বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশে রেমিটেন্স পাঠাতে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে ১ শতাংশ হারে ট্যাক্স বসানো হয়েছে। বছরের প্রথম দিন, গত বৃহস্পতিবার থেকে এই বিধি কার্যকর হয়েছে।
নগদ, মানি অর্ডার বা অন্য যেকোনো ‘ক্যাশিয়ার চেকের’ মাধ্যমে রেমিটেন্স পাঠালে এই ট্যাক্স দিতে হবে। তবে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক হিসাব, গুগল পে, আপেল পে, ভিগো মানি বা ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের প্রি-পেইড ভিসা কার্ড ব্যবহার করলে ট্যাক্স ছাড়।
গত জুলাই মাসে কংগ্রেসে পাস হওয়া ‘বিউটিফুল বিগ বিল অ্যাক্টের’ আওতায় এই ট্যাক্স ব্যবস্থা চালু হয়েছে। প্রথমে বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা রেমিট্যান্স পাঠালে ট্যাক্স লাগবে না। কিন্তু বিলটি পাস হয়ে ট্রাম্পের সই হওয়ার পর দেখা গেল, সবাইকে এই ১ শতাংশ ট্যাক্স দিতে হবে।
নিউ ইয়র্ক সিটির ‘স্মৃতি মানি ট্র্যান্সফার’-এর প্রেসিডেন্ট মাহাবুবুর রহমান টুকু বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “নতুন বিধির আওতায় সিটিজেন, গ্রিনকার্ডধারী বা ওয়ার্ক পারমিটধারীসহ সবাইকে ট্যাক্স দিতে হবে। এর ফলে বৈধ পথে রেমিটেন্স পাঠানোর প্রক্রিয়ায় কিছুটা প্রভাব পড়বে, যা ভুক্তভোগী হবে আমাদের মতো লাইসেন্সধারী ব্যবসায়ীরা।”
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বৈধভাবে ৯৩ বিলিয়ন ডলার পাঠানো হয়েছে মেক্সিকো, ভারত ও বাংলাদেশের মতো দরিদ্র ও মধ্যম আয়ের দেশে। নতুন নীতির ধারাবাহিক হলে আগামী ১০ বছরে ট্রাম্প প্রশাসনের আয় হবে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার।

