Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, জুলাই 15, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের প্রতারণার শিকার হতে হবে আর কতদিন?
    অপরাধ

    রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের প্রতারণার শিকার হতে হবে আর কতদিন?

    নিউজ ডেস্কজুলাই 15, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশে নিরাপদ উপায়ে বিদেশে চাকরির সুযোগ পাওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে এখনো অধিকাংশ মানুষ দালালচক্রের ওপর নির্ভরশীল। প্রশ্ন হলো, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও নানা ডিজিটাল উদ্যোগ থাকার পরও কেন সাধারণ মানুষ নিরাপদ বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সেবা সহজে পাচ্ছেন না?

    বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি কাঠামো রয়েছে। কিন্তু সেই সেবার বড় অংশ এখনো মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পারেনি। অন্যদিকে দালালরা গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে, মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে যোগাযোগ তৈরি করছে। এই বাস্তবতায় সরকারি ব্যবস্থার সঙ্গে সাধারণ মানুষের যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, সেটিই দালালদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

    বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী কর্মীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তারা দেশে ৩০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী রাখা, গ্রামীণ অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধি, অসংখ্য পরিবারের জীবনমান উন্নয়ন এবং জাতীয় অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে এই অর্থের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

    এত বড় অবদান রাখা কর্মীদের বিদেশে যাওয়ার প্রক্রিয়া এখনো ব্যয়বহুল, জটিল এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রতারণার ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে বিষয়টি শুধু ব্যক্তিগত জীবিকার সুযোগ হিসেবে নয়, জাতীয় অর্থনীতির একটি কৌশলগত খাত হিসেবেও গুরুত্ব পাওয়ার দাবি রাখে।

    প্রবাসী কর্মীদের সহায়তায় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিএমইটি, বোয়েসেল, ডেমো অফিস, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক। পাশাপাশি ডিজিটাল সেবার আওতায় চালু হয়েছে ওপি-বিএমইটি প্ল্যাটফর্ম ও ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপ। তবে বাস্তব অভিজ্ঞতা বলছে, এসব উদ্যোগের সুফল এখনো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছায়নি।

    বিশ্বব্যাংকের এক মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়েছে, বিএমইটির একাধিক তথ্যভান্ডার এখনো পরস্পরের সঙ্গে সমন্বিত নয়। ফলে শ্রমবাজারভিত্তিক একটি কার্যকর তথ্যব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। একই সঙ্গে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ডেমো অফিসগুলোর সক্ষমতাও সীমিত, যা দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর চাহিদা পূরণে যথেষ্ট নয়।

    অন্যদিকে, সিপিডির ২০২৪ সালের এক গবেষণা সরকারি ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাকে আরও স্পষ্ট করে। গবেষণায় দেখা যায়, ২০২৩ সালে ১১ লাখের বেশি বাংলাদেশি বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য গেলেও সরকারি নিয়োগ সংস্থা বোয়েসেলের মাধ্যমে গেছেন মাত্র ১৫ হাজার ২৯৪ জন। অর্থাৎ মোট কর্মীর প্রায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ সরকারি এই ব্যবস্থার আওতায় বিদেশে যেতে পেরেছেন। এই পরিসংখ্যানই বোঝায়, অধিকাংশ মানুষ এখনো সরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে স্থানীয় দালালের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছেন।

    ধরা যাক, সিলেটের রাজু কিংবা কুড়িগ্রামের কোনো দরিদ্র যুবক বিদেশে কাজের স্বপ্ন দেখছেন। তিনি সাধারণত প্রথমে সরকারি অফিসে যান না। বরং পরিচিত একজন দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কারণ, সেই ব্যক্তি স্থানীয়, সহজলভ্য এবং প্রয়োজনের সময় বাড়িতে গিয়ে পরামর্শ দেয়। কাগজপত্র প্রস্তুত থেকে শুরু করে অর্থ জোগাড়ের পথও দেখিয়ে দেয়।

    এই আস্থার সুযোগই অনেক ক্ষেত্রে অপব্যবহার করা হয়। অতিরিক্ত অর্থ আদায়, ভুয়া চাকরির প্রতিশ্রুতি, ঋণের ফাঁদে ফেলা কিংবা বিদেশে গিয়ে বিপদে পড়ার মতো বহু অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই উঠে আসছে। তাই শুধু আইন করে দালাল নিষিদ্ধ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। রাষ্ট্রীয় সেবাকে এমনভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে, যাতে সেটি দালালের তুলনায় আরও সহজ, দ্রুত, সাশ্রয়ী এবং বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, দালালচক্র মূলত একটি ‘শেষ মাইল সমস্যা’ বা লাস্ট মাইল প্রবলেম থেকে সুবিধা নেয়। সরকারি সুযোগ-সুবিধা থাকলেও সাধারণ মানুষের কাছে সেই সেবা সময়মতো পৌঁছায় না। এই শূন্যস্থান পূরণ করেই দালালরা নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে এবং বিনিময়ে বিপুল অর্থ আদায় করে।

    বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, একজন বাংলাদেশি কর্মীর বিদেশে যেতে গড়ে প্রায় চার লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যয় হয়। এই ব্যয়ের বড় একটি অংশ মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে চলে যায়। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনের (আইটিইউসি) জরিপে বলা হয়েছে, গ্রামীণ এলাকায় অনেক নিয়োগই মৌখিকভাবে সম্পন্ন হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনো লিখিত চুক্তি বা অর্থ লেনদেনের রসিদ থাকে না। ফলে প্রতারণার শিকার হলেও আইনি প্রতিকার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এর ক্ষতি শুধু একজন কর্মীর নয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় একটি পরিবার, স্থানীয় অর্থনীতি এবং শেষ পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও।

    দালালনির্ভরতা কমাতে সাতটি বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ:

    নিরাপদ বৈদেশিক কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে কেবল আইন কঠোর করাই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন এমন একটি কার্যকর ব্যবস্থা, যেখানে সরকারি সেবা সহজে মানুষের কাছে পৌঁছাবে এবং বিদেশে যেতে আগ্রহীরা দালালের পরিবর্তে রাষ্ট্রের ওপর আস্থা রাখতে পারবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ লক্ষ্য অর্জনে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।

    ১. প্রতিটি দূতাবাসে শ্রমবাজার উন্নয়ন সেল:

    বাংলাদেশের প্রতিটি দূতাবাস ও হাইকমিশনে পৃথক শ্রমবাজার উন্নয়ন সেল (এলএমডিসি) গঠন করা প্রয়োজন। এই সেলের দায়িত্ব শুধু প্রবাসী কর্মীদের অভিযোগ গ্রহণ নয়, বরং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ খুঁজে বের করা। কোন দেশে কোন খাতে শ্রমিকের চাহিদা বাড়ছে, কোন প্রতিষ্ঠান সরাসরি বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে আগ্রহী—এসব তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে সরকারের কাছে উপস্থাপন করতে হবে।

    ২. বিদেশি নিয়োগকর্তাদের জন্য একক সেবা:

    বিদেশি কোম্পানি, হাসপাতাল, কেয়ার হোম, নির্মাণপ্রতিষ্ঠান, কৃষি খামার, হোটেল ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দূতাবাসের সরাসরি যোগাযোগ জোরদার করতে হবে। নিয়োগকর্তারা বাংলাদেশে এসে কর্মী বাছাই করতে চাইলে বিমানবন্দর সহায়তা, অনুবাদসেবা, সাক্ষাৎকারের স্থান, দক্ষতা যাচাই, চুক্তি পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সরকারি সমন্বয়সহ সব ধরনের সেবা এক জায়গা থেকেই নিশ্চিত করতে হবে। এতে নির্বাচিত কর্মীরা চার থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিদেশে যেতে পারবেন।

    ৩. কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন:

    দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজ মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নতুন কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ, যাচাইকৃত চাকরির সুযোগ সৃষ্টি এবং নিরাপদভাবে কতজন কর্মী বিদেশে গেছেন—এসব সূচক বিবেচনায় নেওয়া উচিত। ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পদোন্নতি বা প্রণোদনার ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। তবে সংখ্যার প্রতিযোগিতার পরিবর্তে শ্রমিকের নিরাপত্তা এবং চুক্তির স্বচ্ছতাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

    ৪. প্রতিটি উপজেলায় সমন্বিত সহায়তা কেন্দ্র:

    নতুন কোনো দপ্তর গড়ে তোলার পরিবর্তে বিএমইটি, ডেমো, বোয়েসেল, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের সেবা একত্র করে প্রতিটি উপজেলায় নিরাপদ বৈদেশিক কর্মসংস্থান সহায়তা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ে নির্ধারিত সময়ে ভ্রাম্যমাণ সেবা ক্যাম্প চালু করলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও সহজে সরকারি সহায়তা পাবেন।

    ৫. খরচ ও তথ্য প্রকাশে পূর্ণ স্বচ্ছতা:

    যাচাইকৃত প্রতিটি চাকরির ক্ষেত্রে গন্তব্য দেশ, কাজের ধরন, বেতন, সরকারি ফি, এজেন্সি চার্জ, প্রশিক্ষণ ব্যয় ও মেডিক্যাল খরচ সহজ ভাষায় প্রকাশ করতে হবে। এসব তথ্য অফিসের নোটিশ বোর্ডের পাশাপাশি অনলাইনেও উন্মুক্ত রাখতে হবে। স্থানীয় পর্যায়ে কেউ সহায়তা করলে তাকে বিএমইটির নিবন্ধিত ও প্রশিক্ষিত হতে হবে এবং নির্ধারিত ফি গ্রহণের পাশাপাশি রসিদ দেওয়া বাধ্যতামূলক করতে হবে।

