দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সম্পদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। চলতি বছরের মার্চ মাসে আদালতের নির্দেশে ২৮ কোটি টাকার বেশি মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ক্রোক এবং অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
দুদকের সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে আদালতের মোট ১২টি আদেশের ভিত্তিতে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ চিহ্নিত করে আইনি প্রক্রিয়ায় জব্দ করার কাজ ধারাবাহিকভাবে চলছে।
তথ্য অনুযায়ী, পাঁচটি আদালতের আদেশে প্রায় ১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ ক্রোক করা হয়েছে। এসব সম্পদের মধ্যে রয়েছে ১৭ একর জমি, একটি ভবন, একটি টিনশেড বাড়ি, তিনটি ফ্ল্যাট, একটি পুকুর, চারটি বাণিজ্যিক স্পেস এবং একটি আবাসিক বাড়ি।
অন্যদিকে সাতটি পৃথক আদেশের মাধ্যমে আর্থিক সম্পদ অবরুদ্ধ করা হয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ১২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। এসবের মধ্যে রয়েছে ৭৪টি ব্যাংক হিসাব, একাধিক সঞ্চয়ী ও চলতি হিসাব, ক্রেডিট কার্ড, স্থায়ী আমানত, বিও হিসাব, সঞ্চয়পত্রসহ বিভিন্ন আর্থিক উপকরণ। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা সম্পদের মোট মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৮ কোটি ৫১ লাখ টাকা।
দুদক জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী জব্দকৃত সম্পদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে কমিশনের কাছে উপস্থাপন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

