Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, মে 8, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » শীর্ষ ১০০ ঋণখেলাপির পকেটে দেশের ৩৮ হাজার কোটি টাকা
    অর্থনীতি

    শীর্ষ ১০০ ঋণখেলাপির পকেটে দেশের ৩৮ হাজার কোটি টাকা

    মনিরুজ্জামানজুলাই 31, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    শীর্ষ ১০০ ঋণখেলাপির পকেটে দেশের ৩৮ হাজার কোটি টাকা
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি জাতীয় সংসদের অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির কাছে দেশের শীর্ষ ১০০ ঋণখেলাপির তালিকা তুলে ধরে। এই তালিকায় দেখা গেছে, শুধু একটি প্রতিষ্ঠান‘ইউনাইটেড অ্যারাবিয়ান অ্যামিরেটস ‘ট্রেডিং’ (ইউনাইটেড গ্রুপের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান) একাই খেলাপি ৯ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে কোনো একক প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের রেকর্ড।

    এরপর দ্বিতীয় অবস্থানে আছে চৌধুরী গ্রুপ, যাদের খেলাপি ২ হাজার ৬৬৯ কোটি টাকা। তৃতীয় অবস্থানে থাকা আরএমএম গ্রুপ খেলাপি ২ হাজার ৪২২ কোটি টাকা। এ ছাড়া তালিকায় রয়েছে টিআরএল গ্রুপ, বিআইএফসি (বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি), বেক্সিমকো গ্রুপ, হাফিজ গ্রুপ, ক্রিসেন্ট গ্রুপ, ডেল্টা গ্রুপ, ম্যাক্স গ্রুপ ও মোজাম্মেল হক গ্রুপ। অনেক প্রতিষ্ঠান আবার একাধিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে খেলাপি হয়েছে। কিছু প্রতিষ্ঠান বহু বছর আগেই বন্ধ হয়ে গেলেও ঋণ পরিশোধ করেনি। কেউ কেউ আবার পরিশোধে অনাগ্রহ দেখিয়ে পুনঃতফসিল, ছাড় ও আদালতের সহায়তায় বারবার সময় নিয়েছে।

    রাজনীতি ও প্রভাবশালীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে টিকে থাকা ঋণখেলাপিরা:

    অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, যারা শত শত কোটি টাকা নিয়ে খেলাপি হয়েছে, তাদের অনেকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী। ফলে বছরের পর বছর ঋণ ফেরত না দিলেও তারা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে আবারও ঋণ সুবিধা পেয়েছে।

    বাংলাদেশে ঋণ আদায়ের আইনি প্রক্রিয়া যেমন দীর্ঘ ও জটিল, তেমনি ব্যাংক ও প্রশাসনের দুর্বলতাও তাদের সহায়তা করে। অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংক কর্মকর্তারাই কমিশন কিংবা সুবিধা নিয়ে প্রভাবশালী খেলাপিদের সহায়তা করেছেন। আবার কিছু খেলাপি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে প্রভাব বিস্তার করেছে ব্যাংক ও আদালতের ওপর। এ প্রসঙ্গে এক ব্যাংক বিশ্লেষক বলেন, “খেলাপিরা শুধু অর্থনীতি নয়, আইনের শাসন ও নৈতিকতাকেও ধ্বংস করছে। যারা ১০ বছর ধরে কোনো কিস্তি না দিয়েও ব্যাংকের বোর্ডে থাকেন, তারা আসলে গোটা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করছেন।

    খেলাপির তালিকা বড় হচ্ছে, দায় নিতে কেউ প্রস্তুত নয়:

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চ শেষে দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে শীর্ষ ১০০ খেলাপির কাছেই আছে প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। অর্থাৎ মাত্র ১০০ জন প্রতিষ্ঠানের কারণেই দেশের ব্যাংকিং খাতের বড় একটি অংশের তারল্য চাপে পড়েছে। এই খেলাপিদের বিরুদ্ধে এখনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভবিষ্যতে সমস্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা। খেলাপি ঋণ আদায়ে বিদ্যমান আইনি কাঠামো, আদালতের ধীরগতি, এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ব্যাংক খাতকে আরও ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।

    দায় এড়ানোর প্রবণতা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব:

    সরকার ও বাংলাদেশ  ব্যাংক অনেক সময়েই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বললেও বাস্তবে তা দেখা যায় না। বরং যেসব ব্যাংক বড় খেলাপিদের ঋণ পুনঃতফসিল করে সুবিধা দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, খেলাপি সংস্কৃতি বন্ধ করতে হলে কেবল তালিকা প্রকাশ নয়, তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া তা সম্ভব নয়। কারণ, খেলাপিদের বড় একটি অংশই কোনো না কোনোভাবে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ত।

    দেশের ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন আর শুধু খেলাপি নয়—বরং খেলাপি ঋণকে প্রশ্রয় দেওয়ার সংস্কৃতি। শীর্ষ ১০০ ঋণখেলাপির তালিকা তা আরও স্পষ্ট করে দিয়েছে। যদি তাদের বিরুদ্ধে এখনই আইনগত ও অর্থনৈতিকভাবে শক্ত পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে নিকট ভবিষ্যতে পুরো আর্থিক খাতই গভীর সংকটে পড়বে। এই সংকট মোকাবেলায় সরকার, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং বিচার বিভাগের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন—অন্যথায় আস্থা ও স্থিতিশীলতা দুটোই হারাবে ব্যাংকিং খাত।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    মতামত

    ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেন কোনো গণবিক্ষোভ আন্দোলনের জন্ম দেয়নি?

    মে 8, 2026
    মতামত

    বৈশ্বিক বিচ্ছিন্নতা সত্ত্বেও কি ইসরায়েলের যুদ্ধ অর্থনীতি টিকে থাকবে?

    মে 8, 2026
    সাক্ষাৎকার

    আইসিসি প্রসিকিউটর তাকে অপসারণের জন্য রাষ্ট্রগুলোর ‘বিপজ্জনক’ প্রচেষ্টা তুলে ধরেছেন

    মে 8, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.