Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, জুলাই 17, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » প্রযুক্তির পরিবর্তনে নারীরাই কেন বেশি ক্ষতির মুখে?
    অর্থনীতি

    প্রযুক্তির পরিবর্তনে নারীরাই কেন বেশি ক্ষতির মুখে?

    মনিরুজ্জামানজুলাই 16, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) শিল্পের সাফল্যের গল্পে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন নারী শ্রমিকরা। কয়েক দশকের ব্যবধানে এই খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে গ্রামীণ নারীদের কর্মসংস্থান, আয় বৃদ্ধি এবং সামাজিক ক্ষমতায়নের পথও তৈরি করেছে পোশাক শিল্প।

    তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে এই খাতের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), অটোমেশন এবং প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থার বিস্তারের কারণে তৈরি পোশাক শিল্পে বড় ধরনের কর্মসংস্থান সংকট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) এক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পুনর্দক্ষতা (রিস্কিলিং) কর্মসূচি গ্রহণ করা না হলে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে প্রায় ১২ লাখ ২০ হাজার কর্মসংস্থান অটোমেশনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। গবেষণায় সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে নারী শ্রমিকদের কর্মসংস্থান। পোশাক শিল্পে নিয়োজিত নারী কর্মীদের প্রায় ৬০ শতাংশের চাকরি প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) ‘পরিবর্তনশীল কর্মপরিবেশ: বিশ্বের দক্ষিণাঞ্চলে কর্মপরিবেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে দূরদৃষ্টি’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল ওয়েবিনারে গবেষণার তথ্য প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক ও অর্থনীতিবিদ ড. তৌফিকুল ইসলাম খান।

    প্রযুক্তির অগ্রগতি থামানোর সুযোগ নেই। তবে এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়ানো, নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর সক্ষমতা তৈরি এবং কর্মীদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি। তা না হলে দেশের রফতানি আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস তৈরি পোশাক খাতেই বড় ধরনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হতে পারে।

    বাংলাদেশের পোশাক শিল্প দীর্ঘদিন ধরে স্বল্প দক্ষ শ্রমনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে এখন অনেক প্রতিষ্ঠানই আধুনিক প্রযুক্তি, স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ব্যবস্থাপনার দিকে ঝুঁকছে। এতে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লেও কম দক্ষ শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।

    বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনের প্রভাব বেশি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পোশাক কারখানায় বিপুল সংখ্যক নারী কর্মী অপেক্ষাকৃত সহজ ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত, যেসব কাজ ধীরে ধীরে যন্ত্রের মাধ্যমে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। তবে গবেষণাটি একই সঙ্গে একটি সুযোগের দিকও তুলে ধরেছে। দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রশিক্ষণ এবং শ্রমিকদের নতুন কাজের উপযোগী করে গড়ে তুলতে পারলে এই পরিবর্তনকে সংকটে নয়, সম্ভাবনায় রূপ দেওয়া সম্ভব।

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে শুধু প্রযুক্তি গ্রহণের ওপর নয়, বরং সেই প্রযুক্তির সঙ্গে শ্রমশক্তিকে কতটা প্রস্তুত করা যাচ্ছে তার ওপরও। এখন থেকেই কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া গেলে অটোমেশনের ঝুঁকি মোকাবিলা করে একটি আরও দক্ষ ও টেকসই পোশাক শিল্প গড়ে তোলা সম্ভব।

    প্রযুক্তির যুগে নারী শ্রমিকদের কর্মসংস্থান নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা:

    তৈরি পোশাক শিল্পে প্রযুক্তির পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে নারী শ্রমিকদের ওপর। কারণ এই খাতে কর্মরত নারীদের বড় অংশই এমন সব কাজে নিয়োজিত, যেগুলো দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ হিসেবে পরিচিত। এসব কাজ ধীরে ধীরে আধুনিক যন্ত্রপাতি, স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে।

    সেলাই, কাপড় কাটিং, ফিনিশিং, প্যাকেজিং এবং মান যাচাইয়ের মতো উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপে এখন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। ফলে কম সময়ে বেশি উৎপাদন এবং কম খরচে কাজ সম্পন্ন করতে অনেক কারখানাই স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

    বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা দিন দিন বাড়ছে। ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ, উৎপাদন খরচ কমানো এবং পণ্যের মান ধরে রাখতে পোশাক কারখানাগুলো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহী হচ্ছে। এর প্রাথমিক প্রভাব পড়ছে সেইসব কর্মক্ষেত্রে, যেখানে নারী শ্রমিকের সংখ্যা বেশি।

    তবে সংকট শুধু চাকরি হারানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। প্রযুক্তির বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে পোশাক কারখানার কাজের ধরনও দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে যন্ত্র পরিচালনা, ডিজিটাল উৎপাদন ব্যবস্থাপনা, তথ্য বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতার চাহিদা বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কিন্তু বর্তমানে কর্মরত অনেক নারী শ্রমিকের এসব নতুন দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সীমিত। ফলে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের দক্ষতা পরিবর্তন করতে না পারলে তারা নতুন কর্মপরিবেশে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কায় থাকবেন।

    প্রযুক্তির অগ্রগতি ঠেকানোর পরিবর্তে শ্রমিকদের জন্য প্রশিক্ষণ, পুনর্দক্ষতা উন্নয়ন এবং নতুন কাজের সুযোগ তৈরি করাই হবে সবচেয়ে কার্যকর পথ। বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না গেলে অটোমেশনের প্রভাব তাদের ওপর আরও গভীর হতে পারে।

    আগাম সতর্কবার্তা দিচ্ছে বর্তমান পরিস্থিতি:

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমেশনের কারণে ভবিষ্যতে কর্মসংস্থান ঝুঁকির যে আশঙ্কা করা হচ্ছে, তার প্রভাব এরই মধ্যে শ্রমবাজারে দেখা দিতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

    সংস্থাটির গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে দেশে প্রায় ১৩ লাখ কর্মসংস্থান কমেছে। এর মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ চাকরি হারিয়েছেন নারী কর্মীরা। অর্থাৎ শ্রমবাজারে চলমান পরিবর্তনের প্রথম ধাক্কা সবচেয়ে বেশি অনুভব করছেন নারীরাই। এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী বছরগুলোতে শুধু পোশাক শিল্প নয়, সামগ্রিক শ্রমবাজারে নারীর অংশগ্রহণেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে কম দক্ষতার কাজের সুযোগ কমে গেলে নারী শ্রমিকদের জন্য নতুন কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

    বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রক্রিয়াও তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছে সিপিডি। গবেষণায় বলা হয়েছে, এলডিসি উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাজারে বিদ্যমান কিছু বাণিজ্য সুবিধা কমে যেতে পারে। ফলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে উৎপাদন খরচ কমানো এবং দক্ষতা বাড়ানোর চাপ আরও বাড়বে। এই পরিস্থিতিতে অনেক প্রতিষ্ঠান উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অটোমেশন, আধুনিক প্রযুক্তি এবং স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং ব্যবস্থায় বিনিয়োগ বাড়াতে পারে। এতে শ্রমনির্ভর শিল্পে প্রচলিত অনেক কাজের সুযোগ সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    দক্ষতার অভাবই হয়ে উঠছে বড় বাধা:

    সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক ও অর্থনীতিবিদ ড. তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, বাংলাদেশের শ্রমবাজারের অন্যতম বড় সমস্যা হলো দক্ষতার সঙ্গে শিল্পের চাহিদার অসামঞ্জস্য। তার মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বের হওয়া তরুণদের দক্ষতা অনেক ক্ষেত্রেই শিল্প খাতের প্রয়োজনের সঙ্গে মিলছে না। ফলে প্রযুক্তিনির্ভর নতুন কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জনবল তৈরি হচ্ছে না।

    তিনি জানান, বর্তমানে মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় (টিভিইটি) শিক্ষার্থী ভর্তির হার ২০ শতাংশের নিচে। একই সঙ্গে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন খাতে সরকারি ব্যয় মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ, যা ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর শ্রমবাজারের জন্য পর্যাপ্ত নয়। বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক পুনর্দক্ষতা কর্মসূচি, প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ এবং কর্মক্ষেত্রভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নের ব্যবস্থা না করলে তারা দ্রুত পরিবর্তনশীল শ্রমবাজারে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবেন।

