Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, জুলাই 22, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়েই শেষ হলো অর্থবছর
    অর্থনীতি

    মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়েই শেষ হলো অর্থবছর

    মনিরুজ্জামানজুলাই 7, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংক গত চার বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি অনুসরণ করে আসছে। নীতি সুদহার বৃদ্ধি, ঋণপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণসহ নানা পদক্ষেপ নেওয়া হলেও প্রত্যাশিত সাফল্য আসেনি। কিছুটা কমলেও দেশের মূল্যস্ফীতি এখনো দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় বেশি রয়েছে।

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশে। এর আগে মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা কমার আভাস দেখা গেলেও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২০২৬ সালের জুনে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। এক বছর আগে, অর্থাৎ ২০২৫ সালের জুনে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে দশমিক ৬৮ শতাংশ।

    ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার দেয়। বাজারে চাহিদার চাপ কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহার বাড়িয়ে ১০ শতাংশে উন্নীত করে। তবে সুদহার বৃদ্ধির পরও মূল্যস্ফীতির চাপ দ্রুত কমেনি। ২০২৪ সালের আগস্টে মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ। ওই বছরের টানা পাঁচ মাস মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের ওপরে অবস্থান করেছিল। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশে নেমে আসে। এরপর কয়েক মাস নিম্নমুখী থাকার পর আবারও বাড়তে শুরু করে মূল্যস্ফীতির হার।

    তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরুতেও মূল্যস্ফীতির চাপ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এরপর ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে। পরবর্তী মাসগুলোতেও মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের আশপাশে ছিল। মার্চে তা ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ, এপ্রিলে ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ এবং মে মাসে বেড়ে দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, মুদ্রানীতির কঠোর অবস্থান মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হলেও বাজার ব্যবস্থাপনা, সরবরাহ সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক পণ্যমূল্যের প্রভাব মোকাবিলা করা না গেলে শুধু সুদহার বাড়িয়ে দীর্ঘমেয়াদে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন।

    অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকারদের মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির প্রভাব সীমিত। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর অবস্থান নিলেও বাস্তবে ঘোষিত লক্ষ্য অনুযায়ী মূল্যস্ফীতি কমানো যাচ্ছে না। মুদ্রানীতিতে নির্ধারিত বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রাও বারবার পূরণ হচ্ছে না। তাদের মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এখন সরকারের নীতিগত পদক্ষেপই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুধু সুদহার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব নয়। এর জন্য বাজার ব্যবস্থাপনা, সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং উৎপাদন ব্যয় কমানোর দিকে নজর দিতে হবে।

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাব পড়ে দেশের জ্বালানি বাজারে। ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি পণ্যের দাম বাড়লে এর চাপ পড়ে বাংলাদেশের বাজারেও। পরিস্থিতি সামাল দিতে এপ্রিল ও মে মাসে দুই দফায় জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়। এতে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ১৮ শতাংশ বেড়ে যায়। এরপর মে মাসের শেষ সপ্তাহে বিদ্যুতের দামও বাড়ানো হয়।

    জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়ে পরিবহন ব্যয়ে। পরিবহন খরচ বাড়ায় খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের দামও বেড়ে যায়। এর ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও তীব্র হয়েছে, যার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের ওপর।

    বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, দেশের মূল্যস্ফীতি এখনো উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। একই সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনার খরচও বেড়ে যাওয়ায় উদ্যোক্তারা বাড়তি চাপের মধ্যে পড়েছেন।

    তিনি বলেন, নীতি সুদহার উচ্চ রাখা প্রয়োজন ছিল, তবে শুধু এ পদক্ষেপের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সাম্প্রতিক সময়ে মূল্যস্ফীতি বাড়ার পেছনে বাজারের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ঘাটতিও বড় কারণ। তার মতে, মূল্যস্ফীতি কমাতে আরও কিছু সময় কঠোর সুদহার বজায় রাখা, বাজার তদারকি জোরদার করা এবং পণ্যের সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে।

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের পর থেকেই দেশে মূল্যস্ফীতি দ্রুত বাড়তে শুরু করে। ওই সময়ে ডলার সংকটের কারণে টাকার বড় ধরনের অবমূল্যায়ন হয়। তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ডলারের বিনিময় হার ৮৪ টাকা থেকে বেড়ে প্রায় আড়াই বছরের মধ্যে ১২০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। বর্তমানে ডলারের দাম ১২৩ টাকার বেশি। মুদ্রার অবমূল্যায়নের কারণে আমদানি ব্যয় বেড়ে যায়, যার প্রভাব পড়ে দেশের বাজারে।

