Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মে 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » দেশের ৪৮ শতাংশ জনগোষ্ঠী দক্ষতার অভাবে কর্মক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে
    অর্থনীতি

    দেশের ৪৮ শতাংশ জনগোষ্ঠী দক্ষতার অভাবে কর্মক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে

    নিউজ ডেস্কমে 6, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বিশ্বজুড়ে শ্রমবাজার এখন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ডিজিটাল প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সবুজ অর্থনীতির দিকে অগ্রযাত্রা এবং জনমিতিক পরিবর্তন—সব মিলিয়ে কাজের ধরন ও চাহিদায় বড় রূপান্তর ঘটছে। এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় টিকে থাকতে এবং প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে স্বল্পমেয়াদি কারিগরি প্রশিক্ষণকে অপরিহার্য বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)। বাংলাদেশের অন্তত ৪৮ শতাংশ কর্মউপযোগী মানুষের জন্য এই ধরনের প্রশিক্ষণ জরুরি বলে উঠে এসেছে সংস্থাটির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে।

    গতকাল মঙ্গলবার (৫ মে) প্রকাশিত ‘লাইফলং লার্নিং অ্যান্ড স্কিলস ফর দ্য ফিউচার’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। এটি প্রস্তুত করা হয়েছে কর্মী জরিপ, অনলাইন চাকরির চাহিদা বিশ্লেষণ, প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য এবং প্রশিক্ষণের কার্যকারিতা নিয়ে করা ১৭৪টি গবেষণার পর্যালোচনার ভিত্তিতে।

    প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থায় পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না হলে চলমান বৈশ্বিক পরিবর্তন বিভিন্ন দেশ এবং দেশের অভ্যন্তরে বৈষম্য আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এ অবস্থায় জীবনব্যাপী শিক্ষাকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক নীতির কেন্দ্রবিন্দুতে আনার জন্য সরকারগুলোর প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে আইএলও।

    সংস্থাটির জরিপে অংশ নেওয়া বাংলাদেশিদের প্রায় অর্ধেক (৪৮ শতাংশ) জানিয়েছেন, তাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন স্বল্পমেয়াদি কারিগরি প্রশিক্ষণ, যা নতুন প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণদের অর্ধেকেরও বেশি ডিজিটাল ও কম্পিউটার দক্ষতায় স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ চান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আইএলওর মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ হংবো বলেন, জীবনব্যাপী শিক্ষা বর্তমান কর্মসংস্থান এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন তৈরি করে। তাঁর মতে, এটি শুধু উৎপাদনশীলতা বা চাকরির সুযোগই বাড়ায় না, বরং ভালো কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করে, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে এবং একটি স্থিতিশীল সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মাধ্যমিক শিক্ষাসম্পন্ন কর্মক্ষম বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে মাত্র এক-চতুর্থাংশ কোনো না কোনো ধরনের শেখার কার্যক্রমে—আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে—অংশ নেন। অন্যদিকে মাধ্যমিক শিক্ষা নেই এমন ব্যক্তিদের মধ্যে এই হার মাত্র ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। অনানুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণেও একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে বলে উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।

    এছাড়া আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মীদের মধ্যেও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণে বড় ধরনের বৈষম্য রয়েছে। যেসব পেশায় উচ্চশিক্ষার প্রয়োজন বেশি—যেমন ব্যবস্থাপক, পেশাজীবী ও প্রযুক্তিবিদ—সেসব ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের হার তুলনামূলকভাবে বেশি। বিপরীতে প্রাথমিক পর্যায়ের পেশাগুলোর ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ৩ দশমিক ৫ শতাংশ।

    প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রায় তিন-চতুর্থাংশ (৭২ শতাংশ) উত্তরদাতা জানিয়েছেন, শিক্ষানবিশ বা ইন্টার্নশিপে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে তাদের কাজের দক্ষতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সব মিলিয়ে আইএলওর এই প্রতিবেদন স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিচ্ছে, ভবিষ্যতের শ্রমবাজারে টিকে থাকতে হলে শুধু শিক্ষা নয়, বরং ধারাবাহিক দক্ষতা উন্নয়নই হবে মূল চাবিকাঠি।

    পরিবর্তিত শ্রমবাজারে কোন প্রশিক্ষণ সবচেয়ে জরুরি:

    বিশ্ব ও দেশের শ্রমবাজারে দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে বাংলাদেশের কর্মীরা নানা ধরনের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন অনুভব করছেন। আইএলওর জরিপে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে স্বল্পমেয়াদি কারিগরি প্রশিক্ষণের, যা নতুন দক্ষতা অর্জনে সহায়ক।

