Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, জুলাই 17, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ডলার কেন আবার চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে?
    অর্থনীতি

    ডলার কেন আবার চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে?

    মনিরুজ্জামানজুলাই 16, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে মার্কিন ডলারের বিনিময় হার। কয়েক সপ্তাহ ধরে তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকার পর জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে আন্তঃব্যাংক বাজার, ব্যাংকের খুচরা বিক্রি এবং খোলা বাজার—সব ক্ষেত্রেই ডলারের দাম বাড়তে শুরু করেছে।

    ডলারের এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ইতোমধ্যে আমদানি বাণিজ্যে পড়তে শুরু করেছে। আমদানিকারকদের ব্যয় বেড়েছে, নতুন ঋণপত্র (এলসি) খুলতে আগের তুলনায় বেশি অর্থ গুনতে হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদেশে চিকিৎসা, উচ্চশিক্ষা কিংবা ভ্রমণের জন্য ডলার কিনতে সাধারণ মানুষকেও অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হচ্ছে।

    তবে অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতিকে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের সংকট হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তাদের মতে, কয়েকটি সাময়িক অর্থনৈতিক কারণ একসঙ্গে কাজ করায় ডলারের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।

    বিশ্লেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি সরকারের বড় অঙ্কের আমদানি বিল পরিশোধ, বৈদেশিক ঋণের কিস্তি শোধ, ঈদ-পরবর্তী সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহের স্বাভাবিক ধীরগতি এবং ধাপে ধাপে বাজারভিত্তিক বিনিময় হার ব্যবস্থায় অগ্রসর হওয়ার প্রক্রিয়া—এসব মিলেই বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে চাহিদা বেড়েছে।

    এ বিষয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক গবেষক ড. জায়েদ বখত বলেন, দেশের সামগ্রিক বৈদেশিক মুদ্রা পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটাই শক্তিশালী। তার মতে, অর্থপাচারের প্রবণতা কমেছে, প্রবাসী আয় বেড়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও স্বস্তিদায়ক অবস্থানে রয়েছে।

    এমন পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবে ডলারের বিনিময় হার কিছুটা কমারই কথা ছিল। তবে তিনি মনে করেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এই স্বাভাবিক প্রবণতায় প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতা ডলারের বাজারে নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে।

    ড. জায়েদ বখতের ব্যাখ্যায়, সম্প্রতি সরকারকে জ্বালানি, সারসহ বিভিন্ন জরুরি পণ্যের আমদানি বিল পরিশোধ করতে হয়েছে। এসব বিল নিষ্পত্তির জন্য ব্যাংকগুলোকে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ ডলার সংগ্রহ করতে হয়েছে। ফলে স্বল্প সময়ে ডলারের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। তার মতে, এই অতিরিক্ত চাহিদাই সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের বিনিময় হার বাড়ার অন্যতম প্রধান কারণ।

    কোথায় কত বাড়ল ডলারের দাম:

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের দামে আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, আন্তঃব্যাংক বাজার থেকে শুরু করে ব্যাংকের খুচরা বিক্রি ও খোলা বাজার—সব ক্ষেত্রেই ডলারের দাম আগের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার আন্তঃব্যাংক বাজারে প্রতি মার্কিন ডলারের গড় বিনিময় হার দাঁড়ায় ১২৩ টাকা। কয়েক সপ্তাহ আগে এই হার ছিল ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা। এর আগে গত ২৪ জুন ডলারের গড় দর ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা। আর এক বছর আগে একই সময়ে প্রতি ডলারের গড় মূল্য ছিল ১২২ টাকা ১ পয়সা। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে আন্তঃব্যাংক বাজারে ডলারের দাম প্রায় ১ টাকা বা প্রায় ০.৮১ শতাংশ বেড়েছে। যদিও এই বৃদ্ধি তুলনামূলক সীমিত, তবে অল্প সময়ের ব্যবধানে ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধি বাজারে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    খোলা বাজারে ডলারের দাম আরও বেশি। বর্তমানে সেখানে প্রতি ডলার সর্বোচ্চ ১২৬ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। একই সময়ে ব্যবসায়ীরা ডলার কিনছেন ১২৬ টাকা ২০ পয়সা দরে। কয়েক দিন আগেও খোলা বাজারে প্রতি ডলারের বিক্রিমূল্য ছিল ১২৫ টাকা ৫০ পয়সা।

