দেশের সব জেলা জজ আদালত, মহানগর দায়রা জজ আদালত, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে চালু হচ্ছে তথ্য ও সেবা কেন্দ্র। বিচারপ্রার্থীদের জন্য আদালত-সংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা সহজলভ্য করতেই আইন ও বিচার বিভাগ এ উদ্যোগ নিয়েছে।
গত ৩০ জুন আইন ও বিচার বিভাগের বাজেট ও উন্নয়ন অনুবিভাগের উন্নয়ন শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মুহাম্মদ ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত এক আদেশে দেশের সব অধস্তন আদালতের বিচারকদের এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিচারপ্রার্থী জনগণ যেন প্রয়োজনীয় তথ্য সহজে পেতে পারেন, সেজন্য প্রতিটি আদালত ভবনের বিদ্যমান রিসিপশনে অফিস সময়ের মধ্যে একজন সহায়ক কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে ‘তথ্য ও সেবা কেন্দ্র’ চালু করতে হবে। এই কার্যক্রম চালুর পর আইন ও বিচার বিভাগকে অবহিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
এই নির্দেশনার আলোকে কক্সবাজার জেলা জজ ভবনে তথ্য ও সেবা কেন্দ্র চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মুনসী আব্দুল মজিদের তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার জেলা জজ আদালতের জেলা নাজির বেদারুল আলম। এদিকে, কক্সবাজারের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আশেক এলাহী শাহজাহান নুরী জানিয়েছেন, জায়গার ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও সিজেএম মো. আক্তার হোসেন নিজ উদ্যোগে তথ্য ও সেবা কেন্দ্র চালুর পদক্ষেপ নিয়েছেন। বিষয়টি ইতোমধ্যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
বিচারপ্রার্থী অনেক নাগরিক আদালত সংক্রান্ত তথ্যের অভাবে বিভ্রান্তিতে পড়েন। মামলার ধরন, ফি, নির্ধারিত তারিখ কিংবা আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পদ্ধতি ঠিকমতো না জানায় তাঁদের নানা ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। এসব সমস্যার সমাধানে এবং বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও নাগরিকবান্ধব করতে এই কেন্দ্রগুলো চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

