Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, আগস্ট 5, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ভোলায় ২০০ মেগাওয়াট গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব
    অর্থনীতি

    ভোলায় ২০০ মেগাওয়াট গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব

    মনিরুজ্জামানজানুয়ারি 28, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দ্বীপ জেলা ভোলার গ্যাস ঢাকায় এলএনজিতে (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আনা ব্যয়বহুল। বরঞ্চ ভোলায় ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করলে রাষ্ট্র বিপুল অর্থ সাশ্রয় করতে পারবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।

    ভোলা থেকে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এলএনজিতে রূপান্তরের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। বিপিডিবির হিসাব অনুযায়ী, এ পরিমাণ গ্যাস পরিবহনে বছরে খরচ হবে ৯৩০ কোটি টাকা। ১০ বছর ধরে পরিবহন করলে খরচ দাঁড়াবে ৯ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। বিপিডিবি মনে করে, বিদ্যুৎ উৎপাদন করলে এই ব্যয় এড়ানো সম্ভব।

    গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) ভোলার প্রস্তাবিত এলএনজির দাম নির্ধারণের বিষয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। বিপিডিবির অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ পরিদপ্তর) সৈয়দ জুলফিকার আলী সেখানে ভোলায় ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব তুলে ধরেন।

    তিনি বলেন, ‘এক ঘনমিটার গ্যাস দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ হবে ইউনিটপ্রতি ৪-৫ টাকা। ঢাকায় সঞ্চালনের খরচ ইউনিটপ্রতি মাত্র ১ টাকা ২৪ পয়সা। এভাবে ভোলায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের মোট খরচ হবে গড়ে সর্বোচ্চ ৬ টাকা ২৪ পয়সা। বিপরীতে ভোলা থেকে এলএনজি আকারে গ্যাস আনার খরচ প্রতি ঘনমিটারে ২৯ টাকা ৯০ পয়সা। ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি পরিবহন করতে বছরে ৯৩০ কোটি টাকা লাগবে। ১০ বছরের চুক্তিতে ব্যয় দাঁড়াবে ৯ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করলে রাষ্ট্রীয় অর্থ সাশ্রয় সম্ভব।’

    গণশুনানিতে আরও বলা হয়, রাজধানী ও আশপাশের এলাকার গ্যাস সংকট এখন প্রকট। ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করতে দৈনিক ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন। ঢাকা ও আশপাশের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে এ গ্যাস সমন্বয় করলে রাজধানীর গ্যাস সংকট কিছুটা কমবে এবং বিদ্যুতের ঘাটতি দূর হবে।

    বর্তমানে ভোলা থেকে সিএনজি আকারে গ্যাস পরিবহন খরচ ধরা হয়েছে প্রতি ঘনমিটার ২৯ টাকা ৯০ পয়সা। ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে প্রতি ঘনমিটার ৪৭ টাকা ৫০ পয়সায়। বিইআরসি টেকনিক্যাল কমিটি (টিইসি) জানিয়েছে, এলএনজি পরিবহন নতুন প্রযুক্তি হওয়ায় সুনির্দিষ্ট খরচ নির্ধারণ করা কঠিন। তাই ২৯ টাকা ৯০ পয়সা ঊর্ধ্বসীমা প্রস্তাব করা হয়েছে। দরপত্র আহ্বান, লাইসেন্স অনুমোদন ও গণশুনানির মাধ্যমে চূড়ান্ত দর নির্ধারণের সুপারিশ করেছে কমিটি।

    গণশুনানি শেষে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, ‘সব মতামত নেওয়া হয়েছে। ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে লিখিত মতামত দেওয়া যাবে। যাচাই-বাছাই শেষে সিদ্ধান্ত নেব। পাইপলাইনের প্রয়োজন থাকবে। ভোলা-বরিশাল পাইপলাইনের প্রাক-সমীক্ষা শেষ হয়েছে। সময়ের গুরুত্ব বিবেচনায় আগে এটি বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।’

    তবে গণশুনানিতে বক্তারা ভোলা থেকে এলএনজি আকারে গ্যাস আনার তীব্র বিরোধিতা করেন। তারা বলেন, এ পদ্ধতি ব্যয়বহুল এবং নতুন প্রযুক্তি। ভোলার গ্যাস সাশ্রয়ী মূল্যে বিতরণ করার পরিকল্পনা প্রয়োজন। তারা উল্লেখ করেন, পূর্বের সরকারের সময়ে একটি বিশেষ কোম্পানিকে সুবিধা দিতে এলএনজি আনা অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এখন সেই ব্যয় পুনঃমূল্যায়ন করা জরুরি।

    দেশে গ্যাস সংকট গুরুতর। ভোলায় দৈনিক গ্যাস উত্তোলন হচ্ছে মাত্র ৭০ মিলিয়ন ঘনফুট। তিনটি ফিল্ডে নয়টি কূপের উৎপাদন সক্ষমতা দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট। পাইপলাইন না থাকায় জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না। পেট্রোবাংলা ভোলায় ১৫টি কূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে। পাইপলাইন ও নতুন কূপ খনন শেষে দৈনিক ৩০০-৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন সম্ভব বলে আশা করছে বাপেক্স।

    ভোলা-বরিশাল-ঢাকা পাইপলাইন প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই চললেও অর্থায়ন সংকটের কারণে প্রকল্প বাস্তবায়ন আটকে আছে। গণশুনানিতে পেট্রোবাংলা, তিতাস গ্যাস, সুন্দরবন গ্যাস, বাপেক্স, জিটিসিএল, আরপিজিসিএলসহ বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যবসায়ী সংগঠন অংশ নেন।

    অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় নদীপথে ভোলার গ্যাস এলএনজিতে পরিবহনের বিষয়ও আলোচ্যসূচিতে ছিল। সরকার ভোলার গ্যাস নদীপথে এলএনজি আকারে পরিবহন করে তিতাস অধিভুক্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের পরিকল্পনা করেছিল। তবে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অনুরোধে আলোচনা থেকে এটি প্রত্যাহার করা হয়।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    ৩৩ বছরের সর্বনিম্ন ঋণপ্রবৃদ্ধি, থমকে বিনিয়োগ

    আগস্ট 5, 2026
    অর্থনীতি

    আগস্টের প্রথম তিন দিনেই এলো ৪০৬ মিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স

    আগস্ট 4, 2026
    অর্থনীতি

    সৌদি নেতৃত্বাধীন সামুদ্রিক জোটে বাংলাদেশ: এর অর্থ কী?

    আগস্ট 4, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.