Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, আগস্ট 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » দেশের অর্থনীতি বাজে ঋণের কবলে: অর্থনীতিবিদরা
    অর্থনীতি

    দেশের অর্থনীতি বাজে ঋণের কবলে: অর্থনীতিবিদরা

    মনিরুজ্জামানজানুয়ারি 5, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি অর্থনৈতিক নীতি আলোচনা সভায় অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাংলাদেশে ব্যাংকের হিসাবপত্রে থাকা বিপুল পরিমাণ নন-পারফর্মিং লোন দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ধরে রাখতে বাধা দিচ্ছে। এই ঋণ পরিস্থিতি মূল্যস্ফীতি বাড়াচ্ছে এবং বিনিয়োগকে স্থবির করছে।

    গতকাল রবিবার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এই আলোচনার শিরোনাম ছিল ‘মাসিক অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ’। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছে নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট, সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ট্রেড ডিপার্টমেন্ট

    আলোচনায় অংশ নেন নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর চেয়ারম্যান জায়েদি সাত্তার, প্রাক্তন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড -এর চেয়ারম্যান নাসিরউদ্দিন আহমেদ, প্রাক্তন ঢাকার চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সভাপতি আশরাফ আহমেদ, মেট্রোপলিটন চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সভাপতি কামরান টি রহমান এবং নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর নির্বাহী পরিচালক খুরশীদ আলম।

    ব্যাংকের বাজে ঋণ সংকট ও অর্থনীতি:

    নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান অর্থনীতিবিদ আশিকুর রহমান জানিয়েছেন, দেশের ব্যাংকের হিসাবপত্রে থাকা প্রায় ৬.৪ লাখ কোটি টাকার বাজে ঋণ যদি সমাধান না হয়, তাহলে বাংলাদেশ ‘চার খারাপ পরিস্থিতির’ মধ্যে আটকে যাবে—উচ্চ মূল্যস্ফীতি, উচ্চ সুদের হার, কম বিনিয়োগ এবং ধীর অর্থনৈতিক বৃদ্ধি।

    তিনি বলেন, “বর্তমান বাজে ঋণের  পরিমাণের কারণে বাংলাদেশ কোনো কার্যকর অর্থনৈতিক বৃদ্ধির কৌশল তৈরি করতে পারছে না। যদি ৬.৪ লাখ কোটি টাকা হিসাবপত্রে থেকে যায়, তাহলে সুদের হার ও মূল্যস্ফীতি উভয়ই উচ্চ থাকবে। সরকার বারবার নতুন টাকা ছাপাতে বাধ্য হবে, বিনিয়োগ স্থবির হবে এবং অর্থনীতি ধীরগতিতে চলবে।”

    আশিকুর আরও জানান, বাজে ঋণ এর প্রকৃত পরিমাণ আগে লুকানো ছিল হিসাবরক্ষণের কৌশলের মাধ্যমে। ২০২৪ সালের মার্চ কোয়ার্টারে প্রাইভেট কমার্শিয়াল ব্যাংকের বাজে ঋণের অনুপাত ছিল ৭%, যা এখন ৩৩%-এ পৌঁছেছে। এটি কোনো প্রাকৃতিক বৃদ্ধি নয়, বরং পূর্বে লুকানো ঋণ প্রকাশিত হওয়ার ফল। তিনি বলেন, “এটি আগে লুকানো ছিল ‘হিসাবরক্ষণের জাদু’ এবং বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে। এখন অ্যাসেট কোয়ালিটি রিভিউ ও কঠোর শ্রেণিবিন্যাস নীতির কারণে প্রকাশ হচ্ছে।” বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পাঁচটি সংযুক্ত ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, তারা এককভাবে ১.৪ লাখ কোটি টাকার বাজে ঋণ ধারণ করে, যা এখন ম্যানেজ করতে হবে।

    মেট্রোপলিটন চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সভাপতি কামরান টি রহমান বলেন, উচ্চ সুদের হার, নীতি সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যার কারণে ব্যবসা সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এখন “প্রতীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ” অবস্থায় রয়েছে।

    বাজে ঋণ সংকট মোকাবিলায় নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান অর্থনীতিবিদ আশিকুর রহমান প্রস্তাব দিয়েছেন: কিছু বাজে ঋণ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা কোম্পানিতে স্থানান্তর করা, কিছু ঋণ পুনর্গঠন করা এবং কিছু অংশের ঋণ বাতিল করা।

    মূল্যস্ফীতি ও ধীর বৃদ্ধি:

    ২০২২ সালের পর বৈদেশিক খাতের দুর্নীতিমূলক ব্যবস্থাপনার পর অর্থনীতি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল হয়েছে। তবে, বড় পরিমাণ বাজে ঋণ  থাকার কারণে বাংলাদেশ কোনো দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক বৃদ্ধির কৌশল তৈরি করতে পারছে না। নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান অর্থনীতিবিদ আশিকুর রহমান বলেন, “মূল্যস্ফীতি বর্তমানে ৮.৩% এ স্থিত। ধীরে ধীরে কমছে, তবে এটি এখনও বড় চ্যালেঞ্জ। বৈদেশিক খাত এখন স্থিতিশীল। পরবর্তী লক্ষ্য হলো সার্বিক স্থায়ী সঞ্চয় অর্জন।”

    আশিকুর রহমান আরও সতর্ক করেছেন, শুধু বাজে ঋণ কমানো আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে না। ব্যাংকগুলো স্বল্পমেয়াদী আমানত ব্যবহার করে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দিচ্ছে, যা কাঠামোগত দুর্বলতা তৈরি করছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে কর্পোরেট বন্ডের মাধ্যমে আয় মাত্র ৫০০ মিলিয়ন ডলার। ভারতের তুলনায়, তারা প্রায় ৬০০ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করে। যদি বিনিয়োগের পুরো চাপ ব্যাংকের ওপর চাপানো হয়, তাহলে ব্যাংকিং সেক্টরের দুর্বলতা আরও বাড়বে।”

    নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট চেয়ারম্যান জায়েদি সাত্তার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রা নীতি এবং ডলার কেনাবেচার মাধ্যমে বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি এটিকে দেশের অর্থনীতি ও মুদ্রানীতির ইতিহাসে একটি “বৃহৎ অর্জন” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণের ফলে আমদানি বাড়তে পারে, রপ্তানি বৃদ্ধি পেতে পারে। এর সঙ্গে স্পষ্ট ঝুঁকি এবং সুবিধা যুক্ত।”

    বাংলাদেশে ব্যাংক খাতের বাজে ঋণ  সংকট সমাধান না হলে, উচ্চ সুদের হার, বিনিয়োগের স্থবিরতা এবং মূল্যস্ফীতি দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে দীর্ঘমেয়াদে গুরুতর হুমকির মুখে ফেলবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সবচেয়ে স্থিতিশীল মুদ্রাগুলোর একটি টাকা

    আগস্ট 5, 2026
    অর্থনীতি

    যুদ্ধ ও জলবায়ু সংকটের মধ্যেই রেকর্ড মুনাফা তেল কোম্পানিগুলোর

    আগস্ট 5, 2026
    অর্থনীতি

    গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটে ধুঁকছে প্লাস্টিক শিল্প

    আগস্ট 5, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.