গত ১৫ অক্টোবর তৈরি পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে সরকার মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেয়।
বর্তমানে সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা যা ২০২৩ সালে নির্ধারিত এরপর এবার বেতন কত বাড়বে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু যে প্রশ্নটি আড়ালে থেকে যাচ্ছে, তা হলো এই মজুরি পেতে একজন শ্রমিককে দিনে কত ঘণ্টা কাজ করতে হয়? আইনে কর্মদিবস আট ঘণ্টার, কিন্তু মাস শেষে সংসারের খরচ মেটাতে শ্রমিককে বাস্তবে কত ঘণ্টা কাজ করতে হয় সেই হিসাবও কি হচ্ছে?
আইনের ঘড়িটা আসলে কতক্ষণ চলতে দেয়?
আগে আইনের ঘড়িটা দেখে নেওয়া যাক। বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ১০০ ধারায় প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিকের স্বাভাবিক কাজের সীমা দিনে আট ঘণ্টা, আর ১০২ ধারায় সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা। ওভারটাইমের দরজা খোলা আছে, তবে সীমা বাঁধা: দিনে সর্বোচ্চ দশ ঘণ্টা, সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৬০ ঘণ্টা। ১০৮ ধারা বলছে, বাড়তি সময়ের জন্য মূল মজুরির (মহার্ঘ ভাতা বা অন্তর্বর্তী মজুরি থাকলে সেটাসহ) দ্বিগুণ হারে ভাতা দিতে হবে। ১০৩ ধারায় কারখানার শ্রমিক সপ্তাহে একদিন ছুটি পাবেন, এবং তার জন্য মজুরি কাটা যাবে না। কর্মঘণ্টা হিসাবের ক্ষেত্রে আহার ও বিশ্রামের বিরতি বাদ থাকে। আট আর আটচল্লিশের এই হিসাব নতুন কিছু নয়। আইএলওর একেবারে প্রথম কনভেনশনটাই ১৯১৯ সালে ঠিক করেছিল দিনে আট ও সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টার সীমা। বাংলাদেশ সেটি অনুসমর্থন করেছে ১৯৭২ সালের ২২ জুন। এক শতাব্দীর বেশি পুরোনো সেই ঘড়ির কাঁটায় আমাদের দেশের স্বাক্ষরও আছে।
এখানে একটা সূক্ষ্ম শর্ত আছে, যেটা আলোচনায় কমই আসে। ১০২ ধারার শর্তাংশ বলছে, কোনো সপ্তাহে মোট কাজ ৬০ ঘণ্টা ছাড়াতে পারবে না, আবার সারা বছরের হিসাবে সপ্তাহে গড়ে ৫৬ ঘণ্টার বেশিও নয়।
তার মানে ৬০ ঘণ্টা হলো মাঝেমধ্যের সর্বোচ্চ সীমা, রোজকার মাপ নয়। কেউ ছয় দিনই প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে ওভারটাইম করলে সপ্তাহ দাঁড়ায় ঠিক ৬০ ঘণ্টায়। এভাবে বছরজুড়ে চললে গড় ৫৬ ঘণ্টার সীমা ভেঙে যায়। বছরের গড় সীমা মানলে ওভারটাইম গড়ে সপ্তাহে আট ঘণ্টা, অর্থাৎ কাজের দিনপ্রতি এক ঘণ্টা বিশ মিনিটের বেশি নয়।
১৬ থেকে ১৭ হাজার টাকার অঙ্ক কি আইনের ঘরে মেলে?
