Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, জুলাই 15, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিচারকের আনুগত্য ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়, সংবিধান ও ন্যায়বিচারের প্রতি
    আইন আদালত

    বিচারকের আনুগত্য ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়, সংবিধান ও ন্যায়বিচারের প্রতি

    নিউজ ডেস্কজুলাই 15, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম দীর্ঘ বিচারিক জীবনের ইতি টেনে অবসরে গেছেন। বিদায়ী দিনে তিনি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, নিরপেক্ষতা ও মর্যাদা রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, একজন বিচারকের আনুগত্য কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা ক্ষমতার কেন্দ্রের প্রতি নয়; তাঁর একমাত্র দায়বদ্ধতা সংবিধান, আইন এবং নিজের বিবেকের প্রতি।

    গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আপিল বিভাগের ১ নম্বর এজলাসে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সুপ্রিম কোর্টের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামকে বিদায়ী সংবর্ধনা জানায় অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রের পক্ষে বক্তব্য দেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল)। আইনজীবীদের প্রতিনিধিত্ব করেন সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। এ সময় প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা এবং বিপুলসংখ্যক আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

    চার দশকের আইনজীবী ও বিচারিক জীবনের সমাপ্তি:

    বিদায়ী বক্তব্যে বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম বলেন, সুপ্রিম কোর্টে দুই দশকের বেশি সময় দায়িত্ব পালনের পর তিনি অবসরে যাচ্ছেন। তবে এটিকে তিনি শুধু বিচারকের দায়িত্বের সমাপ্তি হিসেবে দেখছেন না; বরং আইন অঙ্গনে চার দশকেরও বেশি সময়ের দীর্ঘ কর্মজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে দেখছেন।

    তিনি বলেন, বিচারকের আসন ছেড়ে দেওয়া সম্ভব হলেও ন্যায়বিচারের আদর্শ থেকে কখনো অবসর নেওয়া যায় না। সংবিধানের প্রতি তাঁর আনুগত্য, আইনের শাসনের প্রতি বিশ্বাস এবং রাষ্ট্রের প্রতি অঙ্গীকার ভবিষ্যতেও অটুট থাকবে। সামর্থ্য অনুযায়ী বিচার বিভাগের উন্নয়ন এবং দেশের কল্যাণে নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।

    বিচার বিভাগের মর্যাদা রক্ষায় বিচারক, আইনজীবী এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এই জ্যেষ্ঠ বিচারপতি। তিনি বলেন, বিচার বিভাগ কেবল বিচারকদের বা আইনজীবীদের একার প্রতিষ্ঠান নয়; এটি সবার। সবাই যদি এটিকে নিজের প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধারণ করেন, তাহলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মর্যাদা এবং জনগণের আস্থা আরও শক্তিশালী হবে। তার ভাষায়, বিচার বিভাগের প্রকৃত শক্তি কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করে না; বরং বার ও বেঞ্চসহ সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মধ্যেই এর ভিত্তি গড়ে ওঠে।

    নবীন আইনজীবীদের উদ্দেশে বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম বলেন, একজন আইনজ্ঞের সবচেয়ে বড় সম্পদ তাঁর সততা, চরিত্র এবং জ্ঞানের গভীরতা। আইন প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে, তাই শেখারও শেষ নেই। তিনি নিয়মিত সংবিধান, প্রচলিত আইন, দেশি-বিদেশি আদালতের রায় এবং বিচারতত্ত্ব অধ্যয়নের পরামর্শ দেন। বই সহজলভ্য না হলে আধুনিক প্রযুক্তি ও অনলাইনভিত্তিক উৎস ব্যবহার করে নিজেকে সমৃদ্ধ করার আহ্বানও জানান।

    বিচার বিভাগের আধুনিকায়নের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, মামলার জট কমানো এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা ভবিষ্যতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। কেবল বিচার হওয়াই যথেষ্ট নয়; মানুষের কাছে সেই বিচার দৃশ্যমান এবং বিশ্বাসযোগ্য হওয়াও জরুরি। কারণ জনগণের আস্থাই বিচার বিভাগের সবচেয়ে বড় শক্তি।

    তিনি মনে করেন, পরিকল্পিত ও দায়িত্বশীলভাবে আধুনিক প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার বিচার বিভাগের দক্ষতা বাড়াতে, বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমাতে এবং ন্যায়বিচারে মানুষের প্রবেশাধিকার আরও সহজ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    বিদায়ী বক্তব্যের শেষ অংশে জেলা পর্যায়ের অধস্তন আদালতের বিচারকদের উদ্দেশে তিনি নির্ভয়ে, ধৈর্যের সঙ্গে এবং ন্যায়ের পক্ষে অবিচল থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

    এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা আলেকজান্ডার হ্যামিল্টনের একটি বক্তব্য স্মরণ করে বলেন, বিচার বিভাগের প্রকৃত শক্তি বলপ্রয়োগে নয়; বরং তার স্বাধীন বিচারবোধ এবং জনগণের আস্থার মধ্যেই নিহিত।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আইন আদালত

    সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের মামলার রায় ২৮ জুলাই

    জুলাই 15, 2026
    আইন আদালত

    সাইবার সুরক্ষা আইনের নতুন পরিবর্তন, কী থাকছে এবার?

    জুলাই 15, 2026
    আইন আদালত

    জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের শূন্যতা পূরণে এখনই উদ্যোগের আহ্বান

    জুলাই 15, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram
    ‘হাম ব্যবস্থাপনায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ কি পর্যাপ্ত ছিল, আপনি কি মনে করেন?

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.