বাংলাদেশের রেলপথ ব্যবহার করে সরাসরি দেশের অভ্যন্তরে পণ্য পরিবহনের সুযোগ চেয়েছে ভারত। দেশটির বেসরকারি কনটেইনারবাহী ট্রেন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশের রেল নেটওয়ার্কে ব্যবসা করার অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে দুই দেশের আন্তসরকারি রেল বৈঠকে। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ স্পষ্ট জানিয়েছে, ভারতীয় কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের রেলপথে ট্রেন পরিচালনা করলে তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব ও দায়ভার ভারতীয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে।
গত ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও ভারতের ৩৮তম আন্তসরকারি রেল বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের প্রতিনিধিদলের প্রধানদের স্বাক্ষরিত বৈঠকের কার্যবিবরণীতে উভয় পক্ষের প্রস্তাব ও অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে মালবাহী ট্রেন পরিচালনা, সীমান্তবর্তী রেলপথের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পণ্য পরিবহনের নিয়ম পরিবর্তন এবং রেলওয়ের আর্থিক পাওনাসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে।
বর্তমানে ভারতের সরকারি ও বেসরকারি কনটেইনারবাহী ট্রেনগুলো বেনাপোল সীমান্তের বিপরীতে ভারতীয় অংশ পর্যন্ত পণ্য নিয়ে আসে। এরপর বাংলাদেশে প্রবেশ করা কনটেইনারগুলো স্থানীয় ট্রেইলার ট্রাকের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ডিপো কিংবা নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছানো হয়। ভারত এখন এই ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে নিজেদের বেসরকারি কনটেইনার ট্রেন সরাসরি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পরিচালনার সুযোগ চাইছে।
তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ প্রস্তাবে সরাসরি সম্মতি দেওয়া হয়নি। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ৩৭তম আন্তসরকারি রেল বৈঠকে যে অবস্থান জানানো হয়েছিল, এবারও সেটিই পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ মনে করে, বিদেশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ট্রেন দেশের রেলপথে চলাচল করলে পরিচালনাগত দায়িত্ব ও সম্ভাব্য দায়দায়িত্বের বিষয়টি আগে নিশ্চিত করা জরুরি। এ কারণে ভারতীয় রেলওয়েকে সম্পূর্ণ দায়ভার নেওয়ার শর্ত দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি পরবর্তী সময়ে উপযুক্ত পর্যায়ে আলোচনা করা যেতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
বৈঠকে সীমান্তবর্তী তিনটি গুরুত্বপূর্ণ রেলপথে দিন-রাত মালবাহী ট্রেন চালানোর প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। দর্শনা-গেদে, পেট্রাপোল-বেনাপোল এবং রোহনপুর-সিংহাবাদ রুটে বর্তমানে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ট্রেন পরিচালনার পরিবর্তে ২৪ ঘণ্টা সেবা চালুর আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটি।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত দুই বছরে এসব রুটে পণ্য পরিবহনের পরিমাণ কমে গেলেও সম্প্রতি তা আবার বাড়তে শুরু করেছে। ফলে আন্তসীমান্ত বাণিজ্যের প্রকৃত চাহিদা ও পরিবহনের পরিমাণ বিবেচনা করে ২৪ ঘণ্টা ট্রেন পরিচালনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।
রোহনপুর-সিংহাবাদ রুটে বাংলাদেশের ট্রেন গ্রহণের গতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ভারতীয় পক্ষের অভিযোগ, বাংলাদেশে ট্রেন গ্রহণের প্রক্রিয়া ধীর হওয়ায় তাদের ওয়াগন ও ইঞ্জিন দীর্ঘ সময় আটকে থাকে। এতে পণ্য পরিবহনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
জবাবে বাংলাদেশ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের আগস্টে পাঁচটি আন্তবিনিময় পয়েন্ট দিয়ে মোট ৫৭টি মালবাহী ট্রেনের রেক গ্রহণ করা হয়েছে। তবে রোহনপুর-সিংহাবাদ রুটে পর্যাপ্ত ইঞ্জিন, জনবল ও রেললাইনের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ অবস্থায় ওই রুটে আরও বেশি রেক গ্রহণ করা কঠিন। বিকল্প হিসেবে অন্য সীমান্তবর্তী আন্তবিনিময় পয়েন্ট ব্যবহার করে অতিরিক্ত পণ্য পরিবহনের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ।