বিডি নিউজ ২৪ এর এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৩ সালের নভেম্বরে সাড়ে ১২ হাজার টাকার ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার পর তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছিলেন, মাস শেষে শ্রমিক ১৬ থেকে ১৭ হাজার টাকা পাবেন, আর বাড়তি সাড়ে তিন থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা আসবে ওভারটাইম থেকে। কথাটা একটা ইঙ্গিত দেয় ন্যূনতম মজুরির ঘোষণার ভেতরেই ধরে নেওয়া হচ্ছে যে শ্রমিক নিয়মিত ওভারটাইম করবেন।
দ্য ডেইলি স্টারের ২০২৩ এর এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, সরকারের গেজেটে এন্ট্রি লেভেলের গ্রেড পাঁচে মোট মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা, যার মধ্যে মূল মজুরি ৬ হাজার ৭০০। মাসিক মজুরির শ্রমিকের ক্ষেত্রে মূল মজুরিকে ২০৮ ঘণ্টা (২৬ দিন গুণ আট ঘণ্টা) দিয়ে ভাগ করে দ্বিগুণ করার প্রচলিত নিয়মে এক ঘণ্টা ওভারটাইমের দাম আসে প্রায় ৬৪ টাকা ৪২ পয়সা। আইনের সীমার ভেতরে দিনে দুই ঘণ্টা করে মাসে ৫২ ঘণ্টা ওভারটাইম করলে আয় হয় ৩ হাজার ৩৫০ টাকা, মোট দাঁড়ায় প্রায় ১৫ হাজার ৮৫০ টাকা। ১৬ হাজার ছুঁতে মাসে প্রায় ৫৪ ঘণ্টা লাগে, আর ১৭ হাজারে পৌঁছাতে প্রায় ৭০ ঘণ্টা। অর্থাৎ সপ্তাহে সাড়ে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টার মতো ওভারটাইম, অথচ সাপ্তাহিক সীমা ১২ ঘণ্টা।
আইনের বার্ষিক গড় সীমা মানলে ছবিটা আরও স্পষ্ট হয়। বছরজুড়ে সপ্তাহে গড়ে আট ঘণ্টা ওভারটাইম ধরলে মাসে সাড়ে ৩৪ ঘণ্টার মতো ওভারটাইম হয়, আয় প্রায় ২ হাজার ২৩৩ টাকা, আর মোট আয় প্রায় ১৪ হাজার ৭০০ টাকা। তার মানে ১৬ থেকে ১৭ হাজার টাকার অঙ্কে পৌঁছাতে হলে আইনের উপরের সীমা ছুঁতে বা ছাড়াতে হয়।
ওভারটাইম কি শ্রমিকের চাওয়া, নাকি বাধ্য হওয়া?
যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাইটস ল্যাব গুডউইভ ইন্টারন্যাশনাল ও বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশনের মিলিত হয়ে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত ঢাকা ও চট্টগ্রামে ১ হাজার ৯৭৪ জন পোশাকশ্রমিকের জরিপ করেছে।
কারখানাভিত্তিক উত্তরদাতাদের ২৮ শতাংশ, অর্থাৎ ৪৮৮ জন, জানিয়েছেন তাঁরা দিনে দশ ঘণ্টার বেশি, সপ্তাহে ছয় দিন কারখানায় থাকেন। গবেষকেরা একে আইনের সর্বোচ্চ সীমা ছাড়ানো ধরেছেন। তবে শুধু আংশিক নমুনা পুরো শিল্পের প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র নয়। তবু অন্য সংখ্যাগুলো ভাবার মতো। ৪৫ শতাংশ কারখানাশ্রমিক বলেছেন, স্বাভাবিক দিনের পরও কাজ করার চাপ তাঁরা অনুভব করেন। যারা চাপের কথা বলেছেন, তাদের প্রায় সবাই রপ্তানিমুখী কারখানায় ৯৬ শতাংশ, সাবকন্ট্রাক্ট কারখানায় ৯৭ শতাংশ এর উৎস হিসেবে ম্যানেজারের উৎপাদন চাহিদা ও লক্ষ্যের কথা বলেছেন।
আট ঘণ্টার পরের কাজে ঘণ্টাপ্রতি সাধারণ হারের সমান বা কম মজুরি পাওয়ার কথা জানিয়েছেন ৩৪ শতাংশ (রপ্তানিমুখী ও সাবকন্ট্রাক্ট কারখানায়) থেকে ৪১ শতাংশ (মিশ্র চুক্তির কারখানায়) শ্রমিক। অথচ শ্রম আইন ২০০৬ এর ১০৮ ধারায় ঠিকা হারের শ্রমিক বাদে সবার জন্য দ্বিগুণ হার পাওনা। এখানে শ্রমিকদের ফাও খাটানোই কারখানার মুখ্য উদ্দেশ্য হয়ে উঠে।
একই জরিপে প্রায় অর্ধেক শ্রমিক ওভারটাইমের পক্ষে মত দিয়েছেন, কারণ এতে আয় বাড়ে। আবার ওভারটাইমের টাকাসহ মোট আয় ধরেও প্রায় ৩০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিক ন্যূনতম মজুরির নিচে আয় করেন বলে জানিয়েছেন। অর্থাৎ বাড়তি ঘণ্টা থাকলেও সবার আয় এক হয় না।
