দেশের এভিয়েশন খাতে বড় ধরনের রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণ, নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ যুক্ত করা, আন্তর্জাতিক রুট বাড়ানো এবং যাত্রীসেবার মান উন্নয়নের পাশাপাশি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে।
সরকারের লক্ষ্য, এভিয়েশন খাতকে শুধু পরিবহন ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। একই সঙ্গে পর্যটন খাতেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের পরিচিতি বাড়াতে নেওয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ। বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে জোর দেওয়া হচ্ছে ব্র্যান্ডিং, ভিসা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং নতুন পর্যটন পণ্যের উন্নয়নে।
আগামী ১৬ ডিসেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি চালু হলে দেশের বিমান পরিবহন সক্ষমতায় বড় পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছে সরকার। এভিয়েশন ও পর্যটন খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সম্প্রসারণ, নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহ, বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা ও পর্যটন উন্নয়ন নিয়ে ঢাকা পোস্টের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এসব পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।
আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হওয়ার লক্ষ্য:
বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ, উড়োজাহাজ বহর আধুনিকায়ন এবং যাত্রীসেবার মান উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের এভিয়েশন খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩৪-৩৫ অর্থবছরের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর ৪৭টি উড়োজাহাজে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। তবে শুধু উড়োজাহাজ সংখ্যা বাড়ানো নয়, প্রতিটি নতুন রুটের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পতাকাবাহী বিমানকে আরও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করাই সরকারের লক্ষ্য। দেশের পতাকা যেন আরও বেশি আন্তর্জাতিক আকাশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উড়ে— সেটিই মূল উদ্দেশ্য।
বিমানকে আধুনিক ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা:
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে আধুনিক, দক্ষ ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে তিনটি মূল বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান আফরোজা খানম। তিনি বলেন, বিমান বাংলাদেশের জাতীয় ফ্ল্যাগ ক্যারিয়ার। এটি শুধু একটি এয়ারলাইন্স নয়, বরং দেশের ভাবমূর্তি ও আস্থার প্রতীক। দীর্ঘদিনের অনিয়ম, দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও অস্বচ্ছতার কারণে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। বর্তমান সরকারের সংস্কার পরিকল্পনা তিনটি ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে বলে জানান তিনি।
এর মধ্যে রয়েছে— প্রথমত, গভর্ন্যান্স বা সুশাসন। যোগ্যতার ভিত্তিতে পদায়ন, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
দ্বিতীয়ত, ব্যবসায়িক কৌশল। নতুন সম্ভাবনাময় আন্তর্জাতিক রুট চালু, বিদ্যমান রুটের লাভ-ক্ষতির বিশ্লেষণ এবং সম্ভাবনাময় রুটগুলোকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তৃতীয়ত, সেবা ব্যবস্থার পরিবর্তন। ডিজিটাল সেবা, ফ্লাইটের সময়ানুবর্তিতা এবং আন্তর্জাতিক মানের যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু বিমান পরিচালনা করা নয়; বরং বাংলাদেশের মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক ও লাভজনক জাতীয় এয়ারলাইন্স গড়ে তোলা।
বিশ্বের অনেক বড় এয়ারলাইন্সের মতো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকেও ধীরে ধীরে মিক্সড ফ্লিটে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী জানান, এ লক্ষ্যে বোয়িংয়ের ১৪টি এবং এয়ারবাসের ১০টি— মোট ২৪টি নতুন উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া চলতি বছর পাঁচটি উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর জন্য ৪০টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। তিনি বলেন, নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার ক্ষেত্রে শুধু বহরের আকার বাড়ানোই লক্ষ্য নয়। জ্বালানি সাশ্রয়ী, ব্যয় কার্যকর এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম একটি ফ্ল্যাগ ক্যারিয়ার তৈরি করাই মূল উদ্দেশ্য। প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন সূচি অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে এসব উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হবে।
বিমান খাতে ক্রয় প্রক্রিয়া ও প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে বলে জানান বিমানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে ই-জিপি (ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট) ব্যবস্থার মাধ্যমে উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র নিশ্চিত করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, আর্থিক অডিট, ডিজিটাল ট্র্যাকিং এবং কর্মদক্ষতাভিত্তিক মূল্যায়ন চালু করা হয়েছে। তার মতে, যোগ্যতা, সততা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে একটি আধুনিক বিমান খাত গড়ে তুলতে এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিমানবন্দরে লাগেজ ব্যবস্থাপনা, ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া ও বিভিন্ন সেবা নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এসব সমস্যা সমাধানে নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান আফরোজা খানম। তিনি বলেন, যাত্রীসেবায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ চালু করা হয়েছে। লাগেজ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চালু করা হয়েছে—
- ভিজিল্যান্স টিম
- বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা
- সিসিটিভি নজরদারি
