Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, আগস্ট 1, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » অস্থিরতার মধ্যেও শক্তিশালী দেশের ওষুধ খাত
    অর্থনীতি

    অস্থিরতার মধ্যেও শক্তিশালী দেশের ওষুধ খাত

    মনিরুজ্জামানUpdated:ফেব্রুয়ারি 2, 2026ফেব্রুয়ারি 2, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধ এবং অক্টোবর–ডিসেম্বর প্রান্তিকে দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেশিরভাগ ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখিয়েছে। বিশেষ করে আয় ও মুনাফায় এই প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

    বিশ্লেষকরা মনে করেন, বিক্রির পরিমাণ বৃদ্ধি, উৎপাদন খরচ হ্রাস, অর্থায়ন ব্যয়ের চাপ কমা, মূলধনের কার্যকর ব্যবস্থাপনা, স্থিতিশীল চাহিদা, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের স্থিতিশীলতা এবং পরিচালন দক্ষতার কারণে এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে।

    রেনাটার শক্তিশালী বৃদ্ধি:
    চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে দেশের শীর্ষ ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রেনাটা পিএলসির মুনাফা ২৫ শতাংশ বেড়েছে। জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে প্রতিষ্ঠানটির সমন্বিত মুনাফা ১২৫.০৮ কোটি টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৬.২৬ কোটি টাকায়। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১০.৮৩ টাকা থেকে বেড়ে ১৩.৫৮ টাকা এবং সমন্বিত আয় ৬.৫৬ শতাংশ বেড়ে ২,২২৩.৮৪ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

    রেনাটার মোট আয়ের ৮০.৭ শতাংশ এসেছে ওষুধপণ্য থেকে, যা গত বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। মূলত বিক্রির পরিমাণ বৃদ্ধির কারণে এই প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে। তবে পশুখাদ্য ও ওষুধ খাতের আয়ের অবদান আগের মতোই রয়েছে। রপ্তানি আয় ১০.১ শতাংশ এবং চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন থেকে আয় ২৮.৪ শতাংশ কমেছে।

    প্রান্তিক হিসেবে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে রেনাটার রপ্তানি আয় ৮.২ শতাংশ বেড়েছে, কিন্তু দ্বিতীয় প্রান্তিকে তা ২৩.৪ শতাংশ কমেছে। ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর ঢাকা বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডে রপ্তানির মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেক অর্ডার পিছিয়ে যায়। তবে মূলধন পুনর্গঠনের ফলে প্রতিষ্ঠানটির অর্থায়ন ব্যয় ৭.৩ শতাংশ কমেছে। পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধির কারণে সুদ, কর ও অবচয়-পূর্ববর্তী মুনাফা ২০.৬ শতাংশ বেড়েছে।

    স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ধারাবাহিক সাফল্য:
    দেশের বৃহত্তম ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসও প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রেখেছে। প্রথমার্ধে সমন্বিত আয় ৪,৩৩৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা গত বছরের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি। নিট মুনাফা ১৬ শতাংশ বেড়ে ১,৪৬৭ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, আর ইপিএস হয়েছে ১৬.৫৬ টাকা। শুধু অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকেই স্কয়ারের রাজস্ব ৯ শতাংশ বেড়ে ২,১৭৯ কোটি টাকা এবং নিট মুনাফা ১০ শতাংশ বেড়ে ৭২৭ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। স্থানীয় বাজারে ওষুধের উচ্চ চাহিদাই এই ধারাবাহিক সাফল্যের মূল কারণ।

    স্কয়ারের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে তাদের কেনিয়াভিত্তিক বিদেশি সাবসিডিয়ারি স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস কেনিয়া ইপিজেড লিমিটেড এবং স্থানীয় সাবসিডিয়ারি স্কয়ার লাইফ সায়েন্সেস লিমিটেড। পাশাপাশি সহযোগী প্রতিষ্ঠান—স্কয়ার টেক্সটাইলস, স্কয়ার ফ্যাশনস এবং স্কয়ার হাসপাতাল—ও এই অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে।

    এসিআই ও নাভানার ইতিবাচক ফলাফল:
    অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (এসিআই) প্রথমার্ধে সমন্বিত আয় ১৮ শতাংশ বেড়েছে। জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে রাজস্ব বেড়ে ৬,৬১৯ কোটি টাকা থেকে ৭,৭৯৪ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। আগের বছরের একই সময়ে ৬৪ কোটি টাকার নিট লোকসানের পর এবার ৩০ কোটি টাকা নিট মুনাফা হয়েছে। পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধির কারণে মোট মুনাফা তুলনামূলকভাবে বেশি হয়েছে, তবে ঋণের খরচ কিছুটা বেড়েছে।

    নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসও অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে শক্তিশালী বৃদ্ধি দেখিয়েছে। বিক্রির বৃদ্ধি, মুনাফার মার্জিন বেড়ে যাওয়া, অর্থায়ন ব্যয় কমা এবং শক্তিশালী নগদ প্রবাহের কারণে প্রতিষ্ঠানটি লোকসান কাটিয়ে উঠেছে। এই সময়ে ইপিএস ১ টাকা থেকে বেড়ে ১.৬৫ টাকা হয়েছে।

    একমির অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে আয় ১৫.৭৫ শতাংশ বেড়েছে, ইপিএস ২.৮৬ টাকা থেকে বেড়ে ৩.১০ টাকা হয়েছে। জুলাই-ডিসেম্বর প্রান্তিকে ইপিএস ৫.৪৭ টাকা থেকে বেড়ে ৬.১১ টাকা হয়েছে। বিকন ফার্মাসিউটিক্যালসের মুনাফা ২৯.৩২ শতাংশ বেড়েছে, প্রথমার্ধে ইপিএস ৩.৪৭ টাকা থেকে বেড়ে ৪.৭৩ টাকা হয়েছে।

    চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধ ও অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে ওষুধ খাতের এই শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি স্থানীয় বাজারে চাহিদা, উৎপাদন দক্ষতা, পরিচালন খরচ নিয়ন্ত্রণ এবং স্থিতিশীল অর্থনীতির সঙ্গে সংযুক্ত। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধারা বজায় থাকলে আগামী প্রান্তিকেও ওষুধ শিল্পে লাভজনক বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    সরকারি দপ্তরের আচরণে বিনিয়োগকারীদের অনীহা বাড়ছে

    জুলাই 31, 2026
    অর্থনীতি

    পে স্কেলের ইতিহাস: বাংলাদেশে কোন সময়ে কত শতাংশ বেড়েছিল বেতন

    জুলাই 31, 2026
    বাংলাদেশ

    বরিশালে ইলিশ আহরণ কাগজে তিন গুণ, বাস্তবে মিলছে না

    জুলাই 31, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.