    জরিপ অনুযায়ী, নতুন কারিগরি দক্ষতা শেখার জন্য স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণকে প্রয়োজন বলে মনে করেন ৪৮ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা। এই চাহিদা তরুণদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি, ৫১ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৪৭ দশমিক ৯ শতাংশ এবং প্রবীণদের মধ্যে ৩৩ দশমিক ৬ শতাংশ এই প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।

    এরপরই রয়েছে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক প্রাথমিক কারিগরি প্রশিক্ষণ। সামগ্রিকভাবে ৩৬ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ এটিকে প্রয়োজনীয় বলে মনে করেন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে এই চাহিদা ৩৮ দশমিক ৯ শতাংশ, প্রবীণদের মধ্যে ৩৮ দশমিক ৭ শতাংশ এবং তরুণদের মধ্যে ৩০ দশমিক ৮ শতাংশ।

    ব্যক্তিগত উন্নয়ন ও মানসিক দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণের প্রয়োজন জানিয়েছেন ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা। এই হার প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৩২ শতাংশ এবং প্রবীণদের মধ্যে ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ হলেও তরুণদের মধ্যে এটি তুলনামূলকভাবে কম, ২১ দশমিক ৩ শতাংশ।

    ডিজিটাল ও কম্পিউটার দক্ষতার ক্ষেত্রে চিত্রটি আরও স্পষ্টভাবে বিভক্ত। সামগ্রিকভাবে ২৮ শতাংশ মানুষ এই প্রশিক্ষণকে প্রয়োজনীয় মনে করেন। তবে তরুণদের মধ্যে এই হার অনেক বেশি, ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ এবং প্রবীণদের মধ্যে মাত্র ৫ দশমিক ১ শতাংশ।

    ক্যারিয়ার ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণের প্রয়োজন জানিয়েছেন ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা। তরুণদের মধ্যে এটি ২১ শতাংশ, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ১৪ দশমিক ৫ শতাংশ এবং প্রবীণদের মধ্যে ১০ দশমিক ৯ শতাংশ। যোগাযোগ, সহযোগিতা ও দলগত কাজের দক্ষতা উন্নয়নের প্রয়োজন উল্লেখ করেছেন ৯ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ। এই হার তরুণদের মধ্যে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ এবং প্রবীণদের মধ্যে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ।

    স্ব-সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা উন্নয়নের চাহিদা তুলনামূলকভাবে কম, ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। তবে প্রবীণদের মধ্যে এটি কিছুটা বেশি, ১০ দশমিক ২ শতাংশ। তরুণদের মধ্যে ৮ শতাংশ এবং প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ। সবচেয়ে কম চাহিদা দেখা গেছে সৃজনশীলতা, কৌশলগত চিন্তাভাবনা ও সমস্যা সমাধান দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণে, যা ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। তরুণদের মধ্যে এটি ৬ দশমিক ৪ শতাংশ, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৪ দশমিক ২ শতাংশ এবং প্রবীণদের মধ্যে ২ দশমিক ৯ শতাংশ।

    বাংলাদেশের কর্মীদের প্রধান অগ্রাধিকার এখন স্বল্পমেয়াদি কারিগরি ও ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন। তরুণদের মধ্যে ডিজিটাল দক্ষতার চাহিদা সবচেয়ে বেশি, আর বয়স্কদের মধ্যে প্রাথমিক ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক কারিগরি প্রশিক্ষণের প্রয়োজন তুলনামূলকভাবে বেশি।

    দক্ষতার পরিবর্তিত চাহিদা ও বৈষম্য বাড়ছে শ্রমবাজারে:

    দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্ব শ্রমবাজারে দক্ষতার চাহিদাও সমান গতিতে বদলে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কাজের ধরনকে নতুনভাবে গড়ে দিচ্ছে। একই সঙ্গে সবুজ অর্থনীতির প্রসার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে এবং জনসংখ্যার বার্ধক্য সেবা খাতে বাড়তি চাহিদা তৈরি করছে। তবে এই পরিবর্তনের মধ্যেও প্রশিক্ষণ ও শেখার সুযোগে বড় ধরনের বৈষম্য রয়ে গেছে।

    প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সীদের মধ্যে মাত্র ১৬ শতাংশ গত এক বছরে কোনো কাঠামোবদ্ধ প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে আনুষ্ঠানিক খাতে স্থায়ী পূর্ণকালীন কর্মীদের মধ্যে এই সুযোগ পেয়েছেন ৫১ শতাংশ। এই পার্থক্য শ্রমবাজারে শেখার সুযোগের স্পষ্ট বৈষম্যকে সামনে এনেছে।

