Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, আগস্ট 31, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » কর কমেছে, তবু কমেনি দাম—ভোক্তার স্বস্তি কোথায়?
    অর্থনীতি

    কর কমেছে, তবু কমেনি দাম—ভোক্তার স্বস্তি কোথায়?

    নিউজ ডেস্কআগস্ট 31, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে থাকা সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিতে চলতি অর্থবছরের বাজেটে প্রায় ৬০টি প্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবার ওপর কর ও আমদানি শুল্ক কমিয়েছিল সরকার। উদ্দেশ্য ছিল আমদানি ব্যয় কমানো, উৎপাদন ও সরবরাহের খরচ কমিয়ে বাজারে পণ্যের দাম কমানো এবং শেষ পর্যন্ত সেই সুবিধা ভোক্তার হাতে পৌঁছে দেওয়া।

    কিন্তু বাজেট ঘোষণার প্রায় তিন মাস পরও সেই প্রত্যাশিত স্বস্তির দেখা মিলছে না। বরং কর কমানো পণ্যগুলোর অনেকগুলোর দাম আগের মতোই রয়েছে, আবার কিছু পণ্যের দাম উল্টো বেড়েছে। ফলে সরকারের কর ছাড়ের সুফল শেষ পর্যন্ত কার হাতে যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ডায়ালাইসিসের ছাঁকনি, শিশুখাদ্য তৈরির কাঁচামাল, বিভিন্ন মসলা, খেজুর, চাল, গম, পেঁয়াজ, চিনি, ভোজ্যতেল ও মাছসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্যে কর ও আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময়ে এসব সিদ্ধান্তের লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কিছুটা কমানো।

    কিন্তু বাজারের বাস্তব চিত্র বলছে, কাগজে-কলমে কর কমলেও তার প্রভাব সব ক্ষেত্রে খুচরা দামে দেখা যাচ্ছে না।

    ব্যবসায়ীদের ব্যাখ্যা, কর কমানোর সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার আগে আমদানি করা পণ্যের বড় অংশ এখনো বাজারে রয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া, জ্বালানির বাড়তি ব্যয় এবং টাকার দুর্বলতার কারণে কর কমানোর সুবিধার একটি অংশ অন্য খাতে চলে যাচ্ছে।

    স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেই এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ পাওয়া যাচ্ছে।

    মো. আলামিন হোসাইন গত ছয় মাস ধরে তাঁর মাকে আল বারাকা কিডনি হাসপাতালে ডায়ালাইসিস করাচ্ছেন। অন্যান্য হাসপাতালের তুলনায় খরচ কিছুটা কম হওয়ায় তিনি এই হাসপাতালটি বেছে নিয়েছেন। বাজেটে আমদানি করা ডায়ালাইসিসের ছাঁকনির ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর এবং ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর তুলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রতি ডায়ালাইসিসে প্রায় ৮০০ টাকা পর্যন্ত খরচ কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল।

    কিন্তু বাস্তবে এখনো সেই সুবিধা রোগীদের কাছে পৌঁছায়নি।

    আল আমিনের হিসাবে, হাসপাতালটির সবচেয়ে কম খরচের প্যাকেজ ৩ হাজার ৪০০ টাকা। এর সঙ্গে প্রয়োজনীয় অন্যান্য খরচ যোগ হলে মোট ব্যয় প্রায় ৪ হাজার টাকায় দাঁড়ায়। অর্থাৎ কর কমানোর পর ডায়ালাইসিসের খরচ কমার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা এখনো রোগীর ব্যয়ে প্রতিফলিত হয়নি।

    আল বারাকা কিডনি হাসপাতালের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. আজহার গাজী জানিয়েছেন, নতুন কর কাঠামোর আওতায় হাসপাতালটি এখনো ডায়ালাইসিসের ছাঁকনি সংগ্রহ করেনি। কম দামে পণ্য পাওয়ার পর ব্যয় কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

    শুধু এই হাসপাতাল নয়, অন্যান্য হাসপাতালেও একই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। স্কয়ার হাসপাতাল, কন্টিনেন্টাল হাসপাতাল ও ল্যাবএইড হাসপাতাল ডায়ালাইসিসের ছাঁকনির ওপর কর প্রত্যাহারের পরও তাদের সেবামূল্য কমায়নি।

    স্কয়ার হাসপাতালের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ইউসুফ সিদ্দিকী জানিয়েছেন, তাঁরা সরকারের এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত নন এবং এ বিষয়ে সরকারের কাছ থেকে কোনো নোটিশও পাননি। ল্যাবএইড হাসপাতালের পরিচালন বিভাগের প্রধান এফতেখার আহমদও একই ধরনের অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।

    এখানে মূল সমস্যাটি হলো, একটি পণ্যের ওপর কর কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর সেটি ব্যবহার করে সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠানের কাছে সেই সুবিধা পৌঁছালেও তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোক্তার কাছে চলে যাচ্ছে না। সরবরাহব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে নজরদারি না থাকলে কর কমানোর সুফল আটকে যেতে পারে।

