Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, আগস্ট 19, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » মার্কিন শুল্কনীতি: বাংলাদেশের জন্য যে চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে
    অর্থনীতি

    মার্কিন শুল্কনীতি: বাংলাদেশের জন্য যে চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে

    মনিরুজ্জামানআগস্ট 15, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বর্তমান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক এখন একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে গেছে। বিশ্ববাণিজ্যে প্রভাবশালী দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র অন্যতম। তারা কেবল শুল্কহার বা বাণিজ্যচুক্তির মাধ্যমেই নয়, বরং ভূরাজনৈতিক কৌশল ও প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমেও বৈশ্বিক অর্থনীতির গতিপথ নির্ধারণ করছে।

    তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রভাব সব সময় অর্থনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন নয়; এর পেছনে রাজনৈতিক অগ্রাধিকার, কৌশলগত জোট এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জটিল সমীকরণও কাজ করে। ভারতের সংবাদ মাধ্যম দ্য হিন্দুতে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি সব সময় বাণিজ্যঘাটতির ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় না; বরং রাজনৈতিক পছন্দ-অপছন্দ ও কূটনৈতিক অগ্রাধিকারই প্রভাব ফেলে বেশি।

    এ বাস্তবতায় বাংলাদেশের মতো উদীয়মান অর্থনীতির জন্য নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বৈষম্যমূলক শুল্কনীতি, ভারতের সঙ্গে তুলনামূলক অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ বাণিজ্যের কৌশল—সবকিছু নিয়ে সমসাময়িক বিশ্লেষণ জরুরি হয়ে পড়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যঘাটতি ও শুল্কের বৈষম্য:

    ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যঘাটতি ছিল প্রায় ৪৯ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অথচ মেক্সিকোর সঙ্গে ঘাটতি ১৭৫ দশমিক ৯ বিলিয়ন, ভিয়েতনামের সঙ্গে ১২৯ দশমিক ৪ বিলিয়ন, জার্মানির সঙ্গে ৮৭ দশমিক ৯ বিলিয়ন, আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে ৮৭ দশমিক ২, তাইওয়ানের সঙ্গে ৭৬ দশমিক ৪, জাপানের সঙ্গে ৭২ দশমিক ৩ ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ৬৯ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ ভারতের তুলনায় এ দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাটতি অনেক বেশি।

    তবু ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে আসছিল, যা ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে দেন। ফলে বর্তমানে ভারতীয় পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশ। উপরিউক্ত অনেক দেশের ওপর শুল্কহার এর চেয়ে অনেক কম। কেবল চীন (৩০%) ও কানাডা (৩৫%) এই উচ্চহারভুক্ত। এটি প্রমাণ করে, ভারত ও বাংলাদেশের মতো দেশের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বাস্তবতার চেয়ে রাজনৈতিক ও কৌশলগত হিসাব বেশি প্রভাবশালী।

    রাজনীতি বনাম অর্থনীতি ভারতের অভিজ্ঞতা:

    ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ভারতকে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা হিসেবে সমালোচনা করেছেন, যদিও ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ চলাকালে ইউরোপই ছিল রাশিয়ার সবচেয়ে বড় জ্বালানি আমদানিকারক। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী:

    • রাশিয়ার এলএনজি রপ্তানির ৫১ শতাংশ গেছে ইউরোপে
    • পাইপলাইনের গ্যাসের ৩৭ শতাংশ গেছে ইউরোপে
    • অপরিশোধিত তেলের ৪৭ শতাংশ চীনে, ৩৮ শতাংশ ভারতে, আর মাত্র ৬ শতাংশ গেছে ইউরোপ ও তুরস্কে

    এ থেকে বোঝা যায়, শুল্ক আরোপ প্রায়ই রাজনৈতিক কারণে হয়ে থাকে। ভারতের ক্ষেত্রে উচ্চ শুল্ক সত্ত্বেও মার্কিন বাজারে তাদের রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হয়নি; বরং প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি ও কৌশলগত সহযোগিতায় দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে।

    বাংলাদেশের বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ:

    বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যঘাটতি প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে ভিয়েতনামের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাটতি প্রায় ১২৫ বিলিয়ন ডলার—বাংলাদেশের চেয়ে ২০ গুণ বেশি। তবু ভিয়েতনামের ওপর শুল্ক ২০ শতাংশ, আর বাংলাদেশের ওপর ছিল ৩৫ থেকে ৩৭ শতাংশ। এটি অর্থনৈতিক ঘাটতির অনুপাত নয়, বরং ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন।

