বিপিএলের একাদশ আসর শুরু হচ্ছে সোমবার (৩০ ডিসেম্বর)। টুর্নামেন্ট শুরু হতে আর ২৪ ঘন্টাও বাকি নেই। অথচ বিপিএলের টিকিট নিয়ে এখনো দোলাচালে দর্শকরা। সকাল থেকে অবশ্য মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম এলাকায় টিকেটের জন্য ভীড় দেখা যায়।
আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের টিকিটের মূল্যতালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। জানা গেছে, টিকিট বিক্রির পুরো দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মধুমতী ব্যাংককে। তাদের ৭টি শাখায় বিক্রি হবে টিকিট। টিকেট মিলবে স্টেডিয়ামের ১নং গেটের পাশের বুথে। যদিও কোন সময়ে তা পাওয়া যাবে এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, বেলা ২টা থেকে তারা টিকিট বিতরণ শুরু করবেন। টিকিট পাওয়া যাবে মিরপুর, উত্তরা, ধানমন্ডি, গুলশানসহ আরো বেশ কয়েকটি বুথে। সরাসরি ব্যাংক কর্মকর্তারা টিকিট বিতরণ করবেন।
বিসিবি জানিয়েছে, মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে মোট ১১ ধরনের টিকিট ছাড়া হয়েছে। এর মধ্যে সর্বনিম্ন ২০০ টাকায় কেনা যাবে ইস্টার্ন গ্যালারির টিকিট। আর সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা খরচ করতে হবে গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের টিকিটের জন্য। গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড ও ইস্টার্ন গ্যালারির অবস্থান পিচের দুই পাশে। বোলিং ও ব্যাটিংয়ের প্রান্ত স্টেডিয়ামের সাউথ ও নর্থ অংশে। এ দুটি অংশের গ্যালারিগুলোতে ৩০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত দামের টিকিট পাওয়া যাবে। এ সব টিকিট কেনা যাবে আজ বিকেল ৪টা থেকে, চলবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। আগামীকাল উদ্বোধনী ম্যাচের দিন টিকিট বিক্রি শুরু হবে সকাল ১০টা থেকে।
বিসিবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই আজ সকাল থেকে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে হাজির হন হাজারখানেক দর্শক। টিকিট না পাওয়ায় এবং টিকিট নিয়ে বিসিবি আরও আগে স্পষ্ট করে কিছু না বলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা। কেউ কেউ জানান ঢাকার বাইরে থেকে এসেছেন। পরে টিকিট-প্রত্যাশী দর্শক টিকিট নিয়ে বিসিবির ‘অবহেলা’র বিরুদ্ধে মিছিলও করেন।
অনলাইনে টিকিট কেনা যাবে www.gobcbticket.com.bd থেকে। আর ঢাকায় মধুমতি ব্যাংকের সাতটি শাখা থেকে টিকিট বিক্রি হবে। শাখাগুলো হচ্ছে মিরপুর ১১, মতিঝিল, উত্তরা জসিমউদ্দিন, গুলশান, ধানমন্ডি, কামরাঙ্গীরচর ও পল্টনের ভিআইপি রোড।