    স্বল্প শিক্ষিত এবং অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত ব্যক্তিরা সাধারণত কাজের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করেন। অন্যদিকে তুলনামূলকভাবে আনুষ্ঠানিক খাতে থাকা কর্মীরা প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ এবং সহকর্মীদের সহযোগিতায় শেখার সুযোগ পান। এতে কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনের সুযোগে বড় ব্যবধান তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে এমন একটি শিক্ষা কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে, যা পুরো কর্মজীবনজুড়ে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ নিশ্চিত করবে।

    বাংলাদেশে আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন বলেন, বৈশ্বিক প্রবণতাগুলো বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তাঁর মতে, বর্তমান শ্রমবাজারে প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি সফট স্কিল বা ব্যক্তিগত দক্ষতার গুরুত্ব দ্রুত বাড়ছে। এ জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদার এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা প্রয়োজন, যাতে মানসম্মত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা যায়।

    এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর মাত্র ১২ দশমিক ৬ শতাংশ সংগঠিত শিক্ষায় যুক্ত থাকায় জীবনব্যাপী শিক্ষাকে জাতীয় কৌশলগত অগ্রাধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিয়েছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)। সংস্থাটির মতে, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে এটি এখন সময়ের দাবি।

    এই লক্ষ্য অর্জনে মন্ত্রণালয়, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, নিয়োগকর্তা এবং শ্রমিক সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে জীবনব্যাপী শিক্ষা ও অন্যান্য জাতীয় নীতির মধ্যে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করাকে কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়েছে।

    শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ বাড়াতে আর্থিক বাধা কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে আইএলও। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারি অনুদান ও সহায়তা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে সহ-অর্থায়ন, কর ছাড় এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্যয় ভাগাভাগির মতো উদ্যোগ কার্যকর হতে পারে। পাশাপাশি ফলাফলভিত্তিক চুক্তি এবং লক্ষ্যনির্ভর সরকারি প্রশিক্ষণ তহবিলও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে।

    নারী, বয়স্ক কর্মী এবং অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকরা শিক্ষার সুযোগে বেশি বাধার মুখে পড়েন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে নমনীয় ও সহজলভ্য শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মডিউলার, ডিজিটাল ও মিশ্র শিক্ষা পদ্ধতি এবং মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল ব্যবস্থার সম্প্রসারণ। একই সঙ্গে ডিজিটাল বিভাজন কমানোর দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।

    শ্রমবাজারের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে সরকার, নিয়োগকর্তা, শ্রমিক সংগঠন এবং প্রশিক্ষণ প্রদানকারীদের মধ্যে কাঠামোগত সামাজিক সংলাপ জোরদার করার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেক্টরভিত্তিক দক্ষতা কাঠামো বা অবকাঠামো এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং সবুজ অর্থনীতির দক্ষতায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    শ্রমবাজারে কোন খাতে কী ধরনের দক্ষতার চাহিদা রয়েছে তা সময়োপযোগীভাবে জানার জন্য উন্নত তথ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে। এ ধরনের তথ্য নীতি নির্ধারণ, দক্ষতা পরিকল্পনা এবং প্রশিক্ষণ নকশায় ব্যবহার করার পাশাপাশি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মানসম্মত শ্রেণিবিন্যাস ব্যবহার করলে আন্তর্জাতিক তুলনা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা সহজ হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

    কর্মক্ষেত্রভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার সম্প্রসারণকে দক্ষতা উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে দেখছে আইএলও। এর মাধ্যমে শ্রমিকরা পরিবর্তিত কাজের চাহিদার সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারবেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি শুধু কর্মজীবনের রূপান্তর সহজ করবে না, বরং প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতাও বাড়াবে। বিশেষ করে মানসম্মত শিক্ষানবিশ কার্যক্রম এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় প্রবাসীদের সম্পৃক্ততার প্রতিবন্ধকতাসমূহ

    মে 6, 2026
    অর্থনীতি

    বাংলাদেশে জ্বালানি রূপান্তরের সম্ভাব্য পথসমূহ

    মে 6, 2026
    অর্থনীতি

    চট্টগ্রাম কাস্টমস অবকাঠামো উন্নয়নে ৯০০ কোটি টাকার প্রকল্প

    মে 6, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.