- ব্যাগেজ রিকনসিলিয়েশন সিস্টেম (বিআরএস)
এর ফলে লাগেজ ডেলিভারির সময় কমেছে বলেও জানান তিনি। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ, আধুনিক গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সরঞ্জাম, নতুন জনবল এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইমিগ্রেশন, কাস্টমস, এয়ারলাইন্স ও বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
থার্ড টার্মিনালে বদলে যাবে শাহজালালের চিত্র:
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে দেশের বিমান পরিবহন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছে সরকার। মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ১৬ ডিসেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে থার্ড টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর লক্ষ্য রয়েছে। বর্তমানে বিমানবন্দরের বার্ষিক যাত্রী ধারণক্ষমতা প্রায় ৮০ লাখ। তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে তা বেড়ে প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখে উন্নীত হবে। নতুন টার্মিনালে যাত্রীরা পাবেন—
- দ্রুত চেক-ইন সুবিধা
- আধুনিক ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা
- উন্নত নিরাপত্তা তল্লাশি
- আধুনিক এরোব্রিজ
- অত্যাধুনিক ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং ব্যবস্থা
মন্ত্রী বলেন, এটি শুধু একটি নতুন ভবন নয়; বরং বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে একটি নতুন যুগের সূচনা করবে। পর্যটনে বিদেশি পর্যটক টানতে নতুন কৌশল এভিয়েশনের পাশাপাশি পর্যটন খাতেও বড় পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী জানান, বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে তিনটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রথমত, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং। বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড ও বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলায় অংশ নেওয়ার পাশাপাশি ট্যুরিস্ট হ্যান্ডবুক, ম্যাপ, ইভেন্ট ক্যালেন্ডার ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে।
দ্বিতীয়ত, পর্যটকদের জন্য সহজ ভ্রমণ ব্যবস্থা। ভিসা পলিসি-২০২৬-এর মাধ্যমে ভিসা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং পর্যায়ক্রমে ই-ভিসা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তৃতীয়ত, পর্যটন অবকাঠামো ও সেবার মান উন্নয়ন।
সরকারের লক্ষ্য বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ, টেকসই ও প্রতিযোগিতামূলক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। ই-ভিসা, মেডিক্যাল ও ধর্মীয় পর্যটনে নতুন সুযোগ বিশেষায়িত পর্যটনের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকার নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। চিকিৎসা, খেলাধুলা ও ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি ইকো-ট্যুরিজম, কমিউনিটি-বেইজড ট্যুরিজম, ওয়াটার ট্যুরিজম, খাবার ও সংস্কৃতিভিত্তিক পর্যটন উন্নয়নে কাজ চলছে।
ভিসা পলিসি-২০২৬-এর আওতায় চিকিৎসার জন্য আগত বিদেশিদের জন্য মেডিক্যাল ট্যুরিজম (এমটি) ভিসা, সহযাত্রীদের জন্য মেডিক্যাল অ্যাটেনডেন্ট (এমএ) ভিসা এবং ধর্মীয় উদ্দেশ্যে আগতদের জন্য রিলিজিয়াস ট্যুরিস্ট (আরটি) ভিসার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
পর্যটন খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে নীতিগত সহায়তা, কর সুবিধা, সহজ ঋণ এবং ওয়ান-স্টপ সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমে পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
কক্সবাজারের হোটেল শৈবাল কমপাউন্ডে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন সুবিধা তৈরিতে পিপিপি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এ ছাড়া সিলেট বিমানবন্দরের কাছাকাছি পর্যটন করপোরেশনের স্থাপনাকে বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে আধুনিক পর্যটন কেন্দ্রে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে।
বাংলাদেশের এয়ারলাইন্সগুলোর আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বাড়াতে নতুন কয়েকটি রুট বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে,
- বাহরাইন
- মালে
- জাকার্তা
- সিউল
- সিডনি
- কুনমিং
- নিউইয়র্ক
তবে নতুন রুট চালুর ক্ষেত্রে বাজার চাহিদা, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা, দ্বিপক্ষীয় বিমান পরিবহন চুক্তি এবং নিয়ন্ত্রক অনুমোদন বিবেচনা করা হবে। হজযাত্রীদের জন্য ভাড়া কমানো ও সেবার মান বাড়ানো সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান আফরোজা খানম। তিনি বলেন, ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের বিমানভাড়া ১২ হাজার টাকা কমানো সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৭ সালের হজের জন্য বিমানভাড়া আরও ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমানো হয়েছে।
তিনি জানান, কোনো নির্দিষ্ট এয়ারলাইন্সকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে না। সৌদি আরবের নীতিমালা, দ্বিপক্ষীয় চুক্তি এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি ও নিরাপত্তা শর্ত পূরণ করতে পারলে যেকোনো যোগ্য এয়ারলাইন্স হজ ফ্লাইট পরিচালনায় অংশ নিতে পারবে।
সরকারের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ, আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের এভিয়েশন এবং পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। এভিয়েশন খাতে বিশ্বমানের বিমানবন্দর, উন্নত যাত্রীসেবা এবং শক্তিশালী আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
অন্যদিকে পর্যটন খাতে টেকসই অবকাঠামো, দক্ষ জনবল, ডিজিটাল সেবা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করে দেশি-বিদেশি পর্যটক বাড়ানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সরকারের আশা, এভিয়েশন ও পর্যটন—এই দুই খাত ভবিষ্যতে কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম বড় চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে। সূত্র: ঢাকা পোস্ট

