Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুলাই 28, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » দীর্ঘ ১০ বছরের অপেক্ষার পর শুরু চীন অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণ
    অর্থনীতি

    দীর্ঘ ১০ বছরের অপেক্ষার পর শুরু চীন অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণ

    নিউজ ডেস্কজুলাই 28, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দীর্ঘ প্রায় এক দশকের অপেক্ষা ও নানা প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীন অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ ও চীনের সরকার-টু-সরকার উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পকে দেশের অন্যতম বৃহৎ বিদেশি বিনিয়োগভিত্তিক শিল্পাঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

    সরকারের প্রত্যাশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে এবং এক লাখেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে এটি দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পায়ন, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    সোমবার আয়োজিত ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে একাধিক উপ-ইজারা চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের একক সেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয় এবং প্রায় ৭০ জন চীনা ব্যবসায়ী প্রতিনিধি অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

    ২০১৬ সালে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রকল্পটির যাত্রা শুরু হলেও পরবর্তী সময়ে জমি উন্নয়ন, বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান নির্বাচন, উন্নয়ন চুক্তি চূড়ান্তকরণ, অর্থায়ন নিশ্চিতকরণ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রকল্পটি বছরের পর বছর স্থবির ছিল। অবশেষে সেই অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে এখন বাস্তব নির্মাণপর্বে প্রবেশ করেছে এই শিল্পাঞ্চল।

    অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর জন্য বিনিয়োগই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। তার ভাষায়, এই শিল্পাঞ্চল ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যে এগিয়ে নেওয়ার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

    প্রায় ৮০০ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা এই শিল্পাঞ্চলকে চীনা এবং অন্যান্য বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন ও সরবরাহকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এখানে বৈদ্যুতিক যানবাহন, ব্যাটারি, চিকিৎসা সরঞ্জাম, ইলেকট্রনিকস এবং উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন উৎপাদনশিল্প স্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হওয়া দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তার মতে, এটি সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের সফরের ফলাফল বাস্তবায়নেরও একটি উল্লেখযোগ্য অংশ।

    প্রকল্প বাস্তবায়নকারী চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের সহসভাপতি লি চাংগুই জানান, এখন থেকে প্রকল্পের নির্মাণকাজ পূর্ণমাত্রায় এগিয়ে নেওয়া হবে। তিনি বলেন, এই শিল্পাঞ্চলকে দুই দেশের শিল্প সহযোগিতার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হবে।

    বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রীর জুন মাসের চীন সফরের পর বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইতোমধ্যে ৩০টিরও বেশি চীনা প্রতিষ্ঠান প্রায় অর্ধ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যদিও প্রকল্প এলাকায় এখনো পূর্ণাঙ্গ নির্মাণকাজ শুরু হয়নি।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এই প্রকল্প কেবল একটি শিল্পাঞ্চল নির্মাণের উদ্যোগ নয়, বরং বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করার ভিত্তি।

    প্রকল্পের সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণের জন্য সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি ৪১ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন থেকে ১৭ দশমিক ২২ বিলিয়ন টাকা এবং চীনের রপ্তানি-আমদানি ব্যাংকের অগ্রাধিকারমূলক ঋণ থেকে ২৪ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন টাকা ব্যয় করা হবে।

    এই অর্থে বহুমুখী জেটি, সংযোগ সড়ক, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র, গ্যাস সঞ্চালন লাইন, পানি সংরক্ষণাগার, কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধন কেন্দ্র, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে, যাতে শিল্পাঞ্চলটি বিনিয়োগের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত হয়।

    পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০৩১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এই অবকাঠামো উন্নয়নকাজ চলবে।

    চলতি মাসের শুরুতে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিও প্রকল্পের উন্নয়ন ও জমি ইজারা চুক্তির অনুমোদন দিয়েছে। যৌথ উদ্যোগে গঠিত কোম্পানিতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অংশীদারিত্ব থাকবে ৩০ শতাংশ এবং চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের অংশ থাকবে ৭০ শতাংশ।

    কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ তীরে অবস্থিত এই শিল্পাঞ্চল চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর, কর্ণফুলী টানেল এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছাকাছি হওয়ায় এর ভৌগোলিক অবস্থানকে বিশেষ সুবিধাজনক হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফলে পণ্য পরিবহন, রপ্তানি কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগ আরও সহজ হবে।

    অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের শিল্পখাতে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। বিশেষ করে চীনের উৎপাদনশিল্পের একটি অংশ বাংলাদেশে স্থানান্তরিত হলে রপ্তানি, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ জনবল সৃষ্টি এবং কর্মসংস্থান—সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করা, অবকাঠামো উন্নয়নের গতি বজায় রাখা এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতিগত পরিবেশ নিশ্চিত করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এসব বিষয় সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে চট্টগ্রাম দেশের প্রধান শিল্প ও বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    এক প্ল্যাটফর্মে আসছে দেশের সব বিনিয়োগ সেবা

    জুলাই 28, 2026
    অর্থনীতি

    সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড়

    জুলাই 28, 2026
    অর্থনীতি

    দেশে দুই-তৃতীয়াংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এখনো নিবন্ধনের বাইরে

    জুলাই 28, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.