Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, সেপ্টে. 3, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » হলিউডকে বাঁচাতে পারবেন কি ডোনাল্ড ট্রাম্প?
    বিনোদন

    হলিউডকে বাঁচাতে পারবেন কি ডোনাল্ড ট্রাম্প?

    নিউজ ডেস্কসেপ্টেম্বর 3, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ছবি: সংগৃহীত
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাষ্ট্রের চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্পের সংকট কাটাতে সরকারি প্রণোদনা চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিদেশে চলে যাওয়া চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন প্রযোজনা যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনতেই এ উদ্যোগ প্রয়োজন বলে দাবি করেছেন তিনি।

    ট্রাম্পের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে হলিউডের প্রভাবশালী তিনটি শ্রমিক ইউনিয়ন—ইন্টারন্যাশনাল অ্যালায়েন্স অব থিয়েট্রিক্যাল স্টেজ এমপ্লয়িজ (আইএটিএসই), স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড-আমেরিকান ফেডারেশন অব টেলিভিশন অ্যান্ড রেডিও আর্টিস্টস (এসএজি-আফট্রা) এবং টিমস্টার্স লোকাল ৩৯৯। একই সঙ্গে তারা কংগ্রেসকে দ্রুত এ বিষয়ে আইন পাস করার আহ্বান জানিয়েছে।

    ইউনিয়নগুলোর মতে, সরকারি প্রণোদনা চালু হলে যুক্তরাষ্ট্রে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন প্রযোজনা বাড়বে, হাজার হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় ব্যবসাগুলোও উপকৃত হবে।

    এসএজি-আফট্রার সভাপতি শন অ্যাস্টিন ও জাতীয় নির্বাহী পরিচালক ডানকান ক্র্যাবট্রি-আয়ারল্যান্ড এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, প্রযোজনাই বিনোদন শিল্পের প্রাণশক্তি। তাদের মতে, শিল্পটিকে বাঁচাতে ট্রাম্পের এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    এই উদ্যোগের পেছনে অভিনেতা ও ইউনিয়ন সদস্য জন ভয়েটেরও ভূমিকা রয়েছে বলে জানিয়েছে ইউনিয়নটি। ট্রাম্প তাকে হলিউডের বিশেষ রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব দিয়েছেন। ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনার পর ভয়েটই যুক্তরাষ্ট্রে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন প্রযোজনা ধরে রাখতে ফেডারেল কর প্রণোদনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

    ট্রাম্প এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিনোদন শিল্প ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। তার অভিযোগ, চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের অনেক কাজ এখন কানাডাসহ অন্যান্য দেশে চলে গেছে। ফলে হলিউডের পাশাপাশি ক্যালিফোর্নিয়ার অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    শিল্পটিকে ঘুরে দাঁড় করাতে কর ছাড়ের পরামর্শও দিয়েছেন ট্রাম্প। তার দাবি, সরকারের দেওয়া প্রণোদনা থেকে ভবিষ্যতে এর চেয়ে অনেক বেশি রাজস্ব ফেরত আসতে পারে। তবে প্রস্তাবিত ফেডারেল প্রণোদনার নির্দিষ্ট কাঠামো বা পরিমাণ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

    এ বিষয়ে কংগ্রেসের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যাডাম শিফও আর্থিক সহায়তা আইন পাসের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি এর আগে ফেডারেল পর্যায়ে এমন একটি প্রণোদনা চালুর পক্ষে কাজ করার কথা জানিয়েছিলেন এবং বলেছেন, শুধু অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রণোদনা দিয়ে বিদেশে চলে যাওয়া প্রযোজনা ফিরিয়ে আনা যথেষ্ট নয়।

    এদিকে হলিউডের প্রতিযোগিতা বাড়ায় ক্যালিফোর্নিয়া সরকারও চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্পে কর ছাড় বাড়িয়েছে। মহামারি, হলিউডের ধর্মঘট ও লস অ্যাঞ্জেলেসের দাবানলের প্রভাব কাটিয়ে শিল্পটিকে পুনরুজ্জীবিত করতে রাজ্যটি ফিল্ম ও টেলিভিশন কর ছাড়ের পরিমাণ ৩৩০ মিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে ৭৫০ মিলিয়ন ডলার করেছে।

    ক্যালিফোর্নিয়া সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বর্ধিত এই প্রণোদনা কর্মসংস্থান ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। তবে রাজ্যের আইনপ্রণেতাদের একাংশের মতে, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার সঙ্গে পাল্লা দিতে ফেডারেল পর্যায়ের প্রণোদনাও প্রয়োজন।

    এর আগে ২০২৫ সালে বিদেশে নির্মিত সিনেমার ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। পরে সেই অবস্থান থেকে সরে এসে এবার যুক্তরাষ্ট্রে প্রযোজনা ফিরিয়ে আনতে সরকারি প্রণোদনার পক্ষে জোর দিয়েছেন তিনি। ফেডারেল কর প্রণোদনাকে চলচ্চিত্র শিল্পে বিদেশি প্রতিযোগিতার মোকাবিলায় তুলনামূলকভাবে কার্যকর উপায় হিসেবে দেখছেন শিল্পসংশ্লিষ্টরাও।

    মোশন পিকচার অ্যাসোসিয়েশনের (এমপিএ) প্রধান চার্লস রিবকিনও উদ্যোগটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তার মতে, সরকারি প্রণোদনার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে আবার চলচ্চিত্র নির্মাণ বাড়ানো সম্ভব হবে। এমপিএ ট্রাম্পের উদ্যোগকে সমর্থন করে জানিয়েছে, একটি কার্যকর জাতীয় প্রণোদনা যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সম্প্রদায়গুলোতে আরও বেশি প্রযোজনা ফিরিয়ে আনতে এবং কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    যে কারণে নভেম্বর পর্যন্ত ‘ইরান যুদ্ধের’ পক্ষে নয় ট্রাম্পের সহযোগীরা

    সেপ্টেম্বর 3, 2026
    শিক্ষা

    ৪৭৪ বছর পর ছাত্রীদের জন্য খুলছে স্কুলের দরজা!

    সেপ্টেম্বর 3, 2026
    আন্তর্জাতিক

    যুদ্ধাপরাধ করেছে ওয়াশিংটন, জাতিসংঘে ইরান

    সেপ্টেম্বর 3, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.