Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Mon, Jan 19, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সম্ভাবনাময় পর্যটন খাতগুলো বিপর্যয়ের মুখে
    অর্থনীতি

    সম্ভাবনাময় পর্যটন খাতগুলো বিপর্যয়ের মুখে

    মনিরুজ্জামানJanuary 10, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে সরকার কক্সবাজারে টেকনাফের সাবরাং, মহেশখালীর নাফ ট্যুরিজম পার্ক ও সোনাদিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্ক প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। ২০১৬ সালে প্রায় ১১ হাজার একর জমিতে এগুলো শুরু হলেও ৯ বছর পার হতে চললেও আলোর মুখ দেখেনি।

    প্রকল্পগুলো এখন আর অগ্রাধিকারের তালিকায় নেই। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “সাবরাং পর্যটনের জন্য সম্ভাবনাময় হলেও আমরা বর্তমানে পাঁচটি অগ্রাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নের কাজে মনোযোগ দিচ্ছি, যার মধ্যে সাবরাং নেই।” সোনাদিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্ক প্রকল্প পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের অজুহাতে বাতিল করা হয়েছে। ফলে দেশীয় পর্যটক ও বিদেশি পর্যটক উভয়ের জন্য সম্ভাবনাময় পর্যটন খাত থমকে গেছে।

    পর্যটকরা অভিযোগ করেছেন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে সূর্যাস্ত দেখা ছাড়া সময় কাটানোর কিছু নেই। পর্যটন স্পট, বিনোদন বা সেবা উন্নত হয়নি। সৈকতের সৌন্দর্য দিন দিন ক্ষয় হচ্ছে। নারীরা হেনস্তা ও ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছেন। গোসলে নেমে দুর্ঘটনা ঘটছে, কিন্তু নিরাপত্তা ব্যবস্থা সীমিত। দ্রুত গতির জেটস্কি ও প্যারা সেইলিংয়ের কারণে ঝুঁকি বাড়ছে। মৌসুম অনুযায়ী হোটেল, গাড়ি ভাড়া ও খাবারের দাম বাড়ানো হচ্ছে, অথচ প্রশাসনের নজর নেই। তুলনামূলকভাবে ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় বিদেশি পর্যটক কম খরচে নিরাপদভাবে ভ্রমণ করতে পারেন।

    কক্সবাজার পর্যটনশিল্প ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তা ও এক্সক্লুসিভ জোনের অভাবকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখাচ্ছেন। রাতের বিনোদন নেই, সৈকত অপরিচ্ছন্ন, ‘সান বাথার’ মতো মৌলিক সুবিধা নেই। আন্তর্জাতিক মানের আবাসন, খাদ্য, যাতায়াত, স্বাস্থ্যসেবা, ভাষাজ্ঞানসম্পন্ন গাইড, নিরাপত্তা, বিনোদন, শপিং, পার্ক, লকার, প্রদর্শনী বা আন্তর্জাতিক মানের মঞ্চের অভাব রয়েছে। সিনেপ্লেক্স, অ্যামিউজমেন্ট পার্ক, থিম পার্ক, নাইট ক্লাব, ক্যাসিনো, সমুদ্র ক্রুজ ও এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোনও নেই। এসব কারণে বিদেশি পর্যটক আশা করা কঠিন।

    কক্সবাজার সিটি কলেজের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মইনুল হাসান পলাশ বলেন, “কক্সবাজারের পর্যটন শুরু থেকেই পরিকল্পনাহীন ও অগোছালো। মানসম্মত দেশীয় পর্যটন গড়ে উঠলে তার ওপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক পর্যটন দাঁড়ায়। এখানে তা হয়নি। বিদেশিরা কংক্রিট বা ঢেউ দেখার জন্য আসে না, তারা প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসে। কক্সবাজারে সেই সুযোগ নেই।”

    হোটেল সি-প্রিন্সেসের ম্যানেজার মাজেদুল বশার চৌধুরী সুজন বলেন, “পর্যটন মৌসুমে ২০–২৫ লাখ দেশীয় পর্যটক আসেন। বিদেশি পর্যটক প্রায় শূন্য।” ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা ব্যবসায়ী মোকাম্মেল হোসেন বলেন, “কক্সবাজার আগের মতোই। সমুদ্রের বালিয়াড়ি দখল করে দোকানপাট, ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা, ভিক্ষুক ও ছিনতাইকারীর ভিড় বেড়েছে। আধুনিক চেঞ্জিং রুম নেই। অস্বাস্থ্যকর ঘরে পর্যটকদের গোসল করানো হচ্ছে।” পর্যটক জামশেদ হোসাইন জানান, “রাতের লাইটিং নেই। হোটেল-মোটেল জোন নিরাপদ নয়। আবাসন, যাতায়াত ও খাবারে খরচ দেখে বিদেশ ভ্রমণ করা সহজ।”

    তারকা মানের হোটেল সায়মান বিচ রিসোর্টের সিনিয়র অফিসার আসাদুজ্জামান নুর বলেন, “হোটেলে লাইসেন্সকৃত বার, সুইমিংপুল, সি-বিচ বসার ব্যবস্থা, রেস্টুরেন্ট, জিমনেসিয়াম ও কনফারেন্স হলসহ আন্তর্জাতিক মানের সব সুযোগ রয়েছে।”

    ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত। চিহ্নিত ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তার ও হোটেল অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি ২১৯ জন হারানো শিশু উদ্ধার করে পরিবারে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি, টহল, লাইটিং ও অভিযোগ বক্স স্থাপন করা হয়েছে।

    কক্সবাজার বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান বলেন, “পর্যটকের সুবিধা ও নিরাপত্তায় প্রশাসন সচেষ্ট। অভিযোগ পেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।” বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান সায়েমা শাহীন সুলতানাকে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    নিজস্ব অর্থায়নে ৩৪,৬০৮ কোটির ব্যয়ে বাস্তবায়নের পথে পদ্মা ব্যারাজ

    January 19, 2026
    অর্থনীতি

    সুতা আমদানিতে পোশাক শিল্পে ঝুঁকি বাড়াবে শুল্ক

    January 19, 2026
    অর্থনীতি

    প্রকল্প ব্যয় ও বাস্তবায়নে হতাশাজনক চিত্র

    January 19, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি August 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত April 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি August 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.