Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুন 16, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কার: অগ্রগতি কি যথেষ্ট?
    অর্থনীতি

    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কার: অগ্রগতি কি যথেষ্ট?

    মনিরুজ্জামানআগস্ট 24, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    হাসিনা যুগের শেষ দিকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চ্যালেঞ্জ বেড়েছে। মূল্যস্ফীতি উর্ধ্বমুখী, ব্যাংক খাত সংকটের মুখে এবং রিজার্ভের ঘাটতি তীব্র। ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক ঋণ দেশের আর্থিক স্বাস্থ্যকে চাপের মধ্যে ফেলেছে। বছরের পর বছর ধরে সরকারের জনতুষ্টিমূলক ব্যয় এবং নিয়ন্ত্রণমূলক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল করার কারণে পরিস্থিতি নাজুক। ব্যাংকিং ব্যবস্থা ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে, আর বিনিয়োগকারীদের আস্থা ঐতিহাসিকভাবে নিম্নস্তরে নেমেছে।

    জনগণের অর্থ বড় অংশে ব্যবহার হয়েছে দলীয় কর্মসূচিতে। প্রায়ই এই ব্যয় ডিজিটালাইজেশন বা আইটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আড়ালে করা হয়েছে। এর ফলে অর্থ অপচয় হয়েছে। বহুল আলোচিত মেগা প্রকল্পগুলোও বাজেটকে চাপ দিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উচ্চ ব্যয়, দুর্বল শাসন ব্যবস্থা এবং প্রশ্নবিদ্ধ আয় দেশের আর্থিক ভার বহন করছে।

    ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে আমি প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ায় (পিটিআই) লিখেছিলাম, ২০২৫ সালের মধ্যে একটি বড় ধরনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় ছাড়া গণতান্ত্রিক স্বৈরাচারের অধীনে বাংলাদেশের অর্থনীতির টিকে থাকা একটি অলৌকিক ঘটনা হবে। কিন্তু আমার অনুমানের চেয়ে অনেক আগেই হাসিনার শাসনের পতন ঘটে, যা ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে একটি বিধ্বস্ত দেশ ও ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে যায়। এ অর্থনীতির জরুরি ভিত্তিতে কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন ছিল।

    অন্তর্বর্তী সরকার যখন ক্ষমতা গ্রহণ করে, তখন সুদূরপ্রসারী সংস্কার কর্মসূচি হাতে নেয়া ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো বিকল্প ছিল না। এটি কোনো বিলাসিতা ছিল না, বরং ছিল এক চরম বাধ্যবাধকতা, যার উদ্দেশ্য ছিল সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করা এবং হাসিনা-পরবর্তী বাংলাদেশের জন্য উন্নয়নের নতুন এজেন্ডা নির্ধারণ করা। এক বছর পেরিয়ে এখন প্রশ্ন করা প্রাসঙ্গিক: কোন কোন ক্ষেত্রে সংস্কার সাফল্য এনেছে, কোথায়-বা এটি ব্যর্থ হয়েছে এবং সামনে কী করা উচিত?

    অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কার: সাফল্য ও ঘাটতি

    গত এক বছরে একটি দৃশ্যমান সাফল্য হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে। সরকার খাদ্যমূল্য স্থিতিশীল করতে কিছু লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ নিয়েছে। যেমন আমদানি চ্যানেলগুলোর কঠোর তদারকি, বাফার স্টক ছাড় এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় জোরদার করা, ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা কমেছে। যদিও সাধারণ মানুষ এখনো জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে, তবে মূল্যবৃদ্ধির গতি এক বছর আগের তুলনায় ধীর হয়েছে, যা মজুরি উপার্জনকারীদের কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে।

    ব্যাংক খাত স্থিতিশীল করার ক্ষেত্রেও কিছু অগ্রগতি হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো মন্দ ঋণ (এনপিএল), রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ঋণখেলাপি এবং তারল্য সংকটে জর্জরিত ছিল। অন্তর্বর্তী সরকার কঠোর ঋণ শ্রেণীকরণ বিধি এবং দুর্বল প্রতিষ্ঠানগুলোর একীভূতকরণের মাধ্যমে কিছুটা আস্থা ফিরিয়ে এনেছে। আমানতকারীদের আস্থা বেড়েছে, যদিও মূল দুর্বলতাগুলো এখনো রয়ে গেছে।

