দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভবন ও ক্যাম্পাসের চিত্র আগের চেয়ে ভালো হয়েছে, কিন্তু নেতৃত্বের চিত্র ঠিক উল্টো। ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন ১১৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে। এর মধ্যে ৫৪টি নিজস্ব ক্যাম্পাসে পাঠদান করছে। অথচ ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩০টিতে উপাচার্য নেই, ৮৯টিতে সহ-উপাচার্য নেই এবং ৪০টিতে কোষাধ্যক্ষ নেই। শিক্ষাবিদেরা বলছেন, শুধু ভবন ও জমি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মান বিচার করা যায় না।
একসময় বেশির ভাগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চলত ঢাকা ও চট্টগ্রামের ভাড়া করা ভবনে। শ্রেণিকক্ষ, গ্রন্থাগার, গবেষণাগার ও শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমের সুযোগ নিয়ে তখন প্রশ্ন ছিল। সেই তুলনায় ৫৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে যাওয়া অগ্রগতি। কিন্তু এই সংখ্যা মোট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬ শতাংশের মতো। বাকি ৬৩টি এখনো নিজস্ব ক্যাম্পাসে যায়নি। ইউজিসির এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠার পর আইনে নির্ধারিত ১২ বছর পেরিয়ে গেছে, অথচ নিজস্ব ক্যাম্পাসে যেতে পারেনি, এমন বিশ্ববিদ্যালয় অন্তত ২৮টি। ১৯৯২ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে গড়ে ওঠা ৫১টি পুরোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৪-৫টি বাদে বাকিগুলো ক্যাম্পাসে চলে গেছে। অর্থাৎ পুরোনোদের অবস্থা তুলনামূলক ভালো, সমস্যা মূলত পরে অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোতে।
আইনি কাঠামোটি এখানে গুরুত্বপূর্ণ। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রথম আইন হয় ১৯৯২ সালে, পরে ২০১০ সালে নতুন আইন করা হয়। এই আইনে সাময়িক অনুমোদন নিয়ে যাত্রা শুরু করা যায়। এর জন্য অন্তত নয়জন ট্রাস্টির পর্ষদ, ২৫ হাজার বর্গফুটের নিজস্ব বা ভাড়া করা ভবন, তিনটি অনুষদ ও ছয়টি বিভাগ এবং এলাকাভেদে দেড় থেকে পাঁচ কোটি টাকার সংরক্ষিত তহবিল ব্যাংকে রাখাসহ মোট ১০টি শর্ত পূরণ করতে হয়। সাময়িক অনুমোদনের পর সাত বছরের মধ্যে আরও কিছু শর্ত মেটালে স্থায়ী সনদের যোগ্যতা মেলে। এর মধ্যে আছে নিজস্ব ক্যাম্পাসে যাওয়া ও গবেষণার বাজেট রাখা। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে ক্যাম্পাসের জন্য কমপক্ষে এক একর, অন্য এলাকায় দুই একর জমি লাগে। এত শর্ত পূরণ করে এ পর্যন্ত স্থায়ী সনদ পেয়েছে মাত্র ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়, যা মোট সংখ্যার প্রায় ১৯ শতাংশ। ক্যাম্পাসে থাকা ৫৪টির হিসাবে ধরলে এটি ৪১ শতাংশের মতো। মানে ক্যাম্পাসে যাওয়া মানেই সব শর্ত পূরণ নয়।
নেতৃত্বের শূন্যতা কতটা গভীর, তা সংখ্যায় স্পষ্ট। ১১৭টির মধ্যে ৩০টিতে উপাচার্য নেই, যা প্রায় ২৬ শতাংশ। সহ-উপাচার্যহীন ৮৯টি, অর্থাৎ প্রায় ৭৬ শতাংশ। কোষাধ্যক্ষহীন ৪০টি, প্রায় ৩৪ শতাংশ। সবচেয়ে উদ্বেগের কথা, ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন পদই ফাঁকা। ইউজিসির তথ্যে এই ১৪টিতে আচার্যের নিয়োগ করা উপাচার্য, সহ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ কেউ নেই। এগুলোর মধ্যে আছে ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, চট্টগ্রামের সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি এবং দ্য পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
একটি তথ্য এখানে বিশেষ নজর কাড়ে। প্রতিবেদনে নিজস্ব ক্যাম্পাসে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের যে তালিকা দেওয়া হয়েছে, তাতে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ও এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ আছে। আবার তিন শীর্ষ পদ খালি থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকাতেও এ দুটির নাম আছে। অর্থাৎ ক্যাম্পাস থাকলেও নেতৃত্ব থাকবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। ভবন ও নেতৃত্ব যে দুটি আলাদা সমস্যা, এটি তার প্রমাণ।
