Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, এপ্রিল 20, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » লেবাননে ৯০ সেকেন্ডে ১০০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল
    আন্তর্জাতিক

    লেবাননে ৯০ সেকেন্ডে ১০০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল

    হাসিব উজ জামানএপ্রিল 20, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে ঘিরে যে চিত্র সামনে এসেছে, তা কেবল যুদ্ধের নয়, বরং এক গভীর মানবিক বিপর্যয়ের। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া জনপদ, আতঙ্কে পালিয়ে যাওয়া পরিবার, সমুদ্রতীরবর্তী বৈরুতজুড়ে বোমার দাগ, আর শোকের ভারে নুয়ে পড়া মানুষের মুখ—সব মিলিয়ে এই সংঘাত এখন আর শুধু সামরিক হিসাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি হয়ে উঠেছে রাষ্ট্রীয় শক্তি, দখল, প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের এক নির্মম অধ্যায়।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র ৯০ সেকেন্ডে ১০০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়। এই তথ্যকে কেন্দ্র করেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে ইসরায়েলের সামরিক কৌশল, যার লক্ষ্য কেবল নির্দিষ্ট অবস্থান ধ্বংস করা নয়, বরং ভয়, অস্থিরতা এবং পূর্ণাঙ্গ বিপর্যয় ছড়িয়ে দেওয়া। গত দুই বছরে লেবাননে ইসরায়েলের সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাগুলোর একটি হিসেবে এই আক্রমণকে দেখা হচ্ছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে এই হামলার ভয়াবহতার যে চিত্র উঠে এসেছে, তা যুদ্ধের ভাষাকেও অনেক সময় ছোট করে দেয়।

    বৈরুতের উপকূলীয় অংশসহ বিভিন্ন স্থানে একের পর এক বিস্ফোরণ শুধু স্থাপনা ধ্বংস করেনি, মানুষের জীবন ও নিরাপত্তাবোধকেও ভেঙে চুরমার করেছে। বহু ঘরবাড়ি, ভবন, অবকাঠামো মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। যে শহর একসময় দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক ছন্দে বেঁচে ছিল, তা এখন পরিণত হয়েছে ধোঁয়া, আগুন আর ধ্বংসস্তূপের ভূদৃশ্যে।

    ৮ এপ্রিল: ‘কালো বুধবার’-এর নির্মমতা

    মিডল ইস্ট আইয়ের এক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গত ৮ এপ্রিল ছিল সেই ভয়াবহ দিন, যেদিন ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী লেবাননের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন ইটারনাল ডার্কনেস’ নামে এক অভিযান শুরু করে। নামের মধ্যেই যে অন্ধকারের ইঙ্গিত ছিল, বাস্তবে তার প্রভাব ছিল আরও ভয়ংকর। মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে দেশজুড়ে শতাধিক স্থানে হামলা চালানো হয়। এতে ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন এবং অন্তত ১,১৫০ জন আহত হন। এ কারণেই দিনটি অনেকের কাছে এখন ‘কালো বুধবার’ নামে পরিচিত।

    একটি রাষ্ট্র যখন এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বিস্তৃত এলাকায় আঘাত হানে, তখন সেটি নিছক টার্গেটেড স্ট্রাইক থাকে না; তা পরিণত হয় একটি সমষ্টিগত বার্তায়। সেই বার্তা হলো—কোনও স্থানই নিরাপদ নয়। এই ধরনের কৌশলের লক্ষ্য কেবল প্রতিপক্ষকে দুর্বল করা নয়; বরং পুরো সমাজকে মানসিকভাবে ভেঙে দেওয়া। লেবাননের মানুষের কাছে ৮ এপ্রিলের স্মৃতি তাই কেবল একটি হামলার স্মৃতি নয়, বরং অনিশ্চয়তা, আতঙ্ক ও ক্ষয়ক্ষতির এক দীর্ঘ ছায়া।