    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ‘পারস্পরিক শুল্কনীতি’ অনুযায়ী উচ্চ ঘাটতির দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের কথা। কিন্তু বাংলাদেশের ঘাটতি কম হলেও শুরুতে বেশি শুল্ক ধার্য করা হয়েছিল, যা স্পষ্ট বৈষম্য।

    বাংলাদেশ মার্কিন কৃষিপণ্য (গম, সয়াবিন, তুলা), এলএনজি, সামরিক সরঞ্জাম ইত্যাদি আমদানি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় এবং ২৫টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি করে। ৫ বছরের জন্য ৭ লাখ টন গম আমদানির চুক্তিও হয়। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র ২০২৫ সালের আগস্ট থেকে বাংলাদেশের শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে, যা প্রস্তুত পোশাকশিল্পের জন্য প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা আনবে।

    ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ: এলডিসি থেকে উত্তরণ

    বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের পর আর শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে না। এতে আমেরিকান বাজারে প্রবেশ ব্যয়বহুল হবে এবং প্রতিযোগিতা বাড়বে। জিএসপি–সুবিধা বন্ধ হওয়ার পর রপ্তানিকারকেরা আগেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ভবিষ্যতে শুল্ক বেড়ে গেলে পোশাক ও চামড়াশিল্প বড় ধাক্কা খেতে পারে।

    এ অবস্থায় আমাদের কয়েকটি বিষয়ের ওপর জোর দিতে হবে। প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ–নির্ভরতা কমিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে নতুন বাজার তৈরি করতে হবে। অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করা করতে হবে; প্রয়োজনে টিফার আওতায় নতুন আলোচনা শুরু করতে হবে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় বৈষম্যমূলক শুল্কের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে হবে। উন্নত প্রযুক্তি, টেকসই উৎপাদন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা, তরুণ মেধা কাজে লাগাতে হবে।

    রাজনীতি না অর্থনীতি?

    প্রশ্ন হলো, যুক্তরাষ্ট্র কি কেবল বাণিজ্যঘাটতির ভিত্তিতে শুল্ক নির্ধারণ করে, নাকি ভূরাজনৈতিক হিসাব বেশি গুরুত্বপূর্ণ? ভিয়েতনাম বা জাপানের সঙ্গে উচ্চ ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও কম শুল্ক, আবার ভারতের মতো দেশের ক্ষেত্রে উচ্চ শুল্ক এবং বাংলাদেশের তুলনামূলকভাবে কম ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও বেশি শুল্ক—সবই প্রমাণ করে, অর্থনীতির পেছনে রাজনৈতিক কারণ কাজ করছে।

    বাংলাদেশের শিক্ষা হলো—বাণিজ্য এখন শুধু অর্থনৈতিক বিষয় নয়; কূটনৈতিক সম্পর্ক, প্রতিরক্ষা চুক্তি, প্রযুক্তি সহযোগিতা ও রাজনৈতিক অভিমুখই শুল্কনীতিকে প্রভাবিত করছে। তাই বাংলাদেশের প্রয়োজন দূরদর্শী নীতি, বাণিজ্যিক বিচক্ষণতা ও আন্তর্জাতিক ফোরামে সক্রিয় উপস্থিতি।

    এ অবস্থায় আমাদের কয়েকটি বিষয়ের ওপর জোর দিতে হবে। প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ–নির্ভরতা কমিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে নতুন বাজার তৈরি করতে হবে। অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করা করতে হবে; প্রয়োজনে টিফার আওতায় নতুন আলোচনা শুরু করতে হবে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় বৈষম্যমূলক শুল্কের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে হবে। উন্নত প্রযুক্তি, টেকসই উৎপাদন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা, তরুণ মেধা কাজে লাগাতে হবে।

    সূত্র: প্রথম আলো

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বাংলাদেশ বিশ্বের ২৪তম বৃহত্তম কৃষি অর্থনীতি, উৎপাদন মূল্য ৩৪ বিলিয়ন ডলার

    আগস্ট 19, 2026
    অর্থনীতি

    ঘুরে দাঁড়াচ্ছে কি অর্থনীতি? ফাহমিদা খাতুনের বিশ্লেষণে বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস

    আগস্ট 19, 2026
    অর্থনীতি

    এলডিসি উত্তরণের আগে বড় প্রস্তুতি, তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে বাংলাদেশ

    আগস্ট 19, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.