    ৬. চুক্তি যাচাই ও শ্রমিক সুরক্ষা:

    বিদেশে যাওয়ার আগে প্রতিটি কর্মসংস্থানের চুক্তিপত্র বাংলায় অনুবাদ করে সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে বুঝিয়ে দিতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি যাচাই সনদ প্রদান করা উচিত। কর্মীর পরিবার, নিয়োগকর্তা, কর্মস্থল, বেতন এবং সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের তথ্য একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডেটাবেজে সংরক্ষণ করলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তা দেওয়া সহজ হবে।

    ৭. বোয়েসেল, প্রশিক্ষণ ও সহজ ঋণব্যবস্থা সম্প্রসারণ:

    বোয়েসেলের কার্যক্রম জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিস্তৃত করতে হবে। নিয়মিত চাকরি মেলা, ভার্চ্যুয়াল সাক্ষাৎকার বুথ এবং সম্ভাব্য নিয়োগকর্তাদের তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর পাঠ্যক্রম আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠানকে শুধু সনদ প্রদানকারী কেন্দ্র হিসেবে নয়, আধুনিক দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্রে রূপান্তর করতে হবে।

    এ লক্ষ্যে বিএমইটির অধীনে একটি কেন্দ্রীয় শ্রম-দক্ষতা ও বাজার তথ্য সেল গঠন করা যেতে পারে। এই সেল দূতাবাসগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করে কোন দেশে কোন ধরনের দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়ছে, তা নিয়মিত মূল্যায়ন করবে। সেই অনুযায়ী প্রশিক্ষণ, ভাষা শিক্ষা, যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষকদের দক্ষতা হালনাগাদ করতে হবে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ, সনদ প্রদান এবং নিয়োগ প্রক্রিয়াকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা প্রয়োজন।

    এ ছাড়া প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের স্বল্প সুদের ঋণ যেন দালালের মাধ্যমে নয়, সরাসরি নিরাপদ বৈদেশিক কর্মসংস্থান সহায়তা কেন্দ্রের মাধ্যমে পাওয়া যায়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

    মানুষের কাছেই পৌঁছাতে হবে সরকারি সেবা:

    শুধু ওয়েবসাইট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালালে কাঙ্ক্ষিত ফল মিলবে না। মসজিদের জুমার ঘোষণা, ইউনিয়ন পরিষদের সভা, স্কুল-কলেজের অভিভাবক সমাবেশ, হাটবাজারের তথ্যকেন্দ্রসহ স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। মানুষ যেখানে থাকে, সরকারি তথ্যও সেখানে পৌঁছাতে হবে।

    বাস্তবে সরকারের হাতে প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান, নীতিমালা এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা রয়েছে কিন্তু এখনো সবচেয়ে বড় ঘাটতি শেষ মাইলের সংযোগে। এই ব্যবধান দূর করে যদি রাষ্ট্র নিজেই সহজ, স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারে, তাহলে দালালচক্রের প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। রেমিট্যান্স বাড়াতে চাইলে প্রথমে প্রবাসী কর্মীদের নিরাপদ ও স্বচ্ছ বিদেশযাত্রা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এটি শুধু প্রশাসনিক দুর্বলতা নয়, রাষ্ট্রের জন্যও একটি বড় নৈতিক প্রশ্ন হয়ে থাকবে।

    সবশেষে, এই কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য অর্থের অভাবকে বড় অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। প্রবাসী বাংলাদেশিরা বছরে ৩৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠাচ্ছেন। এই বিপুল আয়ের সামান্য একটি অংশ যদি তাঁদের নিরাপত্তা, দক্ষতা উন্নয়ন, তথ্যসেবা, আইনি সহায়তা, নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান এবং দালালচক্র নিয়ন্ত্রণে বিনিয়োগ করা হয়, তবে একটি টেকসই ও কার্যকর বৈদেশিক কর্মসংস্থান ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। এটি ব্যয় নয়; বরং দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক আয়ের উৎসকে আরও শক্তিশালী করার জন্য একটি প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অপরাধ

    চট্টগ্রামে একের পর এক চাঁদাবাজি ও সশস্ত্র হামলা, আড়ালে কারা?

    জুলাই 14, 2026
    অপরাধ

    সন্দেহজনক লেনদেন: হরিদাস চন্দ্রের বিরুদ্ধে ৯.৩৫ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা

    জুলাই 14, 2026
    অপরাধ

    দুর্নীতিতে শীর্ষে ময়মনসিংহ, ঘুষে এগিয়ে খুলনা: টিআইবি

    জুলাই 14, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    যুক্তরাষ্ট্র আগ্রাসন বন্ধ না করলে হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখবে ইরান

    আন্তর্জাতিক জুলাই 15, 2026

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram
    ‘হাম ব্যবস্থাপনায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ কি পর্যাপ্ত ছিল, আপনি কি মনে করেন?

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.