    শিশুখাদ্যের বাজারেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।

    শিশুখাদ্য তৈরির কাঁচামালের আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। উদ্দেশ্য ছিল উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং শিশুখাদ্যকে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখা। কিন্তু শুল্ক কমার পরও বাজারে এসব পণ্যের দাম কমেনি।

    বাংলাদেশের শিশুখাদ্যের বাজারের অন্যতম বড় প্রতিষ্ঠান নেসলে বাংলাদেশ জানিয়েছে, আমদানি শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্তকে তারা স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত ব্যয়ের চাপ কিছুটা কমাতে এবং পণ্যকে তুলনামূলক সাশ্রয়ী করতে সহায়তা করবে।

    তবে একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ব্যবসায়ীদের জ্বালানি ব্যয় বেড়েছে, মুদ্রার অবমূল্যায়ন হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দামও বেড়েছে। ফলে শুল্ক কমানোর সুবিধার পুরোটা সরাসরি পণ্যের দামে প্রতিফলিত হচ্ছে না।

    আবুল খায়ের গ্রুপের কাছ থেকেও এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তবে প্রতিষ্ঠানটি একাধিকবার যোগাযোগের পরও কোনো উত্তর দেয়নি।

    মসলার বাজারেও কর ছাড়ের প্রভাব স্পষ্ট নয়। সব ধরনের মসলার ওপর ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক প্রত্যাহার করা হলেও বাজারে দাম কমেনি। বরং বাংলাদেশ ট্রেডিং করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, কিছু মসলার দাম বেড়েছে।

    বাজারের নিম্ন দামের অংশে আমদানি করা রসুন ও আদার দাম বেড়েছে। তেজপাতার দাম কেজিতে ২০ টাকা এবং এলাচের দাম কেজিতে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

    বাংলাদেশ পাইকারি গরম মসলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজি মো. এনায়েত উল্লাহর মতে, বর্তমানে মসলার বাজারের একটি বড় অংশ অবৈধভাবে পাচার হয়ে আসা পণ্যের দখলে রয়েছে। বৈধ পথে আমদানি করা মসলার পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম।

    তবে অবৈধ পথে আসা পণ্যের সরবরাহ থাকার পরও কেন দাম কমছে না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আন্তর্জাতিক বাজারে মসলার দাম বৃদ্ধির বিষয়টি সামনে আনেন।

    খেজুরের ক্ষেত্রেও কর কমানোর পর বাজারে স্বস্তি আসেনি। সরকার খেজুরের ওপর ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। কিন্তু বাজারে সুক্কারি খেজুরের দাম বরং কেজিতে ৩০০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০০ টাকা হয়েছে বলে জানিয়েছেন একজন খুচরা ব্যবসায়ী।

    বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম এর পেছনে বাজারে সরবরাহ ঘাটতিকে দায়ী করেছেন। তাঁর মতে, খেজুরের মৌসুম আগস্টে শুরু হলেও সেপ্টেম্বর থেকে নতুন সরবরাহ বাড়ার কথা। তখন দাম কিছুটা কমতে পারে।

    কর ছাড়ের আওতায় আসা চালান বাজারে আসছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, কিছু চালান আসছে, কিন্তু বাজারের চাহিদা পূরণের জন্য তা এখনো যথেষ্ট নয়।

    অর্থাৎ এখানে আবারও একই সমস্যাটি দেখা যাচ্ছে। সরকার কর কমিয়েছে, কিন্তু কর কমানোর পর আমদানি করা পর্যাপ্ত পণ্য বাজারে না এলে ভোক্তা স্বাভাবিকভাবেই সেই সুবিধা পাবেন না।

    শুধু খাদ্যপণ্য নয়, শিল্পপণ্যের ক্ষেত্রেও একই পরিস্থিতি রয়েছে।

    ওয়াশিং মেশিন, বৈদ্যুতিক চুলা ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন তৈরির গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল ভাসমান কাচের ওপর সরকার ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট পণ্যের বাজারমূল্যে এখনো এর প্রভাব দেখা যায়নি।

    ওয়ালটনের উপপ্রধান ব্যবসায়িক কর্মকর্তা মো. খায়রুল বাসার এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল জানিয়েছেন, কর সুবিধার আওতায় তারা এখনো কোনো চালান পাননি।

    এখানেই সরকারের করনীতির সঙ্গে বাজার বাস্তবতার বড় একটি ফারাক সামনে আসে। কর কমানো মানেই সঙ্গে সঙ্গে দাম কমে যাবে—বিষয়টি বাস্তবে এত সরল নয়। আগে আমদানি করা পণ্য, নতুন কর কাঠামোয় আমদানি করা পণ্য, আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য, বিনিময় হার, পরিবহন ব্যয়, জ্বালানি খরচ এবং বাজারের সরবরাহ—সবকিছু মিলেই শেষ পর্যন্ত খুচরা মূল্য নির্ধারিত হয়।

    তবে এর অর্থ এই নয় যে কর ছাড়ের সুফল ভোক্তার কাছে পৌঁছাবে না। বরং সরকারের দায়িত্ব হলো নিশ্চিত করা, কর কমানোর ফলে ব্যবসায়ীদের যে ব্যয় কমছে, তার যৌক্তিক অংশ যেন বাজারমূল্যে প্রতিফলিত হয়।

    ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এখানেই সবচেয়ে বড় ঘাটতি রয়েছে।

    কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি এ এইচ এম শফিকুজ্জামানের মতে, সরকার ভোক্তাদের স্বস্তি দিতে কর কমিয়েছে। কিন্তু পর্যাপ্ত বাজার তদারকি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা না থাকায় সেই সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। একই সঙ্গে সরকারও কর কমানোর কারণে সম্ভাব্য রাজস্ব হারাচ্ছে।

    অর্থাৎ বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্বৈত ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সরকার একদিকে রাজস্ব ছাড় দিচ্ছে, অন্যদিকে ভোক্তা সেই ছাড়ের সুবিধা না পেলে কর কমানোর মূল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হচ্ছে।

    এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাজার তদারকি আরও শক্তিশালী করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, নিয়মিতভাবে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোকে পণ্যের দাম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দিতে হবে।

    জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মো. জহিরুল ইসলামও জানিয়েছেন, কর ছাড় কার্যকর হওয়ার পর কোনো ব্যবসায়ী যদি নতুন সুবিধার আওতায় পণ্য কিনে বা আমদানি করে থাকেন, তাহলে সেই সুবিধা উপযুক্ত মূল্য কমানোর মাধ্যমে ভোক্তার কাছে পৌঁছে দেওয়া উচিত।

    তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং সরকারের কর সুবিধার প্রতিফলন পণ্যের দামে হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এর জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট মূল্য সংযোজন কর ও কর পরিশোধের চালান যাচাই করা হবে। কোথায় কর ছাড় পাওয়ার পরও সেই সুবিধা ভোক্তার কাছে পৌঁছানো হচ্ছে না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে অধিদপ্তর।

    বর্তমান পরিস্থিতি থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট—কর কমানো হচ্ছে মূলত বাজারে স্বস্তি ফেরানোর একটি উপায় হিসেবে। কিন্তু করনীতি একা বাজারদর কমাতে পারে না। তার সঙ্গে কার্যকর বাজার তদারকি, পর্যাপ্ত সরবরাহ, প্রতিযোগিতামূলক বাজার এবং ব্যবসায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হয়।

    বিশেষ করে উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময়ে এই বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের আয় যখন একই হারে বাড়ছে না, তখন চাল, চিনি, ভোজ্যতেল, মসলা, খেজুর কিংবা স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় সামান্য বাড়লেও তা পরিবারের মাসিক বাজেটে বড় চাপ তৈরি করতে পারে।

    তাই সরকারের কর ছাড়ের ঘোষণার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে তার বাস্তব ফল। ভোক্তা যদি বাজারে গিয়ে আগের একই দাম দেখেন, কিংবা কোনো কোনো পণ্যে আরও বেশি দাম দিতে বাধ্য হন, তাহলে কর কমানোর উদ্দেশ্য নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠবে।

    আগামী সময়ে নতুন কর সুবিধার আওতায় আমদানি করা পণ্য বাজারে আসার পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলাতে পারে। খেজুরের ক্ষেত্রে সেপ্টেম্বর থেকে সরবরাহ বাড়লে দাম কমার সম্ভাবনাও রয়েছে। কিন্তু সব পণ্যের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজার, মুদ্রার বিনিময় হার ও জ্বালানি ব্যয়ের চাপ একইভাবে থাকবে।

    সুতরাং সরকারের জন্য এখন সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হলো কর ছাড়ের ঘোষণা থেকে বাস্তব বাজারদর পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি নজরদারির আওতায় আনা। কোথায় কর কমেছে, সেই সুবিধায় আমদানি ব্যয় কতটা কমেছে এবং শেষ পর্যন্ত ভোক্তার দাম কতটা কমেছে—এই তিনটি বিষয় পাশাপাশি দেখা প্রয়োজন।

    কারণ কর কমানোর আসল সাফল্য রাজস্বনীতির হিসাবেই নয়, বাজারে সাধারণ মানুষের ব্যয় কতটা কমল তার মধ্যেই মাপা হবে। প্রায় ৬০টি প্রয়োজনীয় পণ্যে কর ছাড় দেওয়ার পরও যদি ভোক্তার ঝুড়িতে তার প্রতিফলন না থাকে, তাহলে নীতির সুবিধা কাগজে থাকলেও বাস্তবে তার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    প্রিপেইড মিটারের ‘গোস্ট বিল’ নিয়ে যা বলল ডিপিডিসি

    আগস্ট 31, 2026
    অর্থনীতি

    জাহাজভাঙা শিল্পে ১০০ গ্রিন ইয়ার্ডের লক্ষ্য, বর্তমানে আছে ৩১টি

    আগস্ট 31, 2026
    অর্থনীতি

    বিয়ের পোশাকে বাড়ছে বাংলাদেশের সক্ষমতা, নজর এখন উচ্চমূল্যের বাজারে

    আগস্ট 31, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.