Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, জুন 15, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ঋণ ও করের বোঝা—সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলবে?
    অর্থনীতি

    ঋণ ও করের বোঝা—সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলবে?

    নিউজ ডেস্কজুন 1, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ছবি: এ আই
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশের অর্থনীতি যখন রাজস্ব ঘাটতি, তহবিল সংকট, উচ্চ ঋণনির্ভরতা এবং ধীরগতির ব্যবসা-বাণিজ্যের চাপে টালমাটাল, তখনই ইতিহাসের অন্যতম বড় বাজেট প্রণয়নের পথে এগোচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকার।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম জাতীয় বাজেট হিসেবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    সরকারের নীতিনির্ধারকদের মতে, এই বাজেট হবে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ভিত্তি গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তারা এটিকে সংকট কাটিয়ে ওঠার রূপরেখা হিসেবে দেখছেন। তবে অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী এবং রাজস্ব খাতের বিশেষজ্ঞদের বড় একটি অংশ এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এত বড় বাজেট বাস্তবায়ন করা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

    চলতি অর্থবছরেই রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা থেকে সরকার উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে রয়েছে। ইতোমধ্যে রাজস্ব ঘাটতি এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। একই সময়ে সরকারি ব্যয় নির্বাহে ব্যাংক খাত থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়া হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আরও বড় আকারের বাজেট এবং উচ্চাভিলাষী রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা কতটা বাস্তবসম্মত হবে, তা নিয়ে সংশয় বাড়ছে বিভিন্ন মহলে।

    ঋণ ও মূল্যস্ফীতির চাপে অর্থনীতি:

    সরকারি বাজেট বাস্তবায়নের সঙ্গে সঙ্গে দেশের অর্থনীতিতে ঋণ ও মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাজেট নথি এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আগামী অর্থবছরে একদিকে সরকার নতুন করে বড় অঙ্কের ঋণ গ্রহণ করবে। অন্যদিকে পুরোনো বৈদেশিক ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধের চাপও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। ফলে একসঙ্গে নতুন ঋণ গ্রহণ ও আগের ঋণ পরিশোধ—দুই দিকের চাপেই অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় বাড়তি বোঝা তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ঋণ পরিশোধের বাড়তি চাপ:

    ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের কিস্তি ও সুদ বাবদ প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। অর্থনীতিবিদদের মতে, গত এক দশকে বড় আকারের অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের কারণে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দ্রুত বেড়েছে। এখন সেই ঋণের প্রতিদান পরিশোধের ধাপে প্রবেশ করছে দেশ।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে সরকারের বাজেট ব্যবস্থাপনায় ঋণসেবার ব্যয় একটি বড় চাপ হিসেবে দেখা দেবে। নতুন ঋণ গ্রহণের পাশাপাশি পুরোনো ঋণ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা থাকায় আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তাদের মতে, আগামী বছরগুলোতে বৈদেশিক ঋণসেবার ব্যয় আরও বাড়বে, যা সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

    মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জ:

    অন্যদিকে সরকার আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, এই লক্ষ্য অর্জন কঠিন হতে পারে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামা, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার অনিশ্চয়তা দেশের উৎপাদন ব্যয় বাড়াচ্ছে। এর পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ বাজারেও জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে এবং বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

    সব মিলিয়ে উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বাড়ায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে। বাজেটের খসড়া অনুযায়ী আগামী অর্থবছরেও ধাপে ধাপে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হবে।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, এই পদক্ষেপ উৎপাদন খরচ এবং পরিবহন ব্যয় আরও বাড়াবে। এর সরাসরি প্রভাব পড়বে পণ্য ও সেবার দামে। বিশেষ করে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার ঝুঁকি বেশি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ফলে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও চাপের মুখে পড়তে পারে।

    সব মিলিয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, একদিকে ঋণ পরিশোধের বাড়তি চাপ, অন্যদিকে জ্বালানি মূল্য সমন্বয়ের কারণে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি— এই দুইয়ের সমন্বয়ে আগামী অর্থবছরে সামষ্টিক অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। তাদের মতে, সঠিক নীতি সমন্বয় এবং কার্যকর ব্যয় ব্যবস্থাপনা না হলে বাজেটের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে।

    চলতি বাজেটের তুলনায় বড় পরিকল্পনা:

    সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট ছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে বাজেটের আকার বাড়ছে প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা, যা শতাংশের হিসাবে প্রায় ১৯ শতাংশ।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, সাধারণত বাজেটের আকার বৃদ্ধি পায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ, মূল্যস্ফীতি, উন্নয়ন ব্যয় এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাড়ার কারণে। তবে রাজস্ব আহরণ দুর্বল এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার তুলনায় কম হলে বড় বাজেট বাস্তবায়ন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

    রাজস্ব আদায়ের বিশাল লক্ষ্য:

    প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা, নন-এনবিআর উৎস থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা এবং করবহির্ভূত রাজস্ব থেকে ৬৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।

    এই রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তবে বাস্তবতা হলো, গত কয়েক বছর ধরে এনবিআর ধারাবাহিকভাবে লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে মন্থরতা, আমদানি হ্রাস, শিল্প উৎপাদনে ধীরগতি এবং করভিত্তি সম্প্রসারণে সীমিত অগ্রগতির কারণে রাজস্ব আদায় কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। এই প্রেক্ষাপটে নতুন বাজেটে রাজস্ব লক্ষ্য অর্জন না হলে সরকারের ঋণের ওপর নির্ভরতা আরও বাড়বে।