    ব্যাংকগুলোর খুচরা বিক্রিতেও দামের ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। বেসরকারি কয়েকটি ব্যাংক নগদ ডলার বিক্রি করছে ১২৪ টাকা ৫০ পয়সা দরে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে একই ডলার পাওয়া যাচ্ছে ১২৩ টাকায়। অন্যদিকে নতুন আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে অধিকাংশ ব্যাংক প্রতি ডলার ১২৪ টাকা পর্যন্ত মূল্য নির্ধারণ করছে।

    এদিকে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ মনে করেন, ডলারের চাহিদা বৃদ্ধির পেছনে কয়েকটি অর্থনৈতিক কারণ একসঙ্গে কাজ করছে। তিনি বলেন, গত অর্থবছরে দেশের রপ্তানি আয়ে প্রত্যাশিত গতি দেখা যায়নি। অন্যদিকে আমদানি ব্যয় কমার পরিবর্তে বেড়েছে।

    পাশাপাশি রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আমদানির ওপর থাকা বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও প্রশাসনিক জটিলতা ধীরে ধীরে শিথিল হওয়ায় আমদানি কার্যক্রমও বাড়ছে। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা, বিশেষ করে ডলারের প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বাড়তি চাহিদার প্রভাবই বর্তমানে ডলারের বিনিময় হারে প্রতিফলিত হচ্ছে।

    বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের দামে ঊর্ধ্বগতির পেছনে একক কোনো কারণ নয়, বরং একাধিক অর্থনৈতিক বাস্তবতা একসঙ্গে কাজ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্তত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ কারণে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে চাপ বেড়েছে।

    সরকারি আমদানি বিলের বড় পরিশোধ:

    সম্প্রতি সরকারকে জ্বালানি, সারসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বড় অঙ্কের আমদানি বিল পরিশোধ করতে হয়েছে। এসব বিল নিষ্পত্তির জন্য ব্যাংকগুলোকে স্বল্প সময়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডলার সংগ্রহ করতে হয়। ফলে বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে গিয়ে বিনিময় হারের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খানও জানিয়েছেন, সরকারের কয়েকটি বড় অঙ্কের বৈদেশিক পরিশোধের কারণেই সম্প্রতি ডলারের চাহিদা বেড়েছে।

    বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধ:

    সরকার একই সময়ে বিভিন্ন বৈদেশিক ঋণের কিস্তিও পরিশোধ করেছে। এ ধরনের পরিশোধের জন্যও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন হয়। ফলে ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত ডলার সংগ্রহ করতে হওয়ায় বাজারে চাহিদার চাপ আরও বেড়েছে।

    রেমিট্যান্স প্রবাহে মৌসুমি ধীরগতি:

    ঈদুল আজহার আগে প্রবাসী আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও ঈদের পর স্বাভাবিক নিয়মেই কিছুটা কমে যায়। মে মাসে দেশে প্রায় ৩ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এলেও জুনে তা কমে দাঁড়ায় ২ দশমিক ৮১ বিলিয়ন ডলারে। তবে জুলাইয়ের প্রথম ১৩ দিনে ১৪২ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। এরপরও জুন মাসের তুলনামূলক কম প্রবাহের প্রভাব পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠেনি। ফলে কিছু সময়ের জন্য বাজারে ডলারের সরবরাহে চাপ তৈরি হয়।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার কেনা স্থগিত:

    গত কয়েক মাস ধরে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত বাজার থেকে ডলার কিনছিল। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ডলার কেনা আপাতত বন্ধ রেখেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্ত থেকে বোঝা যায়, বাজারে ডলারের সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক নজর রাখছে।

    বাজারভিত্তিক বিনিময় হার ব্যবস্থার প্রভাব:

    ব্যাংক খাতের অনেক কর্মকর্তার ধারণা, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলাকালে সরকার ধীরে ধীরে ডলারের বিনিময় হারকে আরও বাজারভিত্তিক হতে দিচ্ছে। আইএমএফ দীর্ঘদিন ধরে চাহিদা ও সরবরাহের ভিত্তিতে বিনিময় হার নির্ধারণের পরামর্শ দিয়ে আসছে। ফলে বাজারের স্বাভাবিক চাপে ডলারের দাম কিছুটা বাড়ছে বলে তারা মনে করছেন।

    তবে এ ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত নয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দাবি, ডলারের সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে আইএমএফের সফর বা আলোচনার কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। তাদের মতে, এটি মূলত বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার স্বাভাবিক প্রতিফলন।

    রিজার্ভ বাড়লেও কেন কমছে না ডলারের চাপ?