    যুদ্ধবিরতি কার্যকর, কিন্তু গোলাবর্ষণ বন্ধ নয়

    পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে যুদ্ধবিরতির ভঙ্গুরতা। গত ১৬ এপ্রিল ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে—এমন খবর কিছুটা স্বস্তি এনে দিলেও বাস্তবতা খুব দ্রুত ভিন্ন চিত্র দেখায়। অভিযোগ হলো, চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন গ্রামে ইসরায়েল গোলাবর্ষণ শুরু করতে দেরি করেনি। অর্থাৎ, কাগজে যুদ্ধবিরতি থাকলেও মাটিতে যুদ্ধের বাস্তবতা থেকে মানুষ মুক্তি পায়নি।

    এই বৈপরীত্য এখন মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত রাজনীতির এক পরিচিত রূপ। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ভাষায় যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়, কিন্তু সীমান্তে মানুষের জীবন তখনও বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে। লেবাননের ক্ষেত্রেও তাই দেখা যাচ্ছে—চুক্তির ভাষা যতটা শান্ত, বাস্তবতার দৃশ্যপট ততটাই অস্থির।

    শিয়া অধ্যুষিত এলাকাকে ‘ঘাঁটি’ আখ্যা, তারপর ব্যাপক ধ্বংস

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে ইসরায়েল তার স্বাভাবিক সামরিক পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনে নির্দিষ্ট ভৌগোলিক ও সাম্প্রদায়িক অঞ্চলকে বেশি করে নিশানা বানায়। বিশেষ করে শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলোকে হিজবুল্লাহর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বর্ণনা করে সেখানে তীব্র হামলা চালানো হয়। এই ধরনের কৌশল শুধু সামরিক নয়, রাজনৈতিকও। কারণ এতে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে সমষ্টিগতভাবে নিরাপত্তা হুমকির সঙ্গে যুক্ত করা হয়, যা ভবিষ্যতে আরও গভীর সামাজিক বিভাজন তৈরি করতে পারে।

    এখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি সামনে আসে: কোনও সশস্ত্র সংগঠনের উপস্থিতির অভিযোগকে সামনে এনে পুরো বসতিপূর্ণ অঞ্চলকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া কতটা ন্যায্য? যুদ্ধের ভাষা প্রায়ই ‘সামরিক প্রয়োজন’-এর যুক্তি তুলে ধরে, কিন্তু মাটির বাস্তবতায় সেই যুক্তির আঘাত এসে পড়ে শিশু, নারী, বয়স্ক, শ্রমজীবী মানুষ এবং সাধারণ পরিবারগুলোর ওপর। ফলে যুদ্ধের প্রকৃত মূল্য দেয় তারা, যারা যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেয় না।

    ১৯৮২ সালের বৈরুতের প্রতিধ্বনি

    ইসরায়েলি হামলার এই ধ্বংসাত্মক চরিত্র অনেক পর্যবেক্ষকের কাছে নতুন নয়। ফিলিস্তিনি গবেষক এবং প্রয়াত এডওয়ার্ড সাঈদের বোন জ্যাঁ সাঈদ মাকদিসি ১৯৮২ সালের বোমাবর্ষণের যে ভয়াবহ বর্ণনা দিয়েছিলেন, বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে তার অস্বস্তিকর মিল খুঁজে পাওয়া যায়। তিনি সেই সময়ের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে লিখেছিলেন, শহরটিকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার এক উন্মত্ত ধ্বংসপ্রবণতার কথা।

    এই তুলনা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি বোঝায়—লেবাননের ওপর হামলা বিচ্ছিন্ন কোনো সামরিক ঘটনা নয়; বরং তা দীর্ঘ ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি। অর্থাৎ, আজকের ধ্বংসযজ্ঞকে বোঝার জন্য শুধু সাম্প্রতিক ঘটনাই নয়, অঞ্চলটির অতীতও মনে রাখতে হয়। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি যখন ঘটে, তখন তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ থাকে ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়ি, ভেঙে যাওয়া পরিবার এবং যুদ্ধ-পরবর্তী নীরবতায়।

