গঠিত মনিটরিং কমিটি পুনর্গঠন করেছেন প্রধান বিচারপতি। আটটি বিভাগে বিচার বিভাগের তদারকি আরও কার্যকর করতে নতুন করে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।
সম্প্রতি এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের আটটি বিভাগে অধস্তন আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য মোট ১৩টি ‘মনিটরিং কমিটি ফর সাবর্ডিনেট কোর্টস’ গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটির নেতৃত্বে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনিক সহায়তার জন্য ১৩ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকেও যুক্ত করা হয়েছে। বিভাগভিত্তিক দায়িত্ব অনুযায়ী—
- বরিশাল বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন।
- রাজশাহী-২ (বগুড়া, জয়পুরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জ) বিভাগের দায়িত্বে আছেন বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি।
- ঢাকা-১ (ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, টাঙ্গাইল) বিভাগের দায়িত্বে বিচারপতি জে বি এম হাসান।
- খুলনা-১ (খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, নড়াইল) বিভাগের দায়িত্বে বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়া।
- খুলনা-২ (কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা) বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি মো. জাফর আহমেদ।
- ময়মনসিংহ (ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোণা) বিভাগের দায়িত্বে আছেন বিচারপতি রাজিক আল জলিল।
- ঢাকা-২ (কিশোরগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর) বিভাগের দায়িত্বে বিচারপতি ফাতেমা নজীব।
- চট্টগ্রাম-১ (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি) বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান।
- রংপুর-১ (রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট) বিভাগের দায়িত্বে আছেন বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার।
- চট্টগ্রাম-২ (নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর) বিভাগের দায়িত্বে বিচারপতি আহমেদ সোহেল।
- রাজশাহী-১ (রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর) বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর।
- রংপুর-২ (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী) বিভাগের দায়িত্বে আছেন বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম।
- এছাড়া সিলেট (সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ) বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহকে।
নতুন এই পুনর্গঠনের মাধ্যমে অধস্তন আদালতের কার্যক্রম তদারকি আরও গতিশীল ও সমন্বিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

