Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুন 16, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » নিত্যপণ্যের দাম: আন্তর্জাতিক হ্রাস কি আমাদের বাজারে পৌঁছায় না?
    অর্থনীতি

    নিত্যপণ্যের দাম: আন্তর্জাতিক হ্রাস কি আমাদের বাজারে পৌঁছায় না?

    মনিরুজ্জামানআগস্ট 25, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বিশ্ববাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়লে বাংলাদেশেও দাম বাড়বে এবং কমলে কমবে—এটাই তাত্ত্বিকভাবে স্বাভাবিক। তবে বাস্তবতা ভিন্ন। আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যের সঙ্গে মিল রেখে এখানে নিত্যপণ্যের দাম খুব কম ক্ষেত্রেই নির্ধারিত হয়।

    বিশ্ববাজারের দাম বৃদ্ধি বা হ্রাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থানীয় বাজারে প্রতিফলিত হয় না। বিভিন্ন কারণের জন্য স্থানীয় বাজারের দাম স্থিতিশীল বা আন্তর্জাতিক দামের তুলনায় ভিন্ন রকম থাকে। উদাহরণস্বরূপ, পরিবহন খরচ, আমদানি শুল্ক, মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব এবং স্থানীয় উৎপাদন পরিস্থিতি দামকে প্রভাবিত করে।

    ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের সময় বিশ্ববাজারে নিত্যপণ্য—চাল, অপরিশোধিত সয়াবিন, চিনি, জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম বেড়ে গিয়েছিল অস্বাভাবিক হারে। দুই–আড়াই বছরে বিশ্ববাজারে এসব পণ্যের বেশির ভাগের দাম প্রায় অর্ধেকে নেমে এলেও বাংলাদেশের চিত্র ভিন্ন।

    বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের (বিটিটিসি) ১৮ আগস্টের প্রতিবেদনে দেখা যায়, থাইল্যান্ডে এখন ৫ শতাংশ ভাঙা চালের মেট্রিক টনপ্রতি দর ৩৮১ মার্কিন ডলার যা এক বছর আগে ছিল ৬১৬ ডলার। এক বছরে দাম কমেছে ৩৮ শতাংশ। অথচ বাংলাদেশে চালের দাম বরাবরই বাড়তির দিকে। বাংলাদেশ গত জুন পর্যন্ত আগের এক বছরে ১৪ লাখ টন চাল আমদানি করেছে। তারপরও দাম কমছে না। টিসিবির তথ্য অনুযায়ী গত মে মাসের শেষ দিকে ঢাকার বাজারে মোটা চালের দাম ছিল ৫২-৫৫ টাকা কেজি, যা এখন ৫৫ থেকে ৬০ টাকা।

    ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ শুরু করার পর বিশ্ববাজারে ভোজ্যতেল, চিনি, জ্বালানি তেল, গ্যাসসহ সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এর পেছনে বৈশ্বিক প্রভাবের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সরকারের ভুল নীতিও দায়ী বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদেরা। গত বছরের ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বেশ কিছু কর্মসূচি নেয়, যার ইতিবাচক প্রভাবও পড়তে শুরু করেছে। ডলারের দরপতন থামানো গেছে; বেড়েছে রপ্তানি, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ও প্রবাসী আয়ও।

    দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ মূল্যস্ফীতি নাটকীয়ভাবে কমাতে পারলেও বাংলাদেশ চলেছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। ২০২২ সালে দেউলিয়া হওয়া শ্রীলঙ্কায় মূল্যস্ফীতি এখন ঋণাত্মক, অর্থাৎ সেখানে পণ্যের দাম আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে কম। অর্থনৈতিক সংকটে পড়া পাকিস্তানে মূল্যস্ফীতি ২০২৩ সালে ৩৫ শতাংশ ছাড়িয়েছিল, যা নেমে দাঁড়িয়েছে ৪ শতাংশের কাছাকাছি। ভারতে মূল্যস্ফীতি ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ, নেপালে তা ২ দশমিক ৭২। এর বিপরীতে বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি গত জুলাই মাসে ছিল সাড়ে ৮ শতাংশের বেশি। অন্তর্বর্তী সরকার ডিসেম্বর নাগাদ মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার যে পরিকল্পনা নিয়েছে, সেটি বাস্তবায়িত হলেও বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে বেশ পিছিয়ে থাকবে।

    অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত কিংবা প্রবাসী আয়ের চেয়েও সাধারণ মানুষের কাছে নিত্যপণ্যের দামের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই অর্থনীতিবিদ সেলিম রায়হান বলেছেন, বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি যে হারে কমেছে, তাতে আত্মতৃপ্তির সুযোগ নেই। সাড়ে ৮ শতাংশ মূল্যস্ফীতির অর্থ হলো আগে ১০০ টাকায় যে পণ্য কেনা যেত, বর্তমানে সেই পণ্য কিনতে লাগবে ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা। কিন্তু গত এক বছরে মানুষের আয় তো সেই পরিমাণ বাড়েনি। অন্যদিকে বেকারত্ব বেড়েছে।

    অর্থনীতির অন্যান্য ক্ষেত্রের অর্জন ধরে রাখতে হলে মূল্যস্ফীতির পরিমাণ কমাতেই হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের সামনে দুটি উপায় আছে। সরকারি চ্যানেলে কম দামে খাদ্য সরবরাহ বাড়ানো এবং বাজার তদারকি জোরদার করা। বহু বছর ধরেই বাজার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য চলে এলেও অতীতে কোনো সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহলের চাপে। অন্তর্বর্তী সরকার সে চাপ উপেক্ষা করতে পারলে মূল্যস্ফীতি শ্রীলঙ্কার মতো ঋণাত্মক করতে না পারলেও সহনীয় মাত্রায় নিয়ে আসা অসম্ভব নয় বলে মনে করি। সূত্র: প্রথম আলো

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বড় কর ছাড়ের পরও রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আশাবাদী এনবিআর

    জুন 15, 2026
    অর্থনীতি

    ১৪ লাখ চাকরির প্রতিশ্রুতি—কোথায় তৈরি হবে এই কর্মসংস্থান?

    জুন 15, 2026
    অর্থনীতি

    সংশোধিত বাজেটে ২ লাখ কোটি টাকার ঘাটতি, সংসদে ৩০৪ ছাঁটাই প্রস্তাব

    জুন 15, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.