পণ্য পরিবহনের সুবিধা বাড়াতে পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন রেলস্টেশনের সক্ষমতা উন্নয়নের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। ভারতীয় পক্ষ পণ্য ওঠানো-নামানোর স্টেশনগুলোর অবকাঠামো সম্প্রসারণের অনুরোধ জানিয়েছে।
বাংলাদেশ জানিয়েছে, ইতিমধ্যে ১২টি পণ্য খালাস স্টেশনে ট্রেন দাঁড় করানোর উপযোগী রেললাইনের দৈর্ঘ্য বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সিরাজগঞ্জ বাজার, ইব্রাহিমাবাদ, নওয়াপাড়া, ফরিদপুর ও উল্লাপাড়া স্টেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ চলছে। ভারতীয় ওয়াগনের অবস্থানকাল পাঁচ দিনের নিচে নামিয়ে আনতে রেলইয়ার্ডের ধারণক্ষমতা ও প্রয়োজনীয় জনবল সমন্বয়ের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সীমান্তে পণ্যবাহী ট্রেনের জট কমাতে ভারত থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পণ্য স্টেশনে সরাসরি বুকিং চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত পুনর্বুকিং পদ্ধতির পরিবর্তে এই ব্যবস্থা চালু হলে পণ্য পরিবহনের প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আসবে।
তবে বাংলাদেশ এ প্রস্তাবেও আপাতত সম্মতি দেয়নি। বাংলাদেশের বক্তব্য অনুযায়ী, সরাসরি বুকিং চালু করতে হলে দুই দেশের রেল ট্রাফিক বিনিময়সংক্রান্ত মৌলিক ও সম্পূরক বিধিমালায় সংশোধন আনতে হবে। পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ স্টেশনগুলোর ওয়াগন গ্রহণের সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় অতিরিক্ত চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব কারণে বর্তমান পুনর্বুকিং ব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে অবস্থান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
ভারতীয় পক্ষ মালবাহী ওয়াগনের বহনক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়েও প্রস্তাব দিয়েছে। দেশটি বিসিএন ও বিসিএনএ ধরনের ওয়াগনের অনুমোদিত বহনক্ষমতা যথাক্রমে ৬৩ ও ৬৬ টনে উন্নীত করতে চায়। তবে বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলের সব রেললাইন, সেতু ও কালভার্ট এত বেশি ওজন বহনের উপযোগী নয় বলে জানানো হয়েছে। নির্দিষ্ট রুটের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাওয়া গেলে কারিগরি সক্ষমতা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ।
বেনাপোল দিয়ে পূর্ণদৈর্ঘ্যের কনটেইনার ট্রেন পরিচালনার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। ভারত সেখানে ৪৫ ওয়াগনের ট্রেন গ্রহণের পাশাপাশি পরিবহন ভাড়া পুনর্বিবেচনা এবং ওপরের অংশ খোলা কনটেইনার চলাচলের অনুমতি চেয়েছে।
বাংলাদেশ জানিয়েছে, বেনাপোলে ৪৫ ওয়াগনের পূর্ণদৈর্ঘ্যের ট্রেন গ্রহণের সুযোগ থাকলেও ওপরের অংশ খোলা কনটেইনার থেকে পণ্য খালাসের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নেই। ফলে এ ধরনের কনটেইনার পরিচালনায় অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
এ ছাড়া যশোরসহ চারটি স্টেশনে শুল্ক কার্যক্রম চালুর প্রস্তাব দেয় ভারত। বাংলাদেশ যশোরে এ সুবিধা চালুর বিষয়ে অসম্মতি জানিয়েছে। তবে নওয়াপাড়ায় শুল্কসুবিধা চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই করা যেতে পারে বলে মত দিয়েছে।
ঢাকার কমলাপুর অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ডিপো থেকে ভারতে পণ্য পরিবহনের বিষয়টিও আলোচনায় আসে। বাংলাদেশ জানিয়েছে, ধীরাশ্রমে নতুন অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ডিপো চালু হওয়ার পর এ প্রস্তাব বিবেচনা করা হবে।
দুই দেশের রেল যোগাযোগ সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলার নিশ্চিন্তপুর পর্যন্ত মালবাহী ট্রেন চালানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা থেকে নিশ্চিন্তপুর পর্যন্ত যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর বিষয়টিও উঠে এসেছে।
তবে এসব রুটে নতুন সেবা চালুর আগে সম্ভাব্য যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের চাহিদা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রয়োজন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ। এ জন্য ভারতকে আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহনের সম্ভাব্য চাহিদার পূর্বাভাস এবং আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়েছে।
