রপ্তানি বাণিজ্যে প্রতিযোগী সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এক্সেসরিজ ‘পেপার এবং প্যাকেজিং’ পণ্যকে ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনীতে গতকাল শনিবার এই ঘোষণা দেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএপিএমইএ) সভাপতি বলেছেন, সরকারের এ উদ্যোগে আমরা অত্যন্ত খুশি। আমরা নতুন উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। দেশের তৈরি পোশাক খাতে ব্যবহৃত সব ধরনের এক্সেসরিজ আমরা সরবরাহ করি।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, এতদিন এক্সেসরিজ খাতের অবদানকে যথাযথভাবে দেখা হতো না। অথচ গত অর্থবছরে এক্সেসরিজ রপ্তানি হয়েছে ৭৪৮ কোটি ডলার। বর্ষপণ্য ঘোষণার ফলে এক্সেসরিজ খাতও অন্যান্য বড় রপ্তানি পণ্যের মতো সরকারি নীতিসহায়তা পাবার সুযোগ পাচ্ছে।
এক্সেসরিজ খাতের প্রধান সমস্যা হলো কাঁচামাল আমদানিতে শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা না পাওয়া। এই হার মোট আমদানির অন্তত ২০ শতাংশ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শুল্ক আরোপ ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত। আশা করা হচ্ছে, এবার এই সমস্যা সমাধান হবে।
দ্বিতীয় সমস্যা হলো নগদ সহায়তা। রপ্তানি খাতের অন্তত ২০ ধরনের পণ্য এই সুবিধা পায়। অথচ এক্সেসরিজ রপ্তানিতে এখন পর্যন্ত নগদ সহায়তা পাইনি। বর্ষপণ্য ঘোষণার পর এই সুবিধা পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তৃতীয় সমস্যা হলো মেশিনারিজ আমদানিতে কম শুল্ক সুবিধা না পাওয়া। বর্ষপণ্য ঘোষণার ফলে এই সুবিধাও পাওয়া যাবে। সব মিলিয়ে, এক্সেসরিজ শিল্পে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, উৎপাদন ও রপ্তানিতে বড় ধরনের আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