    রেকর্ড ঘাটতির বাজেট:

    প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসে অন্যতম বড় বাজেট ঘাটতি। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী এই ঘাটতি পূরণ করা হবে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা, ব্যাংকবহির্ভূত উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ ও সহায়তা থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের মাধ্যমে।

    অর্থাৎ ঘাটতির প্রায় পুরো অংশই ঋণনির্ভর অর্থায়নের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ব্যাংকঋণ বৃদ্ধি পেলে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে যেতে পারে, যা শিল্প বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি বৈদেশিক ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বাড়াবে। আগামী অর্থবছরের জন্য মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ।

    চলতি অর্থবছরে এই লক্ষ্য ছিল সাড়ে ৫ শতাংশ। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এই লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে না। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস আরও সতর্ক। তাদের মতে, ব্যবসা-বাণিজ্যে ধীরগতি, শিল্প খাতে বিনিয়োগ কমে যাওয়া, উচ্চ সুদের হার এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা প্রবৃদ্ধির ওপর চাপ তৈরি করছে।

    আগামী অর্থবছরের জন্য ৩ লাখ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা ও ঋণ থেকে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। এডিপির অগ্রাধিকার খাত হিসেবে রাখা হয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন, গৃহায়ন, সামাজিক সুরক্ষা এবং জলবায়ু সহনশীলতা।

    বিএনপি সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন বাজেটে এই খাতে বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা বেশি। এই বরাদ্দের আওতায় থাকবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা সম্মানি এবং মাতৃত্ব ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি।

    আসন্ন বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে বরাদ্দ ধরা হয়েছে প্রায় ৫৭ হাজার ৩০২ কোটি টাকা। অন্যদিকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বরাদ্দ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৯ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা।

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এবং উন্নয়ন সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমানোর পরামর্শ দিয়ে আসছে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার আগামী অর্থবছরেও বড় অঙ্কের ভর্তুকি বজায় রাখছে। বাজেট অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি ধরা হয়েছে ৩৭ হাজার কোটি টাকা। মোট ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ সহায়তার পরিমাণ দাঁড়াবে ১ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ কোটি টাকা।

    আগামী বাজেটে নতুন ধারণা হিসেবে ‘সৃজনশীল অর্থনীতি’কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি, ফ্রিল্যান্সিং, স্টার্টআপ, উদ্ভাবন, সাংস্কৃতিক শিল্প, চলচ্চিত্র, সংগীত, খেলাধুলা এবং গ্রামীণ সংস্কৃতিভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে নতুন প্রবৃদ্ধির উৎস হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ খাতগুলোতে বিশেষ তহবিল, করসুবিধা এবং প্রণোদনা দেওয়ার বিষয়টি বাজেটে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

    এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য:

    সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য উচ্চ প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আর্থিক খাত সংস্কার, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

    সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি এবং কর্মসংস্থান খাতে বরাদ্দ বাড়ানো জনকল্যাণের দিক থেকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে বিপুল রাজস্ব লক্ষ্য, রেকর্ড ঘাটতি এবং ঋণনির্ভর অর্থায়ন বাজেট বাস্তবায়নের পথে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। এসব বাস্তবতা বিবেচনায় না নিলে বাজেটের ঘোষিত লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

    ফলে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং নতুন সরকারের অর্থনৈতিক দর্শন, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রথম বড় পরীক্ষাও হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    সব মিলিয়ে আসন্ন বাজেটকে শুধু একটি অর্থবছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব হিসেবে দেখার সুযোগ কম। এটি একই সঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা, সীমাবদ্ধতা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষার এক জটিল সমীকরণ। একদিকে প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর বড় লক্ষ্য, অন্যদিকে রাজস্ব ঘাটতি, ঋণনির্ভর অর্থায়ন ও মূল্যস্ফীতির চাপ—এই বিপরীতমুখী বাস্তবতার মধ্যেই বাজেটের ভবিষ্যৎ দাঁড়িয়ে আছে।

    প্রশ্নটি তাই শুধু লক্ষ্য কত বড় তা নয়, বরং সেই লক্ষ্য অর্জনের পথ কতটা বাস্তবসম্মত। কারণ সংখ্যার হিসাব কাগজে যত সহজ দেখায়, বাস্তব অর্থনীতিতে তা ততটাই কঠিন হয়ে ওঠে।

    এই বাজেট সফল হবে কি না, তার উত্তর সময়ই দেবে কিন্তু এখনই যে প্রশ্নটি সামনে আসে, তা হলো—উচ্চাভিলাষ আর সক্ষমতার দূরত্ব অর্থনীতি কতটা বহন করতে পারবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    মতামত

    জাতিসংঘে জার্মানির পরাজয় গণহত্যায় তার সম্পৃক্ততার একটি রায়

    জুন 14, 2026
    অর্থনীতি

    বন্দরের দক্ষতা বাড়াতে বিদেশি অপারেটর জরুরি: বিডা চেয়ারম্যান

    জুন 14, 2026
    অর্থনীতি

    এডিবির ১ বিলিয়ন ডলার সহায়তায় রিজার্ভ ছাড়াল ৩৫ বিলিয়ন ডলার

    জুন 14, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.