Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, আগস্ট 28, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করা এক শিশুর জন্য আকাশপথে ছুটল যুদ্ধবিমান! এক অবিশ্বাস্য মানবিক মিশন
    আন্তর্জাতিক

    মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করা এক শিশুর জন্য আকাশপথে ছুটল যুদ্ধবিমান! এক অবিশ্বাস্য মানবিক মিশন

    নিউজ ডেস্কআগস্ট 27, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ১৯৮২ সালের ২২ জানুয়ারি। ইতালির সার্ডিনিয়ার কালিয়ারির একটি হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিল ছোট্ট জেসিকা। সার্ডিনিয়ার সংবাদমাধ্যম L’Unione Sarda তাকে আট বছর বয়সী বলে উল্লেখ করেছে। চিকিৎসকেরা মনে করেছিলেন, মেয়েটির হাতে হয়তো আর ২৪ ঘণ্টাও নেই।

    তখন এক চিকিৎসকের মনে পড়ে জার্মানিতে তৈরি পরীক্ষামূলক একