Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, জুন 17, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিশ্বকাপ টিকিটের আকাশছোঁয়া দাম, দায় কার
    খেলা

    বিশ্বকাপ টিকিটের আকাশছোঁয়া দাম, দায় কার

    নিউজ ডেস্কজুন 16, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগেই মাঠের খেলার বাইরে আরেকটি লড়াই আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে। সেটি হলো টিকিটের দাম। মেক্সিকো সিটিতে প্রথম বল গড়ানোর আগেই সমর্থকদের বড় অংশের ক্ষোভের মুখে পড়ে ফিফা ও সংস্থাটির সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। কারণ এবারের বিশ্বকাপের টিকিটমূল্য ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনীয় ম্যাচগুলোর চেয়ে চার থেকে দশ গুণ বেশি বলে বলা হয়েছে।

    ভক্তদের অভিযোগ সহজ: বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলাকে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অনেক পরিবারের জন্য বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখা এখন আর শুধু আনন্দের বিষয় নয়, বরং বড় আর্থিক সিদ্ধান্ত। কিন্তু অর্থনীতির দৃষ্টিতে বিষয়টি একটু জটিল। টিকিটের দাম বেশি হলে ভক্তরা কষ্ট পান, আবার দাম খুব কম রাখলে লাভের বড় অংশ চলে যেতে পারে টিকিট দালাল ও পুনর্বিক্রেতাদের হাতে। তাই প্রশ্নটি শুধু “দাম বেশি কেন” নয়; প্রশ্ন হলো, ন্যায্য দাম বলতে আসলে কী বোঝায়?

    যুক্তরাষ্ট্রে কিছু কম চাহিদার ম্যাচের সবচেয়ে সস্তা আসনের প্রাথমিক দাম ছিল ৬০ ডলার। তবে মাঠের কাছাকাছি আসনের দাম উঠেছিল ৬২০ ডলার পর্যন্ত। আবার লস অ্যাঞ্জেলেসে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বোধনী ম্যাচের টিকিট প্রথম ছাড়ার সময় দাম ছিল ৫৬০ ডলার থেকে ২,৭৩৫ ডলার পর্যন্ত। সাধারণ দর্শকের চোখে এগুলো নিঃসন্দেহে বড় অঙ্ক। বিশেষ করে একটি পরিবার যদি একসঙ্গে ম্যাচ দেখতে চায়, তাহলে টিকিট, যাতায়াত, খাবার ও থাকার খরচ মিলিয়ে ব্যয় কয়েক হাজার ডলারে পৌঁছে যেতে পারে।

    সমালোচকদের মতে, ফিফা ফুটবলপ্রেমীদের আবেগকে কাজে লাগিয়ে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছে। নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি, ক্যালিফোর্নিয়া ও টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেলরা বিশ্বকাপের টিকিট ব্যবস্থা নিয়ে তদন্তও শুরু করেছেন। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে আসনের অবস্থান নিয়ে ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করা এবং কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর মতো বিষয়। যদি সত্যিই দর্শকদের আসন সম্পর্কে ভুল ধারণা দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সেটি সরাসরি ভোক্তা অধিকারের প্রশ্ন। এ ক্ষেত্রে ফিফার দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।

    তবে বিতর্কের সবচেয়ে বড় অংশ ঘিরে আছে ফিফার মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি। এবারের টিকিট বিক্রিতে চাহিদা অনুযায়ী দাম পরিবর্তনের কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ, কোনো ম্যাচ বা আসনের চাহিদা যত বাড়ছে, দামও তত পরিবর্তিত হচ্ছে। ১৯ জুলাই মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম প্রবেশমূল্য ছিল ২,০৩০ ডলার। আবার ফিফার বিক্রিত সবচেয়ে আকর্ষণীয় নিয়মিত আসনগুলোর একটি শ্রেণির দাম প্রথমে ছিল ৬,৩৭০ ডলার, পরে তা ৮,৭০০ ডলারে ওঠে এবং পরবর্তী বিক্রয় ধাপে ১০,৯৯০ ডলারে পৌঁছে যায়।

