বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। রোববার (৭ জুন) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বোর্ডের ১৮তম সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।
নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয় মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। ভোট গণনা শেষে নিশ্চিত হয় যে, তামিম ইকবালই সর্বোচ্চ সমর্থন পেয়েছেন।
তবে সভাপতি পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় আলাদা করে ভোটের প্রয়োজন হয়নি। ফলে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়ই বোর্ড সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। এটি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভোটের ফলাফলে দেখা যায়, ক্লাব ক্যাটাগরিতে মোট ৭৬ ভোটের মধ্যে ৭৪টি ভোট কাস্ট হয়। সেই ভোটে তামিম ইকবাল সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পেয়ে শীর্ষে থাকেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে সাইদ ইব্রাহিম আহমেদ এবং ইশরাফিল খসরু পান ৭২ ভোট করে। মাসুদুজ্জামান পান ৭০ ভোট, আর ফয়সাল ইয়াসির পান ৬৮ ভোট।
সহ-সভাপতি পদে ফাহিম সিনহা নির্বাচিত হন। তিনি ৬৬ ভোট পেয়ে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হয়েছেন। একই সংখ্যক ভোট পান শানিয়ান তানিমও। অন্যান্য প্রার্থীরাও বিভিন্ন সংখ্যক ভোট পেয়ে বোর্ডে স্থান পান।
বিশ্লেষকদের মতে, সাবেক ক্রিকেটারদের নেতৃত্বে বোর্ড পরিচালনা নতুন দিকনির্দেশনা আনতে পারে। তামিম ইকবালের ক্রিকেট ক্যারিয়ার এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা প্রশাসনিক পর্যায়ে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট এখন এমন এক সময়ে প্রবেশ করছে, যখন মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বোর্ডের সিদ্ধান্তও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে ক্রিকেট কাঠামো, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক অবস্থান কীভাবে বদলাবে, সেদিকেই এখন নজর থাকবে সবার।