    যুদ্ধবিরতির মাঝেও ইসরায়েলের ক্ষয়ক্ষতি

    সংঘাতের এই পর্যায়ে কেবল লেবাননই ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি; ইসরায়েলও ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করেছে। গত দুই দিনে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের ২ সেনা নিহত হয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ জানিয়েছে, সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে মোট ১৫ ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছে এবং আরও ১২ সেনা আহত হয়েছে।

    এই পরিসংখ্যান দেখায়, যুদ্ধবিরতি থাকলেও সংঘাত বাস্তবে থামেনি। বরং তা এমন এক অবস্থায় আছে, যেখানে উভয় পক্ষই সামরিক ও রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু এখানেও মূল প্রশ্ন ফিরে আসে সাধারণ মানুষের কাছে—এই সংঘাতের শেষ কোথায়? সীমান্তের লড়াই, পাল্টা আক্রমণ, সামরিক ক্ষয়ক্ষতি—সবশেষে এর বোঝা বহন করে জনপদ, অর্থনীতি এবং বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো।

    হিজবুল্লাহর পাঁচ শর্ত: শুধু যুদ্ধ থামানো নয়, স্থায়ী পরিবর্তনের দাবি

    এই প্রেক্ষাপটে হিজবুল্লাহ লেবাননে আগ্রাসন বন্ধ ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে পাঁচটি শর্ত দিয়েছে। সংগঠনটির মহাসচিব শেখ নাইম কাশেম শনিবার রাতে প্রকাশিত এক বার্তায় ইরানের সহায়তার প্রশংসা করেন এবং যুদ্ধবিরতিকে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সক্ষমতার ফল বলে উল্লেখ করেন। তার বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট—হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতিকে কেবল সাময়িক গোলাবিরতি হিসেবে নয়, বরং বৃহত্তর রাজনৈতিক সমাধানের প্রারম্ভিক ধাপ হিসেবে দেখতে চায়।

    তাদের শর্তগুলো হলো:

    • আকাশ, স্থল ও সমুদ্র—সব জায়গায় লেবাননের বিরুদ্ধে আগ্রাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে
    • ইসরায়েলি বাহিনীকে সম্পূর্ণভাবে লেবাননের ভূখণ্ড থেকে সীমান্ত লাইনে ফিরে যেতে হবে
    • বন্দিদের মুক্তি দিতে হবে
    • সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের নিজ শহর ও গ্রামে ফিরতে দিতে হবে
    • আন্তর্জাতিক ও আরব সহায়তায় পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরু করতে হবে, এবং সেটি হতে হবে জাতীয় দায়িত্বের ভিত্তিতে

    এই শর্তগুলো শুধু যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নয়; এগুলো মূলত যুদ্ধ-পরবর্তী বাস্তবতার একটি রূপরেখা। এতে সামরিক উপস্থিতি, মানবিক প্রত্যাবর্তন, বন্দি ইস্যু এবং পুনর্গঠন—সবকিছুকে একসঙ্গে ভাবা হয়েছে। অর্থাৎ, হিজবুল্লাহ বুঝিয়ে দিতে চাইছে যে কেবল গোলাবর্ষণ বন্ধ হলেই সংকট শেষ হবে না; ক্ষতিগ্রস্ত সমাজকে পুনর্গঠন না করা গেলে সংঘাতের আগুন চাপা থাকবে, নেভাবে না।

    হামলার মধ্যেই ঘরে ফেরার চেষ্টা

    এই সংকটের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দিকগুলোর একটি হলো—হামলা পুরোপুরি বন্ধ না হলেও বহু বাস্তুচ্যুত পরিবার ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। সীমান্তের কাছে গোলাবর্ষণ, বাড়িঘর ভেঙে ফেলা এবং চলমান হামলার ঝুঁকি সত্ত্বেও হাজার হাজার লেবানিজ পরিবার তাদের দক্ষিণের বাড়ির পথে যাত্রা করেছে। গত শনিবার সড়কে দেখা গেছে তোশক, ব্যাগ আর পতাকা বোঝাই যানবাহনের দীর্ঘ সারি।

    এই দৃশ্যকে শুধু প্রত্যাবর্তন বলা যথেষ্ট নয়; এটি আসলে টিকে থাকার এক ঘোষণা। মানুষ জানে তাদের ঘর হয়তো আর আগের মতো নেই, শহর হয়তো ভেঙে গেছে, গ্রাম হয়তো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে—তবুও তারা ফিরছে। কারণ বাস্তুচ্যুতির জীবন যত দীর্ঘ হয়, ততই মানুষ বুঝতে পারে, আশ্রয় এবং ঘরের মধ্যে কত গভীর পার্থক্য।

    লেবাননের কর্তৃপক্ষের হিসাবে, এই সংঘাত চলাকালে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ২,৩০০ জন নিহত হয়েছেন এবং ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। তাদের বড় অংশই দক্ষিণ লেবানন এবং বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহরের বাসিন্দা। এই সংখ্যা কেবল পরিসংখ্যান নয়; এর ভেতরে রয়েছে হাজারো পরিবার, অসমাপ্ত জীবন, ভেঙে যাওয়া স্বপ্ন এবং অজস্র ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি।

    এই সংঘাত আমাদের কী বলে?

    লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতি কয়েকটি কঠিন সত্য আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। প্রথমত, আধুনিক যুদ্ধের ভাষা যতই ‘নির্ভুল’ বা ‘টার্গেটেড’ আক্রমণের কথা বলুক, বাস্তবে তার সবচেয়ে বড় শিকার হয় বেসামরিক মানুষ। দ্বিতীয়ত, যুদ্ধবিরতি কেবল তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা মাটিতে বাস্তব পরিবর্তন আনে। আর তৃতীয়ত, ধ্বংসের পর পুনর্গঠন শুধু ইট-পাথরের কাজ নয়; এটি মানুষের মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ ফিরিয়ে আনার লড়াই।

    ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপের মধ্যে যে তীব্রতা দেখা গেছে—৯০ সেকেন্ডে ১০০ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা, ৮ এপ্রিলের শতাধিক স্থানে আঘাত, ৩০০-এর বেশি নিহত, ১,১৫০ আহত, প্রায় ২,৩০০ নিহত, ১০ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত—এসব শুধু বর্তমানের খবর নয়, ভবিষ্যতের জন্যও সতর্ক সংকেত। কারণ এমন আঘাতের সামাজিক প্রতিক্রিয়া বহু বছর ধরে টিকে থাকে।

    লেবাননে যা ঘটছে, তা কেবল সীমান্ত সংঘাত নয়; এটি মানুষের জীবন, ঘরবাড়ি, স্মৃতি এবং ভবিষ্যতের ওপর এক বহুমাত্রিক আঘাত। যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরও যখন গোলাবর্ষণ থামে না, তখন বোঝা যায় সংকট কত গভীরে। আর যখন ধ্বংসস্তূপের ভেতর দিয়েই মানুষ ঘরে ফেরার চেষ্টা করে, তখন বোঝা যায়—যুদ্ধ যত বড়ই হোক, মানুষের ঘর ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা তার চেয়েও বড়।

    আজকের লেবানন তাই শুধু একটি ভৌগোলিক সংবাদ নয়; এটি আমাদের সময়ের নির্মম রাজনৈতিক বাস্তবতার এক আয়না, যেখানে সামরিক শক্তি, কৌশল, প্রতিশোধ, প্রতিরোধ—সবকিছুর মাঝখানে সবচেয়ে অসহায় হয়ে পড়ে সাধারণ মানুষই।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ৫০ দিনের যুদ্ধে যেভাবে ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের তেল হারাল বিশ্ব

    এপ্রিল 20, 2026
    অর্থনীতি

    বিশ্বের শীর্ষ ১০ গ্যাস উৎপাদক দেশ ও তাদের উৎপাদন চিত্র

    এপ্রিল 20, 2026
    আন্তর্জাতিক

    উত্তর নাইজেরিয়ায় আসলে কী ঘটছে

    এপ্রিল 20, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.