আইএলও ও আইএফসির কর্মসূচি বেটার ওয়ার্ক বাংলাদেশের ২০২৪ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্মসূচিভুক্ত কারখানার শ্রমিকেরা বেশি ঘণ্টা নিয়ে নয়, কম ঘণ্টা কাজ পাওয়া নিয়েই বেশি উদ্বেগ প্রকাশ করেন, কারণ হাতে নেওয়ার মতো যথেষ্ট আয়ের জন্য তাঁদের বাড়তি ঘণ্টা দরকার।
মার্ক অ্যানারের ২০১৭ সালের শ্রমিক জরিপে আরেকটি পুরোনো ছবি আছে। সেখানে ঢাকা অঞ্চলের ১৮৮ জন শ্রমিক সপ্তাহে গড়ে ৬৩ দশমিক ৪৯ ঘণ্টা কাজের কথা বলেছিলেন, আর ৭৭ দশমিক ২ শতাংশ বলেছিলেন ওভারটাইম বাধ্যতামূলক। নমুনা ছোট হলেও, এর মধ্য দিয়ে উঠে আসে বড় একটি বাস্তবতা। শ্রমিকের কাছে এক ঘণ্টা বাড়তি খাটুনি মানে ভাড়া বা খাবারের টাকার একটা অংশ, মালিকের কাছে অর্ডারের ধাক্কা সামলানো।
কাঁটা থামে না কেন, চাবি কার হাতে?
এই কাঁটা কেন থামে না, তার উত্তর শুধু কারখানার ভেতরে নেই। দাম, সময় আর অর্ডারের আকার ঠিক করে ব্র্যান্ড, আর কারখানা সেই ছকের ভেতরে নিজের শ্রমঘণ্টা মেলায়।
বেটার ওয়ার্কের একটি আলোচনাপত্রে বলা হয়েছে, শেষ মুহূর্তে স্টাইল বদল, ভবিষ্যৎ অর্ডারের অনিশ্চয়তা ওভারটাইমের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মার্ক অ্যানার ২০১৬ ও ২০১৭ সালে বাংলাদেশের ২২৩টি কারখানার জরিপে দেখেছেন, ২০১১ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে গড় লিড টাইম ৯৩.৪ দিন থেকে কমে ৮৫.৮৩ দিনে নেমেছে। ২৬ শতাংশ কারখানা বলেছে ৫৫ শতাংশ ক্রেতারাই মাঝেমধ্যে উৎপাদন শুরুর পর অর্ডারের বিবরণ বদলে ফেলেন।
কারখানা থেকে জাহাজে তোলা পর্যন্ত দাম, যাকে এফওবি দাম বলা হয়, গড়ে ৫.০৩ ডলার থেকে ৪.৬৪ ডলারে নেমেছে। অর্ডারের পরিমাণ অনিশ্চিত থাকলে মালিকেরা বেশি লোক রাখতে ভয় পান, কারণ অর্ডার কমলে বসে থাকা শ্রমিকেরও বেতন দিতে হয়। তাই অর্ডার বাড়লে আছে এমন শ্রমিককেই বাড়তি ঘণ্টা খাটানো হয়। মালিকপক্ষের চাপও বাস্তব।
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের জুনে শেষ হওয়া অর্থবছরে পোশাক রপ্তানি আয় ছিল ৩৮.৭০ বিলিয়ন ডলার যা আগের বছর ছিল ৩৯.৩৫ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ প্রায় ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ কম। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (টিবিএস) এর এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিকেএমইএর সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেছেন, মজুরি ৯ শতাংশ, সুতার দাম ১০ শতাংশ, রং ও রাসায়নিকের দাম ১৫ থেকে ৫০ শতাংশ বেড়েছে, অথচ ক্রেতারা সেই অনুপাতে দাম বাড়াচ্ছেন না।
রাইটস ল্যাবের ফোকাস গ্রুপ আলোচনার রিপোর্টে উঠে এসেছে, কয়েকজন শ্রমিক বলেছেন, ২০২৩ সালে নতুন ন্যূনতম মজুরি কার্যকর হওয়ার পর তাঁদের কারখানায় ঘণ্টাপ্রতি উৎপাদন লক্ষ্য বেড়েছে। জরিপের নোটে এক শ্রমিকের বর্ণনায়, আগে যে কাজ ওভারটাইমসহ দশ থেকে এগারো ঘণ্টায় হতো, এখন তা আট ঘণ্টায় শেষ করতে হয়। ওভারটাইম কমেছে, আয় একই। আরেকজনের কথায়, লক্ষ্য ছুঁতে না পারলে শিফটের পর আরও দুই ঘণ্টা থাকতে হয় আর ওভারটাইমের টাকা কাটা যায়। একজন বলেছেন, তার কারখানায় খাতায় ওভারটাইম দুই ঘণ্টার বেশি লেখা হয় না।
বোর্ডের টেবিলে আসলে কোন সংখ্যাটা দেখা দরকার?
