লন্ডনের প্যালাডিয়ামে সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এবারের আসরে পুরুষদের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার জিতেছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন। নারী বিভাগে সেরার স্বীকৃতি পেয়েছেন বার্সেলোনার স্প্যানিশ তারকা আলেক্সিয়া পুতেয়াস।
বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে দুর্দান্ত মৌসুম কাটানোর স্বীকৃতি হিসেবে ব্যালন ডি’অর জিতেছেন কেইন। গত মৌসুমে ৬৫ ম্যাচে ৭৩ গোল করে আলোচনায় ছিলেন এই ইংলিশ স্ট্রাইকার। ২৫ বছর পর পুরুষদের ব্যালন ডি’অর জেতা প্রথম ইংলিশ ফুটবলার হলেন তিনি। পুরস্কারের দৌড়ে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিনে ইয়ামাল।
নারী বিভাগে তৃতীয়বারের মতো ব্যালন ডি’অর জিতেছেন আলেক্সিয়া পুতেয়াস। গত মৌসুমে বার্সেলোনার চারটি শিরোপা জয়ের অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।
অনুষ্ঠানের প্রথম পুরস্কারটি জেতেন বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। বছরের সেরা উদীয়মান পুরুষ ফুটবলারের পুরস্কার পেলেও ইয়ামাল মনে করেন, এই স্বীকৃতির যোগ্য ছিলেন তাঁর সতীর্থ পাউ কুবারসি।
স্পেনকে উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দেওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে পুরুষদের বর্ষসেরা কোচ নির্বাচিত হয়েছেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে। নারী বিভাগে এই পুরস্কার জিতেছেন বার্সেলোনার কোচ পেরে রোমেউ।
ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর বিজয়ীদের পূর্ণ তালিকা
পুরুষ বিভাগ
- বর্ষসেরা ফুটবলার: হ্যারি কেইন — বায়ার্ন মিউনিখ, ইংল্যান্ড
- বর্ষসেরা উদীয়মান ফুটবলার: লামিনে ইয়ামাল — বার্সেলোনা, স্পেন
- বর্ষসেরা কোচ: লুইস দে লা ফুয়েন্তে — স্পেন
- বর্ষসেরা গোলরক্ষক: উনাই সিমন — অ্যাথলেটিক বিলবাও, স্পেন
- বর্ষসেরা ক্লাব: প্যারিস সাঁ-জার্মেই
- বর্ষসেরা স্ট্রাইকার: হ্যারি কেইন — বায়ার্ন মিউনিখ, ইংল্যান্ড
নারী বিভাগ
- বর্ষসেরা ফুটবলার: আলেক্সিয়া পুতেয়াস — বার্সেলোনা, স্পেন
- বর্ষসেরা উদীয়মান ফুটবলার: ভিকি লোপেজ — বার্সেলোনা, স্পেন
- বর্ষসেরা কোচ: পেরে রোমেউ — বার্সেলোনা
- বর্ষসেরা গোলরক্ষক: কাতা কোল — বার্সেলোনা, স্পেন
- বর্ষসেরা ক্লাব: বার্সেলোনা
- বর্ষসেরা স্ট্রাইকার: চার্লিন কোরাল — সিএফ পাচুকা, মেক্সিকো
অন্যান্য পুরস্কার
- সক্রেটিস পুরস্কার: বুকায়ো সাকা — আর্সেনাল, ইংল্যান্ড। ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত মানবিক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক উদ্যোগে অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
এবারের আসরে পুরুষ ও নারী ফুটবলে ব্যক্তিগত নৈপুণ্য, কোচিং এবং দলীয় সাফল্যের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। কেইন ও পুতেয়াসের জয় যেমন আলোচনায় এসেছে, তেমনি ইয়ামালের মতো তরুণদের স্বীকৃতি ভবিষ্যৎ ফুটবলের প্রতিভা নিয়েও আগ্রহ বাড়িয়েছে।