    এই দাম শুনে অনেকেই ক্ষুব্ধ হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু ইনফান্তিনোর যুক্তি হলো, আসন সীমিত, চাহিদা বিপুল। তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, দ্বিতীয় বাজারে অনেক টিকিট মুখ্যমূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি হয়। এর মানে হলো, ফিফা যদি কম দামে টিকিট ছাড়ে, তাহলে প্রকৃত ভক্তরা সবসময় উপকৃত হন না; বরং দালালরা আগে টিকিট কিনে পরে কয়েক গুণ দামে বিক্রি করে লাভ তুলে নেয়।

    এখানেই টিকিট অর্থনীতির কঠিন বাস্তবতা। কোনো আয়োজনের টিকিট কম দামে বিক্রি করা শুনতে ভক্তবান্ধব মনে হতে পারে। কিন্তু যদি সেই টিকিট দ্রুত দালালদের হাতে চলে যায়, তাহলে সাধারণ দর্শকের জন্য দাম শেষ পর্যন্ত আরও বেশি হয়ে দাঁড়ায়। আয়োজক কম টাকা পায়, ভক্ত বেশি টাকা দেয়, আর মাঝখানে কোনো অবদান না রেখেই মুনাফা তুলে নেয় পুনর্বিক্রেতারা। তাই কম দাম সবসময় ন্যায়সঙ্গত ফল দেয় না।

    টিকিট দালালির ইতিহাস নতুন নয়। ১৮৬৮ সালে নিউইয়র্কের স্টেইনওয়ে হলে চার্লস ডিকেন্সের পাঠ অনুষ্ঠানের টিকিট প্রথমে ২ ডলারে বিক্রি হয়েছিল, কিন্তু পরে তা ২০ ডলারে পুনর্বিক্রি হয়। অর্থাৎ, জনপ্রিয় আয়োজনের টিকিট ঘিরে দালালির সমস্যা দেড় শতাব্দীরও পুরোনো। আগে মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে বা অন্যকে দাঁড় করিয়ে টিকিট কিনত। কখনো কখনো ভালো আসন পাওয়ার জন্য বক্স অফিস কর্মীদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগও উঠত।

    অনলাইন টিকিট প্ল্যাটফর্ম আসার পর সমস্যা আরও বড় হয়েছে। এখন আর একজন মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে হয় না; স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার মুহূর্তের মধ্যে বিপুলসংখ্যক টিকিট কিনে নিতে পারে। ২০১৫ সালে জনপ্রিয় মঞ্চনাট্য হ্যামিলটন শুরু হওয়ার পর বক্স অফিসে গড় টিকিটমূল্য ছিল ১৫৯ ডলার, কিন্তু এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয় বাজারে তা ১,২০০ ডলারে পৌঁছে যায়। সেই সময় প্রযোজক জেফ্রি সেলার বলেছিলেন, শুরুতে ৭৮ শতাংশ পর্যন্ত টিকিট দালালরা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি ব্যবহার করে কিনে নিয়েছিল।

    টেইলর সুইফটের ২০২৩–২৪ সালের ইরাস ট্যুরেও একই ধরনের সমস্যা দেখা যায়। কিছু আসনের মুখ্যমূল্য ছিল ৪৯ ডলার এবং পুরো সফরে গড় টিকিটমূল্য ছিল ২০৪ ডলার। কিন্তু স্টাবহাবে গড় টিকিটমূল্য ছিল ১,০৮৮ ডলার, যা পাঁচ গুণেরও বেশি। যদি মাত্র ২০ শতাংশ টিকিট পুনর্বিক্রি হয়ে থাকে, তাহলেও দ্বিতীয় বাজারের মোট আয় প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি হতে পারে—যা বক্স অফিস থেকে শিল্পীর সংগ্রহ করা মোট অর্থের চেয়েও বেশি হতে পারে।

    এই উদাহরণগুলো দেখায়, টিকিটের দাম কম রাখলেই সাধারণ ভক্তের হাতে টিকিট পৌঁছাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। বরং অনেক সময় কম দাম দালালদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করে। তারা কম দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করে। এতে ভক্তের আবেগ, শিল্পী বা আয়োজকের শ্রম এবং আসল আয়োজন—সবকিছু থেকে লাভ তুলে নেয় বাইরের ব্যবসায়ী গোষ্ঠী।

