Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, জুলাই 1, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » নতুন অর্থবছর: বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ভাগ্য কি এবার বদলাবে?
    অর্থনীতি

    নতুন অর্থবছর: বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ভাগ্য কি এবার বদলাবে?

    মনিরুজ্জামানজুলাই 1, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    অর্থ বিল ২০২৬ পাসের মধ্য দিয়ে সরকার নতুন অর্থবছরে প্রবেশ করেছে। এই বিল পাসের সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব অনুযায়ী অর্থমন্ত্রী বেশ কিছু কর প্রস্তাবে সংশোধনী এনেছেন। আগে যেসব কর প্রস্তাব নিয়ে সমালোচনা ছিল, সেগুলোতেই মূলত পরিবর্তন আনা হয়েছে। অতীতে এ ধরনের অর্থ বিল পাসের সময়ও কর প্রস্তাবে কিছু না কিছু সংশোধন আনার প্রবণতা দেখা গেছে।

    করমুক্ত আয়সীমা এবার কিছুটা বাড়ানো হয়েছে, যা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। মূল্যস্ফীতির বর্তমান পরিস্থিতিতে এই সীমা আরও বাড়ানোর দাবি ছিল। পাশাপাশি পরবর্তী অর্থবছরগুলোতে করমুক্ত আয়সীমা নিয়ে আগাম প্রক্ষেপণের কথাও বলা হয়েছে, যাতে করদাতারা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে পারেন।

    এবারের অর্থ বিলে ন্যূনতম করহার দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্তও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে সামনে এসেছে। এতে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের ওপর চাপ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই প্রভাব কতটা হবে, তা অনেকটাই নির্ভর করবে মূল্যস্ফীতির গতিপ্রকৃতির ওপর। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি ইতোমধ্যে দুই অঙ্কের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

    অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারের বড় অঙ্গীকারের মধ্যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি অন্যতম। নির্বাচনী ইশতেহারেও এই বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছিল। দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। কিন্তু বাস্তবতায় তরুণদের বড় একটি অংশ এখনো বেকার। যারা কর্মে যুক্ত আছেন, তাদের অনেকের আয়ও প্রত্যাশার তুলনায় কম।

    বিদেশে কর্মরত শ্রমিকরাও আগের মতো আয় করতে পারছেন না বলে পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। এই অবস্থায় দেশি-বিদেশি শ্রমবাজারের উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসম্মত কর্মসংস্থান তৈরি হলে মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা হলেও মোকাবিলা করা সহজ হবে।

    বাজেটে বিনিয়োগের পথে থাকা বাধাগুলো দূর করার চেষ্টা দেখা গেছে। এক অর্থবছরে এসব পরিবর্তন পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা কঠিন হলেও সরকারের নীতিগত অবস্থানকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি নীতি সহায়তার ঘোষণাও উদ্যোক্তাদের কিছুটা আশ্বস্ত করেছে।

    এছাড়া স্থানীয় শিল্প সুরক্ষায় কিছু কর ছাড়ও অর্থ বিলে যুক্ত হয়েছে। বিশেষভাবে সিগারেটের উপকরণে আরোপিত শুল্ক উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে। এর উদ্দেশ্য সংশ্লিষ্ট খাতকে অতিরিক্ত চাপ থেকে কিছুটা রক্ষা করা। তবে এতে রাজস্ব আহরণে প্রভাব পড়তে পারে। অর্থনীতিবিদদের মতে, রাজস্ব বাড়াতে সরকারের এমন কিছু সমঝোতামূলক পদক্ষেপ নিতে হয়।

    ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট বাস্তবায়নের জন্য এবার রাজস্ব আহরণের ওপর নির্ভরতা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ কোটি টাকারও বেশি। অথচ বিদায়ী অর্থবছরে সংস্থাটি ৪ লাখ কোটি টাকার কিছু বেশি রাজস্ব সংগ্রহ করতে পেরেছে। সেই হিসাবে নতুন অর্থবছরে প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি রাজস্ব আদায়ের চাপ তৈরি হয়েছে, যা বাস্তবায়নযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

    এই উচ্চ লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে কর ছাড়ের কারণে রাজস্ব কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও আলোচনায় আছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসাকে করের আওতায় আনার যে পরিকল্পনা ছিল, তা থেকে সরকার কিছুটা সরে এসেছে। ফলে প্রত্যাশিত অতিরিক্ত আয়ের পথও সীমিত হয়ে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বাজেটে ব্যবসা সহজীকরণ ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা দিয়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কতটা বাড়বে এবং সেখান থেকে কতটা অতিরিক্ত রাজস্ব আসবে—সেটিও এখন বড় প্রশ্ন। অর্থমন্ত্রী নিজেই স্বীকার করেছেন, অর্থনীতিকে স্বাভাবিক ধারায় ফিরতে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে। এই সময়ে বেসরকারি খাতকে দেওয়া সুবিধার সুফল পুরোপুরি পেতে দেরি হবে।