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আগের তুলনায় শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। সর্বশেষ হিসাবে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ প্রায় ৩১ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার। এরপরও অনেকের মনে প্রশ্ন উঠছে—রিজার্ভ যখন বাড়ছে, তখন ডলারের দাম কেন ঊর্ধ্বমুখী?

    অর্থনীতিবিদদের ব্যাখ্যা হলো, রিজার্ভের আকার এবং বাজারে প্রতিদিনের ডলারের দাম—এই দুটি বিষয় এক নয়। বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার মূলত নির্ধারিত হয় তাৎক্ষণিক চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্যের ওপর। কোনো নির্দিষ্ট সময়ে আমদানি বিল পরিশোধ, বৈদেশিক ঋণের কিস্তি কিংবা এলসি নিষ্পত্তির জন্য ডলারের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেলে, পর্যাপ্ত রিজার্ভ থাকা সত্ত্বেও বাজারে দামের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে।

    রপ্তানি আয়ের ধীরগতিও বাড়াচ্ছে চাপ:

    ডলারের বাজারে চাপ বাড়ার আরেকটি কারণ রপ্তানি আয়ের প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি না থাকা। দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সবচেয়ে বড় উৎস তৈরি পোশাক খাত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ রপ্তানি আয় হারিয়েছে। অথচ দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশেরও বেশি আসে এই খাত থেকে। ফলে পোশাক রপ্তানিতে সামান্য দুর্বলতাও বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে প্রভাব ফেলছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে মে—এই ১১ মাসে দেশের পণ্য আমদানির পরিমাণ ছিল ৬৪ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে রপ্তানি হয়েছে ৪০ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। ফলে বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বড় ঘাটতিও ডলারের বাজারে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

    সাধারণ মানুষের ওপর কী প্রভাব পড়বে:

    ডলারের দাম বাড়লে সবচেয়ে আগে এর প্রভাব পড়ে আমদানিনির্ভর পণ্যের ওপর। শিল্পকারখানার কাঁচামাল, জ্বালানি, ভোগ্যপণ্য ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি আমদানিতে বেশি খরচ হওয়ায় উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যায়। সময়ের সঙ্গে এর প্রভাব বাজারে পণ্যের দামেও প্রতিফলিত হতে পারে।

    এ ছাড়া বিদেশে পড়াশোনা, চিকিৎসা কিংবা ভ্রমণের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা কিনতে আগের তুলনায় বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে। তবে প্রবাসী আয়নির্ভর পরিবারগুলোর জন্য পরিস্থিতির একটি ইতিবাচক দিকও রয়েছে। একই পরিমাণ ডলারের বিপরীতে তারা দেশে তুলনামূলক বেশি টাকা পাবেন।

    সামনে কী হতে পারে:

    বর্তমান পরিস্থিতিকে এখনই বড় ধরনের সংকট হিসেবে দেখার কারণ নেই। কারণ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখনও তুলনামূলক শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি জুলাই মাসের শুরু থেকেই প্রবাসী আয় আবারও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় বাজারে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলছে।

    তবে এই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তারা। এর মধ্যে রয়েছে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, রেমিট্যান্স প্রবাহের ইতিবাচক ধারা বজায় রাখা, অপ্রয়োজনীয় আমদানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাজারের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিনিময় হার পরিচালনা।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, এসব সূচকে ইতিবাচক অগ্রগতি অব্যাহত থাকলে ডলারের বর্তমান চাপ সাময়িক হতে পারে। তবে আমদানি ব্যয় আরও বাড়লে, রপ্তানি আয় দুর্বল থাকলে বা বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ দীর্ঘস্থায়ী হলে আগামী মাসগুলোতে ডলারের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩.৫ শতাংশে নামতে পারে: আইএমএফ

    জুলাই 16, 2026
    অর্থনীতি

    সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের প্রতিবেদন বেড়েছে ৭৪ শতাংশ

    জুলাই 16, 2026
    অর্থনীতি

    সংস্কার না হলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩.৫ শতাংশে নামতে পারে: আইএমএফ

    জুলাই 16, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram
    ‘হাম ব্যবস্থাপনায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ কি পর্যাপ্ত ছিল, আপনি কি মনে করেন?

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.