Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, সেপ্টে. 15, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » গ্যাস সংকট সামলাতে গিয়ে বিপাকে বাংলাদেশ, এলএনজির দাম তিন গুণ বেড়েছে
    অর্থনীতি

    গ্যাস সংকট সামলাতে গিয়ে বিপাকে বাংলাদেশ, এলএনজির দাম তিন গুণ বেড়েছে

    নিউজ ডেস্কUpdated:সেপ্টেম্বর 15, 2026সেপ্টেম্বর 15, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশে গ্যাস সংকট মোকাবিলায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির খরচ দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার সমস্যার কারণে বর্তমানে জরুরি ভিত্তিতে কেনা এলএনজির দাম প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটে প্রায় ৩০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। যা মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের আগে বাংলাদেশ যে দামে এলএনজি কিনত, তার তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি।

    সরকার সম্প্রতি দুটি এলএনজি কার্গো কেনার অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুরভিত্তিক ভিটল এশিয়ার কাছ থেকে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট ২৯ দশমিক ৭৯৫ ডলার দামে একটি এবং যুক্তরাজ্যের টোটালএনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কাছ থেকে ২৮ দশমিক ৯৫ ডলার দামে আরেকটি কার্গো কেনা হবে। এসব কার্গো আগামী অক্টোবর মাসে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

    একটি সাধারণ এলএনজি কার্গোতে প্রায় ৩ দশমিক ৩৬ মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট গ্যাস থাকে। প্রতি ডলার প্রায় ১২৩ টাকা হিসাবে টোটালএনার্জিসের কার্গোর জন্য বাংলাদেশের খরচ হবে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা এবং ভিটলের কার্গোর জন্য ব্যয় হবে প্রায় ১ হাজার ২৩০ কোটি টাকা।

    বিশ্ববাজারে জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি। এর আগে যুদ্ধের প্রভাব পড়ার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ সাধারণত প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট এলএনজি ১০ থেকে ১২ ডলারের মধ্যে কিনত। কিন্তু সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হওয়ায় এলএনজির দাম দ্রুত বাড়তে থাকে।

    গত সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে বাংলাদেশ বিপি সিঙ্গাপুরের কাছ থেকে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট ২১ দশমিক ৭৭৮ ডলার দামে এলএনজি কেনে। এরপর পসকো ইন্টারন্যাশনাল ও টোটালএনার্জিসের কাছ থেকে কেনা কার্গোর দাম ছিল যথাক্রমে ২৪ দশমিক ৬২৫ ডলার এবং ২৪ দশমিক ২৫ ডলার। পরে ভিটলের কাছ থেকে ২৬ দশমিক ৬৭ ডলার এবং আরামকো ট্রেডিংয়ের কাছ থেকে ২৭ দশমিক ৫৪ ডলার দামে এলএনজি কেনা হয়। চলতি মাসের শুরুতে বিপি সিঙ্গাপুরের একটি কার্গোর দাম ২৮ ডলার ছাড়িয়ে যায়। সর্বশেষ ভিটলের কার্গো সেই দামকে আরও বাড়িয়ে প্রায় ৩০ ডলারের কাছাকাছি নিয়ে গেছে।

    এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে একদিকে গ্যাসের চাহিদা পূরণ করা, অন্যদিকে অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সামলানো। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে পাওয়া তুলনামূলক কম দামের গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় পেট্রোবাংলাকে বাধ্য হয়ে বেশি দামের খোলা বাজার থেকে এলএনজি কিনতে হচ্ছে।

    বিশেষ করে কাতার থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আসা এলএনজি সরবরাহে সমস্যা তৈরি হওয়ায় দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ বেড়েছে। ফলে অনিশ্চিত ও পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা আরও বেড়েছে।

    এলএনজির বাড়তি দামের প্রভাব শুধু আমদানি ব্যয়েই সীমাবদ্ধ থাকছে না, এর প্রভাব পড়ছে সরকারের ভর্তুকি ব্যবস্থার ওপরও। পেট্রোবাংলার হিসাব অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এলএনজি ভর্তুকির অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে প্রায় ১০ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

    তবে শুধু দাম বেশি হওয়াই বাংলাদেশের সমস্যা নয়। সময়মতো এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করাও এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কম দামে সরাসরি ক্রয়ের মাধ্যমে এলএনজি আনার চেষ্টা করা হলেও আগের কিছু চালানে সময়মতো গ্যাস দেশে পৌঁছায়নি।