বৈঠকে চলমান রেল উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়। কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেলসংযোগ প্রকল্পের কাজ ধীরগতিতে চলার পেছনে ভারতীয় ঠিকাদারের আর্থিক সংকট, নির্মাণসামগ্রীর ঘাটতি এবং প্রকল্প ব্যয়সংক্রান্ত জটিলতার কথা তুলে ধরেছে বাংলাদেশ।
অন্যদিকে ভারতীয় পক্ষ সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের পাওনা ৪৫ কোটি টাকা মূল্য সংযোজন কর পরিশোধের অনুরোধ জানিয়েছে। ঢাকা-টঙ্গী-জয়দেবপুর রেল প্রকল্পের নির্মাণসামগ্রী দ্রুত সরবরাহের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে ভারত।
দুই দেশের রেলওয়ের মধ্যে আর্থিক পাওনা নিয়েও মতপার্থক্য রয়েছে। ভারতীয় রেলওয়ের দাবি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত তাদের পাওনা দাঁড়িয়েছে ৩৯০ কোটি ৯৯ লাখ রুপি। অন্যদিকে বাংলাদেশের হিসাব অনুযায়ী, ভারতীয় রেলওয়ের কাছে বাংলাদেশের নিট পাওনা রয়েছে ২১৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।
যাত্রীবাহী ট্রেন পরিচালনার হিসাবেও বকেয়া রয়েছে। বাংলাদেশ জানিয়েছে, ভারতকে ৫০ কোটি টাকা পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুই পক্ষ নিয়মিত হিসাব হালনাগাদ এবং পাওনা সমন্বয়ের বিষয়ে একমত হয়েছে।
মালবাহী ট্রেনের পাশাপাশি যাত্রীবাহী রেল যোগাযোগ নিয়েও কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। বন্ধন এক্সপ্রেসে যাত্রার শুরু ও শেষ স্টেশনে শুল্ক এবং অভিবাসন কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধা চালুর কথা জানিয়েছে দেশটি। একই সঙ্গে পদ্মা সেতু ব্যবহার করে মৈত্রী এক্সপ্রেস চালানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশ জানিয়েছে, বন্ধন এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রে যাত্রীদের চাহিদা ও বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আর পদ্মা সেতু দিয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস পরিচালনার বিষয়ে ভারতকে কূটনৈতিক মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়েছে।
এদিকে যাত্রীবাহী ট্রেনে পার্সেল পরিবহনের জন্য বিশেষ লাগেজ ভ্যান সংযুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। ভারত এতে নীতিগত সম্মতি জানালেও বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব চেয়েছে।
বৈঠকে রেলপথের বিদ্যুতায়ন, পরিচালনাবিধি হালনাগাদ, স্টেশন উন্নয়ন এবং রেলকর্মীদের প্রশিক্ষণ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের পরবর্তী আন্তসরকারি রেল বৈঠক ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে এবারের বৈঠকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনার বাইরে থেকে গেছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধ থাকা তিনটি জনপ্রিয় যাত্রীবাহী ট্রেন পুনরায় চালুর বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়া রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. জিয়াউল হক জানিয়েছেন, যাত্রীবাহী ট্রেন পুনরায় চালুর বিষয়টি সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। বৈঠকে বাংলাদেশের নির্ধারিত আলোচ্যসূচির বিষয়গুলো নিয়েই আলোচনা হয়েছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল হক মনে করেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে যোগাযোগ ও বাণিজ্যসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক মতপার্থক্য এবং অর্থনৈতিক স্বার্থকে আলাদাভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তার মতে, আন্তর্জাতিক আলোচনায় দেশের জন্য লাভজনক বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর বিশেষায়িত জ্ঞান ও গবেষণার সীমাবদ্ধতা কার্যকর দর-কষাকষির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে।
সব মিলিয়ে এবারের আন্তসরকারি রেল বৈঠকে ভারত বাংলাদেশের রেলপথ ব্যবহার করে পণ্য পরিবহনের সুযোগ সম্প্রসারণে একাধিক প্রস্তাব দিয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ নিরাপত্তা, অবকাঠামোগত সক্ষমতা, পরিচালনাগত দায়িত্ব এবং আর্থিক স্বার্থ বিবেচনায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। ফলে ভারতীয় বেসরকারি মালবাহী ট্রেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চলাচলের অনুমতি পাবে কি না, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে আরও আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি ও নীতিগত সিদ্ধান্তের ওপরই বিষয়টির অগ্রগতি নির্ভর করবে।