    এরপর থেকে মূল্যস্ফীতি আর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। গত পাঁচ অর্থবছরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ১৫ শতাংশ। পরের অর্থবছরেই তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা আরও বেড়ে দাঁড়ায় ১০ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশে।

    মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত সাফল্য না পেলেও বিশ্বের অনেক দেশ এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত, শ্রীলঙ্কা ও নেপাল সাম্প্রতিক সময়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে তুলনামূলক ভালো ফল দেখিয়েছে। মূল্যস্ফীতির বর্তমান চাপ মোকাবিলায় শুধু মুদ্রানীতি নয়, রাজস্বনীতি, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

    আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির চাপ সত্ত্বেও মূল্যস্ফীতির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সর্বশেষ পূর্বাভাস পুরোপুরি বাস্তবে রূপ নেয়নি। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও পণ্যের দামের অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও বাংলাদেশ মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে। গত এপ্রিল মাসে আইএমএফ বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস ৮ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯ দশমিক ২ শতাংশ নির্ধারণ করেছিল। তবে বছর শেষে দেশের গড় মূল্যস্ফীতি সেই পূর্বাভাসের চেয়ে কিছুটা কম, ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশে রয়েছে।

    এর আগে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল। তবে বাস্তবে অর্থবছর শেষে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশে। সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের পরও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন আইএনএমের নির্বাহী পরিচালক ড. মোস্তফা কে মুজেরী। তিনি বলেন, গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যায়নি। তিন থেকে চার বছর ধরে অনুসরণ করা এই নীতি কার্যকরভাবে কাজ করেনি।

    তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে সরকারকেই বড় ভূমিকা নিতে হবে। এজন্য রাজস্ব নীতি, বাজার ব্যবস্থাপনা ও সরবরাহ ব্যবস্থায় সংস্কার প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, শুধু চাহিদা কমানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া মুদ্রানীতি দিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে হলে প্রথমে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করতে হবে।

    বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম কমলেও দেশের বাজারে এখনো অধিকাংশ পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী বলে জানিয়েছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, জ্বালানির দাম বৃদ্ধির পর পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা সেই বাড়তি খরচ পণ্যের দামের সঙ্গে সমন্বয় করছেন। পাশাপাশি সরকার দুই দফায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কারণেও বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, গত জুনে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬০ শতাংশে। এর আগের মাস মে-তে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতেও মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। জুনে এ খাতে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ, যেখানে মে মাসে ছিল ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। এ ছাড়া গ্রাম ও শহর উভয় এলাকাতেই মূল্যস্ফীতি কমেছে। জুনে গ্রামীণ এলাকায় মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং শহরাঞ্চলে ৯ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ।

    মূল্যস্ফীতির চাপ থাকলেও শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির হার সেই তুলনায় বাড়ছে না। বরং সর্বশেষ হিসাবে জুনে মজুরি বৃদ্ধির হার মে মাসের তুলনায় সামান্য কমেছে। বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, জুনে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ। মে মাসে এ হার ছিল ৮ দশমিক ২১ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, মূল্যস্ফীতির তুলনায় মজুরি কম বাড়লে সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ তৈরি হয়।

    মূল্যস্ফীতির তথ্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন থাকলেও আগের তুলনায় এখন আরও নির্ভরযোগ্য তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিবিএস। সংস্থাটির অফিস ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিং উইংয়ের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. সাহাবুদ্দীন সরকার বলেন, ৬৪ জেলার ১৫৪টি হাটবাজারের তথ্য সংগ্রহ করে মূল্যস্ফীতির হিসাব তৈরি করা হয়। বর্তমানে তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশের ক্ষেত্রে আগের মতো কোনো চাপ নেই এবং বাস্তবভিত্তিক তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি জানান, তথ্যের মান আরও উন্নত ও নির্ভরযোগ্য করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    মূল্যস্ফীতির তথ্যকে আরও বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য করতে সরকার একটি কারিগরি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। তিনি বলেন, পরিসংখ্যানের ওপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সঠিক ও বিশ্বাসযোগ্য তথ্য প্রকাশ জরুরি। এ জন্য মূল্যস্ফীতি পরিমাপে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন পদ্ধতিতে ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) সাধারণ মানুষের প্রকৃত ব্যয় কাঠামো আরও ভালোভাবে তুলে ধরতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    অর্থনৈতিক গণতন্ত্র ছাড়া কি পূর্ণ গণতন্ত্র সম্ভব?

    জুলাই 21, 2026
    অর্থনীতি

    নতুন পরিকল্পনায় বদলে যাচ্ছে বিমান ও পর্যটন খাত

    জুলাই 21, 2026
    অর্থনীতি

    দক্ষতার ঘাটতিতে আটকে যাচ্ছে বাংলাদেশের উন্নয়নের সম্ভাবনা

    জুলাই 21, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.