    এর পরও রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর তারল্য সরবরাহ ছিল অপর্যাপ্ত। সোনালী, অগ্রণী, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল এখনো উচ্চ মাত্রার অকার্যকর ঋণের বোঝায় জর্জরিত এবং রাজনৈতিক সুবিধাভোগীদের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা তহবিল পুনরুদ্ধারে ব্যর্থ হয়েছে। অর্থ খাতের বাইরে সংস্কারের গতি ছিল অমসৃণ। শ্রমবাজার একটি বড় সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হলেও তা কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি।

    অভ্যন্তরীণভাবে শ্রমবাজারে নতুন তরুণদের আগমনের তুলনায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি পিছিয়ে ছিল। কৃষিসংযুক্ত ভ্যালু চেইন বা ক্ষুদ্র আকারের উৎপাদন শিল্পের মতো শ্রমঘন খাতে বিনিয়োগ ছিল দুর্বল। অপর্যাপ্ত সামাজিক নিরাপত্তা জালের সঙ্গে এটি যুক্ত হয়ে দারিদ্র্য বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে। চরম দারিদ্র্যের হার ৭ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ৩ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের।

    বৈদেশিক বাজারের দিক থেকে প্রবাসী শ্রমবাজার পর্যাপ্ত সহায়তা পায়নি। নতুন দ্বিপক্ষীয় চুক্তি, উন্নত প্রশিক্ষণ ও অভিবাসীদের জন্য শক্তিশালী সুরক্ষার এখনো অভাব রয়েছে। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় বাংলাদেশী কর্মীদের জন্য খোলা হবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো বিদ্যমান, যদিও জাপানে দক্ষ জনশক্তি রফতানিতে সহযোগিতার অঙ্গীকার একটি আশার আলো দেখাচ্ছে।

    রাজস্ব আহরণের দিকটিও হতাশাজনক ছিল। সরকার ২০২৫ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। কর, শুল্ক ও ভ্যাট কর্মকর্তাদের সমর্থন ছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংস্কারের প্রচেষ্টা রাজনৈতিক অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন ফাংশনগুলোকে আলাদা ইউনিটে—রাজস্ব নীতি এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা—বিভক্ত করলে ২০২৮ সালের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত বর্তমানের ৮-৯ শতাংশে এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে কিনা তা এখনো অনিশ্চিত।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংস্কার একটি জরুরি কিন্তু অসমাপ্ত এজেন্ডা হিসেবে রয়ে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং দুর্বল নীতি প্রয়োগের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় ছিল। অন্তর্বর্তী সরকার পেশাদারত্ব আনার কথা বললেও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ—যেমন কার্যনির্বাহী স্বাধীনতা বাড়ানো, তত্ত্বাবধায়ক কাঠামোকে আধুনিকীকরণ এবং নীতিকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত রাখা—এখনো নেয়া হয়নি। এ ধরনের সংস্কার ছাড়া ব্যাংকিং স্থিতিশীলতায় অর্জিত সাফল্য সাময়িক হতে পারে।

    সর্বোপরি আরেকটি হতাশার জায়গা হলো চুরি করা অর্থ পুনরুদ্ধার। বছরের পর বছর ধরে বাণিজ্যসংক্রান্ত চালানে ফাঁকিজুঁকি দেয়া হয়েছে, অবৈধ স্থানান্তর এবং ক্রয়সংক্রান্ত দুর্নীতির মাধ্যমে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে। জনসাধারণের কাছে প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও প্রকৃত পুনরুদ্ধার ছিল নগণ্য। বিশ্বাসযোগ্য আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব ও শক্তিশালী দেশীয় তদন্তক্ষমতা ছাড়া এ সমস্যা টিকে থাকবে।

    অলিগার্ক শ্রেণীকে নিয়ন্ত্রণ:

    বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাস থেকে দেখা যায়, স্বৈরাচারী শাসন কেবল রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মাধ্যমেই নয়, বরং একটি শক্তিশালী অলিগার্ক শ্রেণীর উত্থানের মাধ্যমেও টিকে ছিল। এ অলিগার্করা—রাজনৈতিক আনুগত্যসম্পন্ন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী—ক্ষমতাসীন দলগুলোকে অর্থায়ন করে, প্রধান শিল্পগুলো দখল করে এবং গণমাধ্যম ও সংসদে তাদের প্রভাব বিস্তার করে স্বৈরাচারী কাঠামোকে সুসংহত করে। অর্থ ও রাজনীতির এ সংমিশ্রণ এমন একটি ‘‌প্লুটোক্রেসি’ বা বিত্তবানদের শাসন তৈরি করেছে, যেখানে অর্থনৈতিক ক্ষমতা নির্বিঘ্নে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণে রূপান্তর হয়।