মজুরি বোর্ডের সামনে কোন সংখ্যাটা দেখা দরকার? আমার মতে, শুধু মাসিক মোট মজুরি নয়, আইনের স্বাভাবিক ৪৮ ঘণ্টার কাজের জন্য একজন শ্রমিক কত পান, সেটাই আলোচনার কেন্দ্রে থাকা উচিত।
কারণ আইন ৪৮ ঘণ্টাকেই স্বাভাবিক ধরে, ওভারটাইমকে ধরে ব্যতিক্রম, আর ১৯১৯ সালের কনভেনশনও ৮ ও ৪৮ ঘণ্টাকেই মূল সীমা ধরে। এই যুক্তি থেকে আমার কাছে তিনটা বিষয় জরুরি মনে হয়।
প্রথমত, কাঠামোর ভেতরে মূল মজুরির অংশ। ১০৮ ধারা অনুযায়ী ওভারটাইম মূল মজুরির ওপর হিসাব হয়, তাই ১২ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে মূল মজুরি ৬ হাজার ৭০০ (প্রায় ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ) হওয়া ঘণ্টাপ্রতি ওভারটাইমের দামে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
দ্বিতীয়ত, হিসাবের স্বচ্ছতা। আইনের ১০৮(৩), ১১১ ও ১১৩ ধারায় ওভারটাইমের রেজিস্টার, কাজের সময়ের নোটিশ এবং নোটিশ ও রেজিস্টারের সঙ্গে কাজের মিল রাখার বিধান আছে। এক জরিপে দেখা গেছে, ৮৩ শতাংশ কারখানা শ্রমিকের ব্যাংক হিসাব ছিল না, বেতন আসে নগদে বা মোবাইল অ্যাকাউন্টে। সময় আর মজুরির রেকর্ড ডিজিটাল ও যাচাইযোগ্য হলে শ্রমিক, পরিদর্শক ও ক্রেতা একই ঘড়ি দেখতে পারবেন।
তৃতীয়ত, মজুরি বাড়ানোর আলোচনার সঙ্গে ক্রেতার দাম আর লিড টাইমের আলোচনা না চললে মজুরি বাড়ার ধাক্কা কাজের গতির ওপর গিয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে, যেমনটা ২০২৩ সালের পর কয়েকজন শ্রমিক বলছেন। মালিকপক্ষের সময় চাওয়া ও ব্যয়চাপের যুক্তিও সেই ঝুঁকিরই অংশ, তাই এই আলোচনা থেকে বাদ রাখলে অঙ্ক মিলবে না।
শেষ পর্যন্ত, ওভারটাইমের হিসাব শুধু কত ঘণ্টা কাজ হলো আর কত টাকা মজুরি মিলল, তার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে শ্রম আইনের বাস্তব প্রয়োগ। নমুনা সীমিত হলেও, পাওয়া তথ্যগুলো দেখায়—অতিরিক্ত কাজের ওপর নির্ভরতা শ্রমিকের জন্য যেমন আয়ের ভরসা, তেমনি তা দীর্ঘ কর্মঘণ্টার চাপও বাড়াতে পারে।
নতুন মজুরি বোর্ডের সামনে তাই চ্যালেঞ্জ কেবল মাসিক মজুরির অঙ্ক ঠিক করা নয়; সেই মজুরিতে একজন শ্রমিকের সংসার কতটা চলে, আর ন্যায্য আয় নিশ্চিত করতে তাঁকে কতটা অতিরিক্ত সময় কাজ করতে হয়, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া। শেষ পর্যন্ত আইনের আট ঘণ্টা আর সংসারের হিসাবের মধ্যে ব্যবধান কতটা, তার উত্তর মিলবে শ্রমিকের হাতে পাওয়া মজুরি ও বাস্তব কর্মঘণ্টার হিসাবেই।
নুয়াল আল যুগমী মৈত্রী
রিসার্চার (ফিন্যান্স, ট্রেড ও কমার্স)সিটিজেন্স ভয়েস