    রোববারের বৈঠকে সরকার সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে আরও চারটি এলএনজি কার্গোর অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ডারাব ইনকরপোরেশনের দুটি কার্গোর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট ১৭ ডলার এবং মাইন্ড মিঙ্গেল এলএলসির দুটি কার্গোর দাম ১৯ ডলার।

    দামের হিসাবে এসব কার্গো বর্তমান বাজারের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী। কিন্তু সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, কম দাম সবসময় নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করে না।

    আগস্ট মাসে সরকার দরপত্র ছাড়াই জরুরি ভিত্তিতে ২২টি এলএনজি কার্গো অনুমোদন করেছিল। এর মধ্যে পরবর্তী ধাপে ১৪টি এবং এর আগে আরও ৮টি কার্গো অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসে নির্ধারিত অন্তত আটটি কার্গো সময়মতো দেশে পৌঁছায়নি।

    এই বিলম্বের কারণে দেশে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হয়। এমনকি ১৯ আগস্ট এক পর্যায়ে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় গ্যাস সরবরাহ করতে পারেনি, কারণ মজুত গ্যাস শেষ হয়ে গিয়েছিল। যদিও টার্মিনালটি কার্যক্রম চালানোর জন্য প্রস্তুত ছিল, পরবর্তী কার্গো আসার কথা ছিল ২৩ আগস্ট।

    পেট্রোবাংলা ও রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরাসরি ক্রয়ের মাধ্যমে অনুমোদিত কিছু কার্গো সময়মতো না আসার কারণেই টার্মিনাল সচল হওয়ার পরও দেশে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে দেরি হয়েছে।

    সরকার জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সরাসরি ক্রয়ের পদ্ধতি গ্রহণ করেছিল। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দেখিয়েছে, শুধু কম দাম নয়, সরবরাহকারীর সক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

    এদিকে নতুন করে অনুমোদিত কয়েকটি কার্গো সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক বাজারে খুব পরিচিত নয়। ডারাব ইনকরপোরেশন ও মাইন্ড মিঙ্গেল এলএলসির বাংলাদেশের জন্য এলএনজি সরবরাহের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার প্রকাশ্য তথ্যও সীমিত। ফলে ভবিষ্যতে জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সরবরাহকারীদের যাচাই আরও গুরুত্ব পাচ্ছে।

    বর্তমানে বাংলাদেশ একদিকে উচ্চমূল্যের এলএনজি কিনে গ্যাস সংকট সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে কম দামের সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিকল্প পথ খুঁজছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা, যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

    পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসের প্রয়োজনীয় এলএনজি ইতোমধ্যে নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে আশা করা হচ্ছে, আজ থেকে গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়বে। মোট সরবরাহ প্রায় ২ হাজার ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট প্রতিদিনে পৌঁছাতে পারে, যা ২১ জুলাইয়ের আগের পরিস্থিতির কাছাকাছি।

    ২১ জুলাই এলএনজি টার্মিনালে সমস্যার কারণে দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ ২ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে নেমে গিয়েছিল। আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে তা বেড়ে প্রায় ২ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছায়। কর্মকর্তাদের আশা, সামনে আরও ২০০ থেকে ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বাড়তে পারে।

    তবে দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, কীভাবে আন্তর্জাতিক বাজারের এমন অস্থিরতার মধ্যে স্থিতিশীল ও সাশ্রয়ী জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়। কারণ শুধু জরুরি ভিত্তিতে বেশি দামে এলএনজি কেনা সাময়িক সমাধান হতে পারে, কিন্তু জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও নির্ভরযোগ্য সরবরাহ ব্যবস্থা।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    ওইসিডিভুক্ত দেশের সরকারি ঋণের সুদের বোঝা ছাড়াল ২ ট্রিলিয়ন ডলার

    সেপ্টেম্বর 15, 2026
    অর্থনীতি

    লিটারপ্রতি ১০ টাকা বাড়ল বেসরকারি কোম্পানির প্যাকেটজাত দুধের দাম

    সেপ্টেম্বর 15, 2026
    অর্থনীতি

    সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৩ দিনে দেশে এসেছে ১৪২ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স

    সেপ্টেম্বর 14, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.