    তাহলে কি ফিফার আকাশছোঁয়া দাম ন্যায্য? প্রশ্নটির উত্তর সরল নয়। ফিফা বহু বিতর্কে জড়িত থাকলেও এটি চার বছর পরপর এমন একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করে, যা বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ ভালোবাসে। যদি অতিরিক্ত অর্থ দালালদের বদলে আয়োজকের হাতে যায়, কেউ কেউ সেটিকে তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিকর মনে করতে পারেন। কিন্তু ভক্তদের দৃষ্টিতে সমস্যা থেকেই যায়: ফুটবল যদি সবার খেলা হয়, তাহলে বিশ্বকাপ দেখা কেন শুধু ধনীদের সুযোগ হয়ে যাবে?

    এখানে তৃতীয় একটি পথের কথা বলা যায়। সেটি হলো এমন টিকিট ব্যবস্থা, যেখানে কিছু আসন কম দামে প্রকৃত ভক্তদের জন্য রাখা হবে, কিন্তু সেগুলো পুনর্বিক্রি করা যাবে না। এ ধরনের টিকিট অনেকটা বিমান টিকিটের মতো হতে পারে। নির্দিষ্ট ব্যক্তির নামে টিকিট থাকবে, অন্যের কাছে লাভের উদ্দেশ্যে হস্তান্তর করা যাবে না। যদি ক্রেতা যেতে না পারেন, তাহলে টিকিটটি আয়োজকের কাছে ফেরত যাবে।

    তবে এই পদ্ধতি বাস্তবায়ন সহজ নয়। স্টেডিয়ামে ঢোকার সময় পরিচয়পত্র পরীক্ষা করতে হবে, নাম মিলিয়ে দেখতে হবে, প্রয়োজনে মুখ শনাক্তকরণ ব্যবস্থাও ব্যবহার হতে পারে। এতে দর্শকদের জন্য লাইন দীর্ঘ হবে, প্রবেশে সময় লাগবে এবং ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবু অনেক ভক্ত কম দামে টিকিট পেতে এসব ঝামেলা মেনে নিতে রাজি থাকেন।

    এর উদাহরণও আছে। হ্যামিলটনের ১০ ডলারের লটারি টিকিট কিংবা নিউইয়র্ক সিটির ৫০ ডলারের বিশ্বকাপ টিকিট লটারিতে অংশ নেওয়া ভক্তরা কঠোর শর্ত মেনে নিয়েও আনন্দিত হয়েছেন। কারণ তারা জানতেন, টিকিটটি দালালের কাছ থেকে বহু গুণ বেশি দামে কিনতে হচ্ছে না। পরিচয়পত্র পরীক্ষা বা পুনর্বিক্রয় নিষেধাজ্ঞা তাদের জন্য অসুবিধা হলেও সাশ্রয়ী দামে আসল অভিজ্ঞতা পাওয়ার সুযোগ ছিল বড় বিষয়।

    তবে লটারির প্রয়োজনীয়তা নিজেই আরেকটি সমস্যা দেখায়। যখন টিকিট বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে দেওয়া হয়, তখন আগ্রহী মানুষের সংখ্যা আসনের সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি হয়ে যায়। তখন আয়োজকদের সিদ্ধান্ত নিতে হয়, কারা এই সাশ্রয়ী টিকিট পাবে। একদিকে ভক্তবান্ধব টিকিট রাখা দরকার, অন্যদিকে আয়োজনের বিপুল খরচ মেটাতে বাজারদরেও টিকিট বিক্রি করতে হয়। তাই পুরো ব্যবস্থাটিকে ভারসাম্যের মধ্যে রাখা কঠিন।