সবচেয়ে নাটকীয় চিত্র ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটির। ইউজিসির তথ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টির ঠিকানা রাজধানীর পান্থপথের বারেক ম্যানশন। সেখানে ২০২২ সাল থেকে উপাচার্য নেই এবং ২০১৯ সাল থেকে কোষাধ্যক্ষ নেই। ১৪ সেপ্টেম্বর ওই ভবনে গিয়ে দেখা যায়, ছয়তলা পর্যন্ত নানা আসবাবের দোকান। সাততলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যালয় বন্ধ। অস্বচ্ছ কাচের ভেতর দিয়ে ঘরটি এলোমেলো দেখা যায়। সাইনবোর্ডটি খুলে ভেতরে রাখা হয়েছে। ছয়তলার এক আসবাব-দোকানের কর্মী জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকজনকে মাঝেমধ্যে আসতে দেখেন। যে প্রতিষ্ঠানের উপাচার্য চার বছর ও কোষাধ্যক্ষ সাত বছর ধরে নেই, তার শিক্ষার্থীরা কার তত্ত্বাবধানে পড়ছেন, কীভাবে সনদ পাচ্ছেন, সে প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই ওঠে। প্রতিবেদনে অবশ্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা বা বর্তমান কার্যক্রমের কোনো তথ্য নেই।
নিয়োগ আটকে থাকার কারণ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের ব্যাখ্যা পাওয়া গেছে। তাঁদের হিসাবে, ১১৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন পদ পূরণ করতে মোট ৩৫১ জন অধ্যাপক লাগে, যা ১১৭ গুণ ৩। একসঙ্গে এত যোগ্য ও অভিজ্ঞ অধ্যাপক পাওয়া সহজ নয়। এর সঙ্গে আছে নিয়োগপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের পছন্দের লোক বসানোর প্রবণতা। ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ স্বীকার করেছেন, এসব পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবে নিয়োগে কিছু জটিলতা আছে। তাঁর ভাষ্য, ইউজিসিতে প্যানেল এলে দ্রুত মতামত দিয়ে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর চেষ্টা হচ্ছে। দ্য পিপলস ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম জানান, তাঁরা উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের জন্য প্যানেল তৈরি করেছেন এবং শিগগির সরকারের কাছে জমা দেবেন।
এই ব্যাখ্যাগুলোর মধ্যে একটি ফাঁক আছে। ইউজিসি চেয়ারম্যানের কথায় দায় যেন প্যানেল আসার অপেক্ষায়, অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বলছেন প্যানেল তৈরি হয়েছে, শিগগির জমা হবে। দুই পক্ষই বলছে, কাজ চলছে। কিন্তু ভিক্টোরিয়ার মতো প্রতিষ্ঠানে চার বছরেও পদ ফাঁকা থাকা বোঝায়, সমস্যা কেবল প্রক্রিয়ার ধীরগতির নয়, নজরদারির অভাবেরও। ইউজিসি কতদিন ফাঁকা থাকলে কী ব্যবস্থা নেয়, প্রতিবেদনে সে তথ্য নেই।
সংখ্যাবৃদ্ধির ইতিহাসেও প্রশ্নের জায়গা আছে। ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯২-৯৫ সালে ১১টি, ১৯৯৬-২০০১ সালে ১২টি, ২০০২-০৬ সালে ৩২টি এবং ২০১২-২৪ সালে ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়। এ ছাড়া ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ঢাকায় গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় এবং এ বছরের আগস্টে ঠাকুরগাঁওয়ে ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অনুমোদন পেয়েছে। মোটামুটি হিসাবে, ২০০২-০৬ সালের পাঁচ বছরে বছরে গড়ে সাড়ে ছয়টির মতো অনুমোদন এসেছে, যা আগের দুই পর্বের চেয়ে অনেক বেশি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০০১ সালের পর রাজনৈতিক বিবেচনায় অনুমোদনের প্রবণতা বেড়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ব্যবসায়িক মনোবৃত্তি ও রাজনৈতিক বিবেচনায় গড়া কিছু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণার চেয়ে ‘সনদ বিক্রি’র দিকে ঝুঁকেছে। এটি সংশ্লিষ্টদের মূল্যায়ন। কোন কোন প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে এই অভিযোগ, তা প্রতিবেদনে বলা হয়নি, তাই এটিকে সাধারণ সমালোচনা হিসেবেই দেখা উচিত। তবে সংখ্যার ধারা ইঙ্গিত দেয়, অনুমোদনের গতি যখন বেড়েছে, তখন শর্ত পূরণের তদারকি সেই গতিতে তাল মেলাতে পারেনি। সেই ফাঁকই আজ ২৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার মধ্যে দেখা যাচ্ছে।