    এটি কেবল বাংলাদেশের জন্যই অনন্য নয়। ফিলিপাইন থেকে মালয়েশিয়া পর্যন্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে স্বৈরাচারী চুক্তি টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে অলিগার্করা ছিল কেন্দ্রীয় চরিত্র। নীতির চ্যালেঞ্জটি দ্বিমুখী: অলিগার্কদের বাজার একচেটিয়া করা থেকে বিরত রাখা এবং রাজনীতিতে তাদের নিয়ন্ত্রণ সীমিত করা।

    কী করা উচিত?

    প্রথমত, নির্বাচনী প্রচারণার অর্থায়ন এবং দলের তহবিল সংগ্রহের শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য। অর্থভিত্তিক রাজনীতি অলিগার্কদের সংসদীয় আসন কেনা এবং নিজেদের সুবিধার জন্য আইন প্রণয়ন করতে উৎসাহিত করে। একটি স্বচ্ছ প্রকাশ ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক অনুদানের সীমা নির্ধারণ করে এ অসম প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রকে সমান করা যেতে পারে।

    দ্বিতীয়ত, নিয়ন্ত্রণমূলক কর্তৃপক্ষগুলোকে অলিগার্কদের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করতে হবে। টেলিকম, জ্বালানি ও ব্যাংকিংয়ের মতো খাতগুলোয় অলিগার্করা দীর্ঘদিন ধরে তাদের প্রভাব ব্যবহার করে লাইসেন্স, করছাড় বা সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করেছে। মালয়েশিয়া একটি নির্দেশনামূলক উদাহরণ মাহাথির-পরবর্তী বছরগুলোয় বাজারের একচেটিয়াত্ব সীমিত করতে প্রতিযোগিতা নীতি জোরদার করা হয়েছিল এবং স্বাধীন কমিশনগুলোকে মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই কাজ করার জন্য সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসন দেয়া হয়েছিল। বাংলাদেশেরও একই ধরনের সুরক্ষা প্রয়োজন।

    তৃতীয়ত, গণমাধ্যমের বহুত্ববাদ অবশ্যই রক্ষা করতে হবে। বাংলাদেশের অলিগার্করা নিজেদের বক্তব্য প্রতিষ্ঠা এবং ভিন্নমতকে দমন করার জন্য বিশাল গণমাধ্যম সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। এ ধরনের একচেটিয়াত্ব ভেঙে দেয়া, স্বাধীন সাংবাদিকতাকে সমর্থন করা এবং গণমাধ্যমের মালিকানায় অ্যান্টিট্রাস্ট তদারকি চালু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    সংক্ষেপে অলিগার্ক শ্রেণীকে নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনগত, নিয়ন্ত্রক ও রাজনৈতিক সংস্কারের একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এ ধরনের পদক্ষেপ ছাড়া গণতান্ত্রিক অর্জনগুলো ভঙ্গুরই থেকে যাবে।

    এম নিয়াজ আসাদুল্লাহ: গ্লোবাল লেবার অর্গানাইজেশনের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ক্লাস্টার প্রধান; ইউনিভার্সিটি অব রিডিংয়ের ভিজিটিং প্রফেসর; থাইল্যান্ডের চুলালংকর্ন ইউনিভার্সিটির অ্যাডজাঙ্কট প্রফেসর; বাংলাদেশের নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির প্রফেসরিয়াল ফেলো; বর্তমানে বাংলাদেশের আইসিটি খাতে দুর্নীতি তদন্তের জন্য একটি শ্বেতপত্র টাস্কফোর্সের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সূত্র: বনিক বার্তা

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বড় কর ছাড়ের পরও রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আশাবাদী এনবিআর

    জুন 15, 2026
    অর্থনীতি

    ১৪ লাখ চাকরির প্রতিশ্রুতি—কোথায় তৈরি হবে এই কর্মসংস্থান?

    জুন 15, 2026
    অর্থনীতি

    সংশোধিত বাজেটে ২ লাখ কোটি টাকার ঘাটতি, সংসদে ৩০৪ ছাঁটাই প্রস্তাব

    জুন 15, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.