    কর কাঠামোকে সহনীয় করার চেষ্টা স্পষ্ট হলেও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য শুধু করছাড় যথেষ্ট নয় বলে অর্থনীতিবিদদের মত। তাদের মতে, সুদের হার নিয়ন্ত্রণে আনা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি শর্ত। সম্প্রতি জ্বালানির দাম নতুন করে বেড়েছে, যার পেছনে আন্তর্জাতিক অস্থিরতা ও ইরান-সংক্রান্ত যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবও উল্লেখ করা হয়েছে।

    অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও ব্যবসা পরিবেশের একটি বড় উপাদান হিসেবে সামনে এসেছে। এটি সরাসরি বাজেটের বিষয় না হলেও বিনিয়োগ ও উৎপাদনের ওপর এর প্রভাব স্পষ্ট। অন্তর্বর্তী শাসনামলে আইনশৃঙ্খলার দুর্বলতার কারণে বিদ্যমান শিল্প সক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার সম্ভব হয়নি বলেও বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। এর ফলে কিছু কারখানা বন্ধ হয়ে যায় এবং শিল্প খাতে স্থবিরতা তৈরি হয়।

    এই পরিস্থিতির ধারাবাহিকতায় খেলাপি ঋণের পরিমাণও বেড়েছে। ব্যাংক খাতের বড় একটি অংশ এখনো চাপের মধ্যে রয়েছে। অর্থ বিল পাসের সময় ব্যাংক খাতে নগদ অর্থ ফেরাতে একটি নতুন উদ্যোগের কথা সামনে আসে। সেখানে সুদ ছাড়া মূল অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে ঋণগ্রহীতাদের ‘এক্সিট’ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার আলোচনা রয়েছে।

    এই উদ্যোগে ব্যাংকের ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা বাড়ার সম্ভাবনা দেখা গেলেও নতুন করে ঋণ নিয়ে উদ্যোক্তারা কতটা স্বস্তিতে বিনিয়োগে ফিরতে পারবেন, সেটি এখনো অনিশ্চিত। বিনিয়োগ পরিবেশ পুরোপুরি স্থিতিশীল না হলে এই সম্ভাবনাও সীমিত থেকে যেতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

    কাজ হারানো মানুষের একটি অংশ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে বলে খোদ পুলিশের পক্ষ থেকেই আগে জানানো হয়েছে। এই বাস্তবতা সামনে রেখে সন্ত্রাস দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা আরও জোরালো হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ক্ষেত্রে শুধু বাহ্যিক পরিবর্তন নয়, বরং লজিস্টিকস ও আধুনিক সরঞ্জাম বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। এটি অনেক ক্ষেত্রেই পোশাক পরিবর্তনের চেয়েও বেশি জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।

    নতুন অর্থবছরে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বা পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এর সুফল পুলিশ সদস্যরাও পাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, শুধু বেতন বৃদ্ধি নয়, পুলিশের কাছ থেকে কার্যকর সেবা নিশ্চিত করতে হলে প্রয়োজন কাঠামোগত সংস্কার। এজন্য অর্থের পাশাপাশি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিগত পরিবর্তনকেও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    একই সময়ে দেশে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ার প্রবণতাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এটি হালকাভাবে নেওয়া হলে তার প্রভাব পড়তে পারে বিদেশি বিনিয়োগ এবং বিশেষ করে বহিঃস্থ শ্রমবাজারে। যদিও বিনিয়োগের ওপর এর সরাসরি প্রভাব তুলনামূলকভাবে সীমিত হতে পারে, তবে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি বড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    অর্থনীতিকে টেকসই করতে হলে অর্থবহ কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে সরকার। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের শক্তিশালী ও টেকসই বিকাশকে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বন্ধ কারখানা চালুর জন্য প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠনের ঘোষণা রয়েছে। তবে স্বল্প সুদে ঋণ দিয়ে এ ধরনের কর্মসূচি সফল করা কঠিন হতে পারে বলে অভিজ্ঞতা থেকে সতর্কতার পরামর্শ আসছে।

    নীতিনির্ধারকদের একটি অংশ মনে করছেন, আগে থেকেই চালু থাকা কারখানাগুলো সচল রাখা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, কিছু বড় শিল্পগোষ্ঠীর সংকটের খবরের মধ্যে নতুন করে বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ বাস্তবায়ন কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। এমনকি ভর্তুকি আটকে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ কারণে উন্নয়ন প্রকল্পের মতোই এই ক্ষেত্রেও কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।

