Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, আগস্ট 3, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » উপসাগরীয় দেশে বহুমুখী অস্থিরতায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা
    অর্থনীতি

    উপসাগরীয় দেশে বহুমুখী অস্থিরতায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা

    মনিরুজ্জামানমার্চ 5, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে বিশ্বে চরম অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। উপসাগরীয় ছয়টি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি থাকায় এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তা, জ্বালানি ও শ্রমবাজারে অনিশ্চয়তা বেড়ে গেছে। সরাসরি প্রভাব পড়ছে এ অঞ্চলে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের ওপর।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যেই দুবাইয়ে একজন এবং বাহরাইনে একজন বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আরও অনেকে আহত হয়েছেন। তাছাড়া, বহু শ্রমিক উড়োজাহাজের টিকিট কেটে থাকা সত্ত্বেও দেশে ফিরতে পারছেন না। বিপাকে পড়েছেন তারা যারা ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে ছুটিতে এসেছেন।

    বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিকদের বড় অংশ কাজ করেন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, ওমান ও বাহরাইনে। এই ছয়টি দেশেই যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি রয়েছে। ২০২৫ সালে এই দেশগুলোতে প্রেরিত শ্রমিকের সংখ্যা ছিল ৯ লাখ ১৯ হাজার ৪৩৫। বিএমইটির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এই ছয়টি দেশে ৬০ লাখের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করছেন।

    অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর জানান, “পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনৈতিক প্রভাব পরবর্তীতে দেখা যাবে। তবে আশা করি, আমাদের শ্রমিকরা দীর্ঘমেয়াদে বড় সংকটে পড়বেন না। এর আগে কোভিডের সময়ও এমন পরিস্থিতি হয়েছিল। এখন সাময়িকভাবে রেমিট্যান্সে কিছু প্রভাব পড়তে পারে।”

    গত বছর ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ছুটিতে এসেছিলেন আরব আমিরাত প্রবাসী রেজাউল করিম। তিন মাসের ছুটি শেষে চলতি (মার্চ) মাসের ১ তারিখ তার ফিরতি ফ্লাইট ছিল। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, “হঠাৎ ফ্লাইট বন্ধ হয়ে ঢাকা ফেরার সুযোগ হয়নি। এখন কবে পুনরায় ফ্লাইট দেওয়া হবে, কিছুই জানি না। সবার সঙ্গে কথা বলার পর জানতে পেরেছি, অন্তত ১৫-২০ দিন সময় লাগতে পারে। টাকা-পয়সাও শেষ, ঋণ করে চলছি।”

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে নিরাপত্তা ও কর্মক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা বেড়ে গেছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় ছয়টি দেশে—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, ওমান ও বাহরাইনে—যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি থাকায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

    কাতারে প্রবাসী বিজয় তালুকদার বলেন, “আমার আকামার মেয়াদ শেষ হবে মার্চের ২০ তারিখ। এ সময়ের আগে যেতে না পারলে ভিসা নবায়ন করা যাবে না। পরে অবৈধ হয়ে যাবো। যদি কোম্পানি মেয়াদ না বাড়ায়, আমরা বহু মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবো।” মধ্যপ্রাচ্যে থাকা শ্রমিকরা জানাচ্ছেন, ক্লিনারের মতো কাজে নিযুক্তরা নিরাপত্তা শঙ্কায় রয়েছেন। অন্যদিকে হোটেল, রেস্তোরাঁ, কারখানা ও বাসাবাড়িতে কাজ করা শ্রমিকরা নির্বিঘ্নে কাজ করলেও ছুটি পাননি।

    “দুই শ্রমিক নিহত হওয়ার পর ভয় ও শঙ্কা বাড়লেও, বেশিরভাগ প্রবাসী এখনও তাদের ডিউটি পালন করছেন। ঈদ উপলক্ষে অনেক শ্রমিক আগে থেকে টিকিট কেটেও রেখেছেন। তবে চলমান যুদ্ধের কারণে তারা ঈদের আগে দেশে ফিরতে পারা অনিশ্চিত। বাহরাইনে থাকা প্রবাসী রিয়াদ হোসেন বলেন, “এখন পর্যন্ত ভালো আছি। তবে কাজের সময় ছাড়া বাইরে খুব কম যাই। ঈদ আসছে, কিন্তু দেশে বড় অংকের টাকা পাঠাতে পারছি না। ব্যাংক যাওয়া ঝামেলা, বিকাশেও বেশি টাকা পাঠানো ঝামেলা।”

    সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে নির্মাণ, অবকাঠামো ও সেবা খাতে প্রকল্পের গতি কমে যেতে পারে। এতে নিম্ন ও আধাদক্ষ শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বেন। কাজের সময় কমানো, ওভারটাইম বন্ধ হওয়া বা চুক্তি নবায়ন না হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে তাদের আয় হ্রাস পেতে পারে। উপসাগরীয় অঞ্চলে কর্মসংস্থান সংকুচিত হলে দেশে পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণও কমতে পারে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতি, ভোগব্যয় ও ব্যাংকিং খাতে চাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর জানান, “পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনৈতিক প্রভাব পরবর্তীতে দেখা যাবে। তবে আশা করি, শ্রমিকরা দীর্ঘমেয়াদে বড় সংকটে পড়বেন না। এর আগে কোভিডের সময়ও এমন পরিস্থিতি হয়েছিল। এখন সাময়িকভাবে রেমিট্যান্সে প্রভাব পড়তে পারে।”

    তিনি আরও বলেন, “দেশের মানুষ ভিন্ন পথে টাকা পাঠাতে অভ্যস্ত। তবে যুদ্ধ আরও কিছুদিন বাড়লে আগামী দুই–তিন মাসে কর্মী প্রেরণ অনেক কমে যাবে। যারা ইকামা বা নিয়োগপত্র নবায়নের ঝামেলায় ভুগছেন, তাদের সমস্যা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কর্তৃপক্ষকে সমাধান করতে হবে। এই ক্ষেত্রে আমাদের হাইকমিশনের আন্তরিক ভূমিকা প্রয়োজন।”

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    পাবনায় চালুর আগেই অচল অর্ধকোটি টাকার সৌর সেচ প্রকল্প, চুরি হয়েছে যন্ত্রাংশ

    আগস্ট 3, 2026
    অর্থনীতি

    স্বল্পসুদের ঋণেই কি ঘুরে দাঁড়াবে চামড়া শিল্প?

    আগস্ট 3, 2026
    অর্থনীতি

    ডিজিটাল লেনদেনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলা কিউআরের ১ শতাংশ মাশুল

    আগস্ট 3, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.