Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, মে 15, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ইশতেহার বাস্তবায়নে ৫ অগ্রাধিকার—দুই কার্ডেই বরাদ্দ ১৭ হাজার কোটি টাকা
    অর্থনীতি

    ইশতেহার বাস্তবায়নে ৫ অগ্রাধিকার—দুই কার্ডেই বরাদ্দ ১৭ হাজার কোটি টাকা

    নিউজ ডেস্কমে 15, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে সামাজিক সুরক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পরিবার কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদানের কর্মসূচি বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ খাতে মোট ১৭ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ রাখা হচ্ছে।

    প্রস্তাবিত উন্নয়ন কর্মসূচিতে নির্বাচনি ইশতেহারের পাঁচটি মূল স্তম্ভ—রাষ্ট্রীয় সংস্কার, সামাজিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, আঞ্চলিক ভারসাম্য এবং সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংহতি—একসঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এর ফলে নিম্ন আয়ের পরিবার, প্রান্তিক কৃষক এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য সরাসরি আর্থিক সহায়তা বাড়বে বলে পরিকল্পনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের প্রস্তুত করা সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, ‘বিশেষ প্রয়োজনভিত্তিক সামাজিক উন্নয়ন সহায়তা’ খাতের অধীনে এই বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ রাখা হয়েছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিবার কার্ড কর্মসূচির জন্য, যার পরিমাণ ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে কৃষক কার্ড কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। পাশাপাশি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মসজিদসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ে দায়িত্ব পালনকারীদের সম্মানী বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা।

    পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতার বলেন, উন্নয়ন কর্মসূচিতে নির্বাচনি ইশতেহারের অঙ্গীকারগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় কৃষক কার্ড ও পরিবার কার্ড কর্মসূচিতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানান, সামাজিক উন্নয়ন সহায়তা খাতে এই অতিরিক্ত বরাদ্দ মূলত নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ। পাশাপাশি বিদ্যমান সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোর অর্থায়নও অব্যাহত থাকবে। তাঁর মতে, আয় কমে যাওয়া এবং নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের চাপে থাকা নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার কমিশনের বর্ধিত সভায় প্রায় ৩ লাখ ৮ হাজার ৯২৪ কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মসূচির খসড়া প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ লাখ ৯৮ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা আসবে সরকারি ও নিজস্ব অর্থায়ন থেকে। বাকি ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা আসবে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে। গত অর্থবছরের তুলনায় এবারের আকার প্রায় ৩০ দশমিক ৪৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) নথিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনি ইশতেহারের পাঁচটি মূল স্তম্ভ—রাষ্ট্রীয় সংস্কার, সামাজিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, আঞ্চলিক ভারসাম্য এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি—এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নতুন উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি এবং সামাজিক নিরাপত্তাকে ঘিরেই আগামী অর্থবছরের উন্নয়ন অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছে।

    ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে প্রায় ৫০ লাখ পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিল বিএনপি। নির্বাচনি ইশতেহারে প্রতিটি পরিবারকে মাসে আড়াই হাজার টাকা সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল। প্রস্তাবিত ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বরাদ্দ বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৪৮ লাখ ৩০ হাজার পরিবার এ সুবিধার আওতায় আসবে বলে হিসাব করা হয়েছে।

    গড়ে প্রতি পরিবারে ৪ দশমিক ২৬ জন সদস্য ধরে বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি ৫৯ লাখ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পাইলট পর্যায়ে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারের নারী প্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা হয়েছে। এসব পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা পাচ্ছে। পাশাপাশি তারা স্বল্পমূল্যে নিত্যপণ্য ক্রয় এবং বিভিন্ন সরকারি সুবিধাও পাচ্ছেন।

    পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, এডিপি সরকারের জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়নের মূল দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করে। টেকসই উন্নয়ন, উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে এটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা হিসেবে ভূমিকা রাখে।

    কমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, বৈষম্যহীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবিলা, প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পায়ন এবং টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগও পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    এই প্রেক্ষাপটে খাতভিত্তিক বরাদ্দে শিক্ষা খাতে ১৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ, স্বাস্থ্য খাতে ১১ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং কৃষি খাতে ৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ অর্থ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের সম্মানীর জন্য মোট ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ বা ১৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেও পরিকল্পনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, শিল্পায়ন, তথ্যপ্রযুক্তি, সেবা খাত এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে। রেল ও নৌ যোগাযোগ সম্প্রসারণ, বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, গ্যাস অনুসন্ধান এবং শিল্পপার্ক ও অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের মাধ্যমে প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এর মধ্যে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে সর্বোচ্চ ১৬ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ১০ দশমিক ৯০ শতাংশ বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, এডিপি বাস্তবায়নে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও সাশ্রয়ী পরিকল্পনা জরুরি। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)-এর সাবেক মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, বৈদেশিক ঋণের পরিস্থিতি বর্তমানে চাপের মধ্যে রয়েছে। তার মতে, বাজেটের বড় অংশ এখন বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে চলে যাচ্ছে, যা ২০৩০ সাল পর্যন্ত আরও বাড়তে পারে। তিনি বলেন, উন্নয়ন কর্মসূচিতে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো জরুরি। বিদেশ ভ্রমণসহ অপচয়মূলক খরচ বন্ধ করা গেলে সীমিত অর্থেই বেশি ফল পাওয়া সম্ভব।

    এদিকে অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় উত্তরাঞ্চল, পার্বত্য অঞ্চল, হাওর এবং উপকূলীয় এলাকায় কৃষি, মৎস্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং মৌলিক সেবা সম্প্রসারণে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    পরিকল্পিত নগরায়ণ ও নিরাপদ আবাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে আঞ্চলিক বৈষম্য কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে উন্নয়ন পরিকল্পনায় উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সামাজিক সংহতির ক্ষেত্রে যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন, ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন, পেশাদার খেলোয়াড় তৈরি এবং নারী ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণ ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বিকাশকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সার্বিকভাবে এসব সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই এবং ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন নিশ্চিত করে একটি আধুনিক ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তিনি জানান, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আগামী বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখা হবে এবং বিদ্যমান ত্রুটি-বিচ্যুতি দ্রুত শনাক্ত করে সংশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, কোথাও প্রকৃত সুবিধাভোগী বাদ পড়েছেন কি না বা অনিয়মের মাধ্যমে কেউ অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন কি না—এসব বিষয় গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে।

    প্রকল্পভিত্তিক অর্থ বরাদ্দে কিছু সাধারণ নির্দেশনাও নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বৈদেশিক ঋণ বা অনুদানে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প, দারিদ্র্য হ্রাস, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা, ক্রীড়া উন্নয়ন, মানসম্মত চিকিৎসা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, ডিজিটাল অর্থনীতি, খাল খনন ও নদী পুনরুদ্ধার এবং স্থানীয় ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান-সম্পর্কিত প্রকল্পগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

    এছাড়া চলমান প্রকল্প সময়মতো শেষ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বৈদেশিক ঋণ বা অনুদান-নির্ভর প্রকল্পে প্রতিশ্রুত অর্থের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রার বরাদ্দ নিশ্চিত করার নির্দেশনাও রয়েছে। একই সঙ্গে নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পে বরাদ্দ প্রতিফলিত করা এবং অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে।

    ২০২৬–২৭ অর্থবছরে মোট উন্নয়ন প্রকল্পের সংখ্যা ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৫০টি। এর মধ্যে ৯৭৩টি বিনিয়োগ প্রকল্প, ২৩টি সমীক্ষা প্রকল্প এবং ১০৯টি কারিগরি সহায়তা প্রকল্প রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগামী অর্থবছরের বাজেটের আকার দাঁড়াতে পারে প্রায় ৮ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৯৩ হাজার কোটি টাকা বেশি।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    পদ্মা ব্যারাজ: স্বপ্নের প্রকল্পে ঘনাচ্ছে প্রশ্নের মেঘ

    মে 15, 2026
    অর্থনীতি

    করব্যবস্থার প্রভাবে বাড়বে জীবনযাত্রার ভোগান্তি

    মে 15, 2026
    অর্থনীতি

    মেগাপ্রকল্প করতে হবে সঠিক দামে: ড. দেবপ্রিয়

    মে 15, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.