    উৎপাদন বাড়লেও বাড়ছে না কর্মসংস্থান:

    সিপিডির গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, দেশে শিল্প উৎপাদন বাড়লেও উৎপাদন খাতে কর্মসংস্থান দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ৮১ লাখের কাছাকাছি স্থির রয়েছে। অন্যদিকে সেবা খাতে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ কাজ করলেও তাদের বড় একটি অংশ অনানুষ্ঠানিক, অনিরাপদ এবং কম উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত। ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আগের মতো পর্যাপ্ত ও মানসম্মত কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারছে না। শুধু প্রবৃদ্ধি বাড়লেই হবে না, সেই প্রবৃদ্ধি যেন নতুন, নিরাপদ এবং দক্ষতাভিত্তিক কর্মসংস্থান তৈরি করে—এখন সেটিই বড় চ্যালেঞ্জ।

    প্রযুক্তি নয়, পিছিয়ে থাকার মূল কারণ প্রস্তুতির অভাব:

    সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতি থামানোর সুযোগ নেই। তবে পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা, দক্ষতা উন্নয়ন নীতি এবং শ্রমবাজারকে প্রস্তুত করা না গেলে বৈষম্য আরও বাড়তে পারে।

    বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমেশন একদিকে যেমন প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে, অন্যদিকে প্রায় ৯০ লাখ প্রচলিত চাকরি বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    অর্থাৎ প্রযুক্তি একদিকে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলবে, অন্যদিকে পুরোনো অনেক কাজের ধরন পরিবর্তন করবে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হলে দক্ষতা অর্জন, প্রশিক্ষণ এবং সময়োপযোগী নীতিগত উদ্যোগের বিকল্প নেই। বাংলাদেশের পোশাক শিল্পেও এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—প্রযুক্তির যুগে শ্রমিকদের কতটা প্রস্তুত করা যাচ্ছে।

    কী করা প্রয়োজন?

    প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমশক্তিকে প্রস্তুত করতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন বলে মনে করছে সিপিডি। গবেষণায় বলা হয়েছে, শিল্পের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থায় সংস্কার আনতে হবে।

    পাশাপাশি কর্মীদের জন্য নিয়মিত পুনর্দক্ষতা (রিস্কিলিং) ও নতুন দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা জরুরি। কারণ ভবিষ্যতের শ্রমবাজারে টিকে থাকতে শুধু অভিজ্ঞতা নয়, প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এমন শিল্প খাতে প্রণোদনা বাড়ানো, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন খাতে সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর শ্রমবাজার তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং নারী শ্রমিকদের জন্য বিশেষ সহায়তা কর্মসূচি চালু করা প্রয়োজন।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ কেবল প্রযুক্তি গ্রহণের ওপর নির্ভর করছে না। বরং বড় বিষয় হলো—পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে দেশের শ্রমশক্তিকে কত দ্রুত এবং কতটা কার্যকরভাবে প্রস্তুত করা যাচ্ছে।

    তাদের মতে, সময়মতো দক্ষতা উন্নয়ন ও নীতিগত উদ্যোগ নেওয়া গেলে প্রযুক্তি কর্মসংস্থানের জন্য হুমকি না হয়ে নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। কিন্তু প্রস্তুতির ঘাটতি থাকলে দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার নারী শ্রমিকরাই সবচেয়ে বেশি অনিশ্চয়তার মুখে পড়বেন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩.৫ শতাংশে নামতে পারে: আইএমএফ

    জুলাই 16, 2026
    বাণিজ্য

    বিডা, বেজা ও পিপিপিএ একীভূত হয়ে গঠিত হচ্ছে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’

    জুলাই 16, 2026
    বাণিজ্য

    সরকারি ক্রয়ে এআই আনছে টিসিবি, বদলাবে কেনাকাটার প্রক্রিয়া

    জুলাই 16, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram
    ‘হাম ব্যবস্থাপনায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ কি পর্যাপ্ত ছিল, আপনি কি মনে করেন?

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.