ভৌগোলিক বিন্যাসও একপেশে। ২৮টি জেলায় ১১৭টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে। এর ৫৯টিই ঢাকা জেলায়, যা প্রায় অর্ধেক। চট্টগ্রামে ১০টি যোগ করলে দুই বিভাগীয় শহরেই প্রায় ৫৯ শতাংশ। এরপর সিলেট ও নারায়ণগঞ্জে পাঁচটি করে, খুলনা ও রাজশাহীতে চারটি করে, কুমিল্লা, বরিশাল ও কুষ্টিয়ায় তিনটি করে এবং কিশোরগঞ্জ ও নাটোরে দুটি করে। বাকি ১৭টি জেলায় একটি করে। তার মানে ঢাকার বাইরে বিস্তার ঘটলেও তা সমান হয়নি। ঢাকার বাইরের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত বেসরকারি উচ্চশিক্ষার সুযোগ এখনো সীমিত, আবার যেগুলো আছে সেগুলোর মধ্যেও নেতৃত্বের শূন্যতা থাকলে ঝুঁকি বেশি।
এই খাতের আকার বিবেচনা করলে সমস্যার গুরুত্ব আরও বোঝা যায়। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন সাড়ে তিন লাখের বেশি শিক্ষার্থী পড়ছেন। শিক্ষক আছেন সাড়ে ১৭ হাজার। মোটামুটি হিসাবে গড়ে প্রতি শিক্ষকের বিপরীতে ২০ জন শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীর সংখ্যা সাড়ে তিন লাখের বেশি বলে অনুপাত আরও কিছুটা বেশি হতে পারে। তবে এটি গড়। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ভালো, কোনোটিতে খুবই খারাপ, হতে পারে। প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক অনুপাত বা শিক্ষকদের যোগ্যতার তথ্য নেই। তাই মান নিয়ে সিদ্ধান্ত টানতে আলাদা তথ্য লাগবে। এত বড় সংখ্যক শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ যে খাতের ওপর নির্ভর করে, সেখানে শীর্ষ পদ ফাঁকা থাকার প্রভাব সরাসরি শিক্ষার্থীরাই বহন করেন।
শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টদের মূল কথা হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ের মান একটি বিষয়ে নির্ধারিত হয় না। এর জন্য মানসম্মত শিক্ষক, গবেষণা, পাঠদানের পরিবেশ, একাডেমিক নেতৃত্ব, গ্রন্থাগার ও গবেষণাগার, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং সুশাসন ও জবাবদিহি, সবই দরকার। ক্যাম্পাস এই তালিকার একটি উপাদান মাত্র। ফলে নিজস্ব ক্যাম্পাসের সংখ্যা বাড়ানোকে একমাত্র সাফল্যের মাপকাঠি ধরলে ভুল হবে। উপাচার্য ছাড়া একাডেমিক সিদ্ধান্ত, কোষাধ্যক্ষ ছাড়া আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং সহ-উপাচার্য ছাড়া প্রশাসনিক সমন্বয় দুর্বল হয়। যে ১৪টিতে তিন পদই ফাঁকা, সেখানে প্রতিষ্ঠান কার নির্দেশে চলে, সেটিই অস্পষ্ট।
সমাধানের পথ নিয়েও কয়েকটি বিষয় ভাবা দরকার। শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা বলছেন, শূন্য পদে যোগ্য ও অভিজ্ঞদের নিয়োগ দ্রুত করতে হবে এবং যারা আইনি শর্ত পূরণ করছে না, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। নিয়োগ দ্রুত করতে অধ্যাপকের সংকটের প্রশ্নটিও সামনে আসে। ৩৫১ জন অভিজ্ঞ অধ্যাপক একসঙ্গে জোগাড় করা কঠিন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা যত বাড়ে, সংকট তত গভীর হয়। অর্থাৎ নতুন বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের আগে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো মানবসম্পদ আছে কি না, সেই প্রশ্নও বিবেচনায় রাখা জরুরি। শর্ত না মানা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা থাকলেও কী ধরনের ব্যবস্থা, কবে এবং কার দায়িত্বে, তা প্রতিবেদনে অস্পষ্ট। সময়সীমা পেরোলে জরিমানা, ভর্তি স্থগিত বা অনুমোদন বাতিলের মতো কোনো পরিণতি আছে কি না, সে তথ্যও নেই। পরিণতি না থাকলে আইনের বাধ্যবাধকতা কাগুজেই থেকে যায়।
সব মিলিয়ে চিত্রটি মিশ্র। একদিকে ভাড়া করা ভবন ছেড়ে অর্ধেকের কাছাকাছি বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব ক্যাম্পাসে গেছে, এটি ইতিবাচক। অন্যদিকে ২৮টি বিশ্ববিদ্যালয় সময়সীমা পেরিয়েও ক্যাম্পাসের বাইরে, ২২টির বেশি স্থায়ী সনদ পায়নি এবং শীর্ষ পদের শূন্যতা প্রায় সর্বত্র। সামনে তিনটি বিষয় নজরে রাখতে হবে। প্রথমত, ইউজিসির সুপারিশ ও মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে নেতৃত্বশূন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়োগ কত দ্রুত আসে। দ্বিতীয়ত, ভিক্টোরিয়ার মতো কার্যত অচল প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তৃতীয়ত, নতুন অনুমোদনের পাশাপাশি বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানের শর্ত পূরণ নিশ্চিতের ওপর সরকার কতটা জোর দেয়। এই তিনটির উত্তরেই বোঝা যাবে, বেসরকারি উচ্চশিক্ষার প্রসার মানের দিকে এগোচ্ছে, নাকি শুধু সংখ্যার দিকে।