    এবারের বিশ্বকাপের কিছু প্রাথমিক ম্যাচে খালি আসন দেখা যাওয়ায় অনেকে বলছেন, ফিফা অতিরিক্ত দাম নিয়েছে। এই যুক্তিও অমূলক নয়। দাম এত বেশি হলে অনেক সাধারণ ভক্ত স্টেডিয়ামে যেতে পারবেন না, ফলে আসন খালি থাকতে পারে। কিন্তু মুনাফা সর্বোচ্চ করার কৌশল সবসময় পূর্ণ স্টেডিয়াম নিশ্চিত করে না। কোনো আয়োজক কম দর্শক নিয়ে বেশি আয় করতে পারে, আবার বেশি দর্শক নিয়ে কম আয়ও করতে পারে। এখানেই বাণিজ্যিক হিসাব ও খেলাধুলার সামাজিক চরিত্রের সংঘাত তৈরি হয়।

    বিশ্বকাপ শুধু পণ্য নয়, এটি আবেগ, সংস্কৃতি ও বৈশ্বিক উৎসব। তাই টিকিটের দাম নির্ধারণে শুধু বাজারের চাহিদা নয়, ভক্তের অধিকারও বিবেচনায় রাখা উচিত। ফিফা যদি সব আয়ের উৎস নিজের হাতে রাখতে চায়, সেটি ব্যবসায়িক দৃষ্টিতে বোঝা যায়। কিন্তু ফুটবলের নৈতিক দায়ও আছে। কোটি কোটি মানুষ এই খেলাকে নিজের জীবনের অংশ মনে করে। তাদের জন্য অন্তত কিছু সাশ্রয়ী, নিরাপদ এবং দালালমুক্ত টিকিটের ব্যবস্থা থাকা উচিত।

    সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ টিকিট বিতর্ক আমাদের একটি কঠিন সত্যের সামনে দাঁড় করায়। দাম বেশি হলে ভক্ত ক্ষুব্ধ হন, দাম কম হলে দালালরা লাভবান হতে পারে। তাই সমাধান শুধু দাম কমানো নয়; দরকার স্মার্ট, স্বচ্ছ ও ভক্তবান্ধব টিকিট ব্যবস্থা। যেখানে একদিকে কালোবাজারি ঠেকানো যাবে, অন্যদিকে প্রকৃত ফুটবলপ্রেমীদের জন্য স্টেডিয়ামের দরজা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে না।

    ফিফার বর্তমান মূল্যনীতি অনেকের কাছে নির্মম মনে হতে পারে। কিন্তু এর পেছনে বাজারের যুক্তি আছে। আবার সেই যুক্তি দেখিয়ে সাধারণ ভক্তদের উপেক্ষা করাও গ্রহণযোগ্য নয়। তাই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ হতে পারে মিশ্র ব্যবস্থা—কিছু টিকিট বাজারদরে, কিছু টিকিট কঠোর পুনর্বিক্রয় নিষেধাজ্ঞাসহ কম দামে, এবং পুরো প্রক্রিয়ায় আসন, মূল্য ও প্রাপ্যতা নিয়ে পূর্ণ স্বচ্ছতা।

    বিশ্বকাপের আসল শক্তি মাঠের খেলা নয় শুধু; গ্যালারির মানুষও সেই শক্তির অংশ। যদি সেই মানুষদের বড় অংশই দামের কারণে বাইরে থেকে যায়, তাহলে আয়োজন যতই সফল হোক, তার প্রাণ কিছুটা কমে যায়। তাই টিকিটের অর্থনীতি বুঝতে হবে, কিন্তু ভক্তের জায়গাটিও ভুলে গেলে চলবে না। বিশ্বকাপের টিকিট নিয়ে চলমান বিতর্ক তাই কেবল দাম নিয়ে নয়; এটি ফুটবল কার, বিশ্বকাপ কার, আর বৈশ্বিক খেলাধুলার উৎসবে সাধারণ মানুষের জায়গা কোথায়—এই বড় প্রশ্নেরও অংশ।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    খেলা

    কালিমার মর্যাদায় বিশ্বকাপে মাটিতে নামেনি সৌদির পতাকা

    জুন 16, 2026
    খেলা

    আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ কেমন হতে পারে?

    জুন 16, 2026
    আন্তর্জাতিক

    বিশ্বকাপ ২০২৬: ইরানের জন্য রাজনীতি ও ফুটবল আবারও মুখোমুখি

    জুন 15, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.