    একই সঙ্গে সচল প্রতিষ্ঠানগুলোও সহনীয় সুদের ঋণ চাচ্ছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত, যা বিপুল সংখ্যক কর্মসংস্থান তৈরি করে, তারাও সহজ শর্তে অর্থায়নের প্রত্যাশা করছে। পাশাপাশি কৃষি খাত, যা তুলনামূলকভাবে ভালো পারফর্ম করছে, তার জন্যও বাড়তি সহায়তার দাবি রয়েছে।

    এই প্রেক্ষাপটে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণার খবরও সামনে এসেছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাজেট ও মুদ্রানীতির সমন্বয়কে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অন্তর্বর্তী শাসনামলে কঠোর মুদ্রানীতির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছিল বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। এবারও একই ধারা অব্যাহত থাকবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

    নীতিগতভাবে সুদহার না কমানো মানে ব্যাংকঋণের খরচ কমার সম্ভাবনা সীমিত থাকা। এর মূল উদ্দেশ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। তবে এর বিপরীতে প্রবৃদ্ধির গতি কিছুটা ধীর হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। প্রবৃদ্ধিকে এক লাফে ৬ দশমিক ৫ শতাংশে নেওয়ার প্রত্যাশাকে অনেকেই অতিমাত্রায় উচ্চাকাঙ্ক্ষী বলে মনে করছেন। একই সঙ্গে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রাকেও বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে দেখা হচ্ছে।

    এই পরিস্থিতিতে সরকারের ওপর ঋণনির্ভরতা আরও বাড়তে পারে। ব্যাংক খাতের ওপর নির্ভরশীলতাও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে উন্নয়ন সহযোগীদের অবস্থান তুলনামূলকভাবে ইতিবাচক বলে মনে করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচি এগিয়ে যাচ্ছে, যদিও শর্তগুলো অপরিবর্তিত থাকছে এবং তা পূরণে কিছুটা সময় বাড়তে পারে।

    এছাড়া বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক থেকেও ঋণ প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তি দিচ্ছে। রেমিট্যান্স প্রবাহ শক্তিশালী থাকায় রিজার্ভ পরিস্থিতি এখনো স্থিতিশীল রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিনিয়োগ বাড়লে আমদানি ও দায় পরিশোধের চাপও বাড়বে। এই বাস্তবতায় শুধু রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখাই নয়, বরং রপ্তানি খাতকে দুর্বল হতে না দেওয়া এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।

    নতুন অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে নেওয়া হয়েছে। এই বড় আকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মানসম্মত অগ্রগতির ওপর জোর দেওয়া জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে। অতীতের দুর্বল বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা থেকে বেরিয়ে আসাই এখন অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ।

    বিশেষ করে বিনিয়োগ সহায়ক প্রকল্পগুলো দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর আলাদা নজর দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কারণ এসব প্রকল্প অর্থনীতির গতি বাড়াতে সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারে। তবে শুধু প্রকল্পের সংখ্যা বা বরাদ্দ বাড়ানো নয়, তার কার্যকর বাস্তবায়নই মূল বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    এডিপি বাস্তবায়নে আরেকটি বড় সমস্যা হলো অর্থবছরের শেষ দিকে এসে অতিরিক্ত দ্রুত ব্যয়ের চাপ তৈরি হওয়া। এ ধরনের ‘শেষ সময়ের বাস্তবায়ন’ অনেক সময় প্রকৃত উন্নয়নের বদলে অপচয়ের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই সারা বছর ধরে সমান গতিতে কাজ এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এডিপি বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে বেসরকারি খাতের গতিশীলতার। সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প ঠিকভাবে এগোলে বেসরকারি বিনিয়োগও উৎসাহিত হয়। ফলে উভয় ক্ষেত্রেই কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হয় বলে অর্থনীতিবিদদের মত।

    এর পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়লেও তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। সুবিধাভোগী নির্ধারিত টার্গেট গ্রুপের কাছে এই সহায়তা পৌঁছানো অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় হয় না। ফলে পরিকল্পনা থাকলেও বাস্তব প্রভাব সীমিত থেকে যায় বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। সার্বিকভাবে বলা যায়, বড় আকারের এডিপি শুধু বরাদ্দ বাড়ানোর বিষয় নয়; বরং এর গুণগত বাস্তবায়ন, সময়মতো কাজ শেষ করা এবং সঠিক লক্ষ্যভিত্তিক ব্যয় নিশ্চিত করাই অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    রপ্তানি খাতে প্রবৃদ্ধি ফিরলেই মিলবে বড় স্বস্তি

    জুলাই 1, 2026
    মতামত

    ফিলিস্তিনি শিশুদের ওপর ইসরায়েলের হামলা নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদনটি পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাইয়ে উত্তীর্ণ

    জুলাই 1, 2026
    অর্থনীতি

    ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব ঘাটতিতে চট্টগ্রাম কাস্টমস

    জুলাই 1, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.