Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, জুলাই 23, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » দুষ্টচক্রে ঘুরপাক খাচ্ছে দেশের অর্থনীতি
    অর্থনীতি

    দুষ্টচক্রে ঘুরপাক খাচ্ছে দেশের অর্থনীতি

    নিউজ ডেস্কজুলাই 7, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অনুসরণ করছে। তবে একই সময়ে বিভিন্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে বাজারে আবার নতুন তারল্যও প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে মুদ্রানীতির মূল উদ্দেশ্য বাস্তবে কতটা সফল হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

    এ অবস্থায় বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে যাওয়ায় নতুন বিনিয়োগও প্রত্যাশিত গতিতে বাড়ছে না কিন্তু বিনিয়োগে ধীরগতি দেখা দিলেও মূল্যস্ফীতির হার কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নেমে আসছে না। এটি দেশের অর্থনীতির জন্য নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

    শুধু মুদ্রানীতির সীমাবদ্ধতাই নয়, বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব এবং পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থার নানা সংকটও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে কঠিন করে তুলছে। এসব কারণ একসঙ্গে কাজ করায় দেশের অর্থনীতি একটি ‘দুষ্টচক্রে’ বা ‘ভিসিয়াস সাইকেলে’ আটকে পড়েছে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী।

    সম্প্রতি তিনি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় তিনি মুদ্রানীতির কার্যকারিতা, মূল্যস্ফীতির প্রবণতা, সরকারি ঋণের চাপ, ব্যাপক মুদ্রার প্রবৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্বৃত্তসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলেন।

    প্রশ্ন: রিজার্ভ মানি টার্গেট ও ব্যাপক মুদ্রার (এম-টু) লক্ষ্যমাত্রা কীভাবে নির্ধারণ করা হয়?

    মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী: রিজার্ভ মানি টার্গেট এবং এম-টু বা ব্যাপক মুদ্রার লক্ষ্যমাত্রা মুদ্রানীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অর্থনীতিতে কত পরিমাণ অর্থ সরবরাহ থাকবে, সেটি নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন অর্থনৈতিক সূচক বিশ্লেষণ করে।

    এর মধ্যে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি, সরকারি খাতের ঋণের চাহিদা, বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের পরিস্থিতি, স্থানীয় বাজারে সম্ভাব্য প্রভাবসহ নানান বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়। আগে বছরে একবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হতো, এখন ছয় মাস পরপর তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

    প্রশ্ন: রিজার্ভ মানি টার্গেট নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় কী?

    মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বাস্তব অর্থনীতিতে কত পরিমাণ পণ্য ও সেবা উৎপাদিত হচ্ছে। সাধারণত, নামেমাত্র জিডিপির সঙ্গে একটি অনুপাত বিবেচনা করেই রিজার্ভ মানি ও ব্যাপক মুদ্রার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। অর্থনীতির উৎপাদনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অর্থ সরবরাহ থাকাই মূল উদ্দেশ্য।

    প্রশ্ন: বাস্তবে কি এই লক্ষ্যমাত্রা ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে?

    মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী: সবসময় সম্ভব হয় না। বর্তমানে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি খুব কম। কিন্তু সরকারের ঋণের চাহিদা বেশি। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংককে সরকারকে ঋণ দিতে হচ্ছে। আবার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধরে রাখতে বাজার থেকে ডলার কিনতে হচ্ছে। ডলার কেনার অর্থ হলো বাজারে নতুন টাকা ছাড়া। ফলে পরিকল্পনার বাইরে অতিরিক্ত তারল্য সৃষ্টি হয়।

    প্রশ্ন: এর প্রভাব মূল্যস্ফীতির ওপর কীভাবে পড়ে?

    মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী: যদি অর্থনীতিতে পণ্য ও সেবার তুলনায় অর্থের পরিমাণ বেড়ে যায়, তখন অর্থনীতিতে ‘মানি চেইসিং টু ফিউ গুডসের (অল্প পণ্যের পেছনে বেশি অর্থ ধাওয়া করা)’ পরিস্থিতি তৈরি হয়। অর্থাৎ বেশি টাকা কম পণ্যের পেছনে ছুটতে থাকে। তখন স্বাভাবিকভাবেই মূল্যস্ফীতি বাড়ে।

    প্রশ্ন: বাংলাদেশ ব্যাংক তো এখন সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির কথা বলছে। তাহলে মূল্যস্ফীতি কেন কমছে না?

    মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী: কারণ নীতিগত ঘোষণা আর বাস্তব পরিস্থিতি এক নয়। কাগজে-কলমে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি থাকলেও বাস্তবে বিভিন্ন উইন্ডোর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে তারল্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। স্ট্যান্ডিং লোন ফ্যাসিলিটি আছে, আরও কয়েকটি ব্যবস্থা আছে। একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রা কেনার কারণেও বাজারে নতুন টাকা যাচ্ছে। ফলে বাস্তবে অর্থ সরবরাহ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে থাকছে না।

    প্রশ্ন: তাহলে কি এটিই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার প্রধান কারণ?

    মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী: এটি অন্যতম কারণ, তবে একমাত্র কারণ নয়। দীর্ঘদিন ধরে সংকোচনমূলক নীতি অনুসরণ করার পরও মূল্যস্ফীতি কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নামেনি। কারণ, মুদ্রানীতির পাশাপাশি আরও কিছু কাঠামোগত সমস্যা রয়েছে।

    প্রশ্ন: সেই কাঠামোগত সমস্যাগুলো কী?

    মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী: সরবরাহব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের আধিপত্য, চাঁদাবাজি এবং বাজারে শৃঙ্খলার অভাব। কৃষক যে পণ্য ১০ টাকায় বিক্রি করেন, সেটি ভোক্তাকে ৪০ টাকায় কিনতে হয়। এই ব্যবধান শুধু মুদ্রানীতি দিয়ে দূর করা সম্ভব নয়। বাজারে শৃঙ্খলা আনতে হবে।

    প্রশ্ন: সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির কোনো নেতিবাচক দিকও কি রয়েছে?

    মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী: অবশ্যই। বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। ফলে বিনিয়োগ কমছে, শিল্প-কারখানার সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং বাস্তব অর্থনীতি চাপের মুখে পড়ছে। একদিকে মূল্যস্ফীতি কমছে না, অন্যদিকে বিনিয়োগও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অর্থনীতি এক ধরনের ভিসিয়াস সাইকেলে আটকে গেছে।

    প্রশ্ন: ব্যাপক মুদ্রার হিসাবে দেখা যাচ্ছে, মানুষের হাতে নগদের তুলনায় মেয়াদি আমানতের পরিমাণ অনেক বেশি। এটিকে কীভাবে দেখছেন?

    মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী: এটি ইতিবাচক লক্ষণ। কারণ মানুষ যখন মেয়াদি আমানতে অর্থ রাখে, তখন সেই সঞ্চয় আনুষ্ঠানিক আর্থিক খাতে প্রবেশ করে। ব্যাংক সেই অর্থ আবার বিনিয়োগে ব্যবহার করতে পারে। অর্থাৎ সঞ্চয় উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

    প্রশ্ন: কিন্তু একই সময়ে তো অভিযোগ রয়েছে, বেসরকারি খাত পর্যাপ্ত ঋণ পাচ্ছে না।

    মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী: সেটিই বাস্তবতা। কারণ, সরকারের ঋণগ্রহণ বেড়ে গেলে ব্যাংকের আমানতের একটি বড় অংশ সরকারি ঋণ অর্থায়নে চলে যায়। ফলে বেসরকারি খাত তুলনামূলকভাবে কম ঋণ পায়। এতে বিনিয়োগের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়।

    প্রশ্ন: বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি বছর যে লাভ করে, সেটিকে কীভাবে দেখা উচিত?

    মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী: আমি এটিকে ব্যবসায়িক লাভ বলবো না। এটি মূলত উদ্বৃত্ত। বাংলাদেশ ব্যাংক একটি নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান। তার কোনো প্রতিযোগী নেই। মুদ্রা ইস্যুর ক্ষমতা থেকে যে আয় হয়, সেটিকে সিনিয়োরেজ বলা হয়। এছাড়া রিপো, রিভার্স রিপোসহ বিভিন্ন মুদ্রানীতি পরিচালনার কার্যক্রম থেকেও আয় হয়।

    প্রশ্ন: তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংকের লাভকে কি সাফল্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই?

    মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী: না, এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের শতভাগ মালিক সরকার। ফলে এই উদ্বৃত্ত শেষ পর্যন্ত সরকারের কাছেই যায় এবং এটি সরকারের নন-ট্যাক্স রাজস্ব হিসেবে যুক্ত হয়।

    তাই কত লাভ হলো, সেটি বড় বিষয় নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ হলো এই অর্থ যেন অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ে অপচয় না হয়ে সরকারের কোষাগারে জমা হয় এবং জনস্বার্থে ব্যবহৃত হয়। সূত্র: জাগো নিউজ

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ১৭৪ কোটি টাকার অনুমোদন

    জুলাই 22, 2026
    অর্থনীতি

    ফ্রিল্যান্সারদের বিদেশি লেনদেনে এলো নতুন স্বস্তি

    জুলাই 22, 2026
    অর্থনীতি

    গ্যাস উত্তোলনে প্রতিবেশীদের সাফল্য—বাংলাদেশের ব্যর্থতার কারণ কী?

    জুলাই 22, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.