Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, আগস্ট 11, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড
    আন্তর্জাতিক

    সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড

    নিউজ ডেস্কUpdated:আগস্ট 11, 2026আগস্ট 11, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    সিরিয়ার দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের সময় সংঘটিত গুরুতর অপরাধের দায়ে দেশটির ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন একটি আদালত। মঙ্গলবার দামেস্কের আদালতে অনুপস্থিত থাকা বাশার আল-আসাদকে পরিকল্পিত হত্যা, নির্যাতন ও মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে এই সাজা দেওয়া হয়।

    একই মামলায় মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন তাঁর ভাই মাহের আল-আসাদ এবং আত্মীয় আতেফ নাজিব। মাহেরের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হত্যা ও নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে আতেফ নাজিবকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    বর্তমানে বাশার আল-আসাদ ও তাঁর ভাই মাহের আল-আসাদ দুজনই রাশিয়ায় অবস্থান করছেন। ফলে মঙ্গলবারের রায় তাঁদের অনুপস্থিতিতেই ঘোষণা করা হয়েছে।

    সিরিয়ার বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের শিকড় খুঁজতে গেলে ফিরে যেতে হয় ২০১১ সালে। ওই বছর দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় দেরা প্রদেশে সরকারবিরোধী আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। শুরুতে আন্দোলনটি ছিল রাজনৈতিক ও সামাজিক দাবিকে কেন্দ্র করে। কিন্তু সরকারের কঠোর দমন-পীড়নের কারণে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    ক্রমে সেই আন্দোলন বৃহত্তর গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। পরে দেশজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে তা দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধে পরিণত হয়। এই সংঘাত সিরিয়ার রাজনৈতিক কাঠামো, অর্থনীতি ও সামাজিক জীবনকে ব্যাপকভাবে বিপর্যস্ত করে।

    আদালতের রায়ে আতেফ নাজিবের ভূমিকার বিষয়টিও বিশেষভাবে উঠে এসেছে। তিনি সে সময় দেরা প্রদেশের রাজনৈতিক নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    আদালতের তথ্য অনুযায়ী, আতেফ নাজিবের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের পাশাপাশি ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগও রয়েছে। নির্যাতনের কারণে মৃত্যুর ঘটনাতেও তাঁর সংশ্লিষ্টতার কথা আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

    রায় ঘোষণার সময় নাজিব আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁকে কয়েদির পোশাক পরা অবস্থায় দেখা যায়।

    সিরিয়ার নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় এই বিচারকে পুরোনো শাসনামলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জবাবদিহির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ২০১১ সালের আন্দোলন দমনে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও নিরাপত্তা কাঠামোর ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যে অভিযোগ রয়েছে, তারই একটি অংশ এই বিচারের মাধ্যমে সামনে এসেছে।

    বাশার আল-আসাদ প্রায় ২৪ বছর সিরিয়ার ক্ষমতায় ছিলেন। তাঁর শাসনামলে সরকারবিরোধী আন্দোলন ও পরে গৃহযুদ্ধ দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ অধ্যায়গুলোর একটি হয়ে ওঠে।

    দীর্ঘ সংঘাতের পর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পরিস্থিতির নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে। সরকারবিরোধী বাহিনীর অগ্রযাত্রা তীব্র হলে বাশার আল-আসাদ ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে করে দামেস্ক ছেড়ে রাশিয়ায় চলে যান। এর মধ্য দিয়ে তাঁর দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটে এবং আসাদ সরকারের পতন হয়।

    ক্ষমতা হারানোর পর রাশিয়ায় নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন তিনি। সেই অবস্থাতেই সিরিয়ার আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে চলা বিচার প্রক্রিয়ায় মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হলো।

    বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে এই রায় সিরিয়ার রাজনীতিতে নতুন একটি অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা কোনো শাসকের পতনের পর তাঁর আমলের কর্মকাণ্ডের বিচার কতটা স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে করা যায়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

    বিশেষ করে গৃহযুদ্ধের সময় সংঘটিত হত্যা, নির্যাতন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ বহু বছর ধরে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও আলোচিত হয়েছে। এখন সিরিয়ার আদালতে এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দেওয়া রায় সেই জবাবদিহির প্রক্রিয়াকে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।

    তবে আসাদ ও তাঁর ভাই রাশিয়ায় অবস্থান করায় মৃত্যুদণ্ডের রায় বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে, সেটি বড় একটি প্রশ্ন। আদালতের রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে আইনি প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শেষ হলেও বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রে সিরিয়ার বর্তমান রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    সব মিলিয়ে, প্রায় ২৪ বছর ক্ষমতায় থাকা বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় সিরিয়ার সাম্প্রতিক ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা। ২০১১ সালের আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া সংঘাত, দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ, ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আসাদ সরকারের পতনের পর এবার তাঁর শাসনামলের বিভিন্ন অপরাধের দায় নিয়ে আদালতের রায় সামনে এলো।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

    আগস্ট 11, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইউক্রেনে ৫ লাখ সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি রাশিয়ার, পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা

    আগস্ট 11, 2026
    আন্তর্জাতিক

    প্রায় পৌনে দুই লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র

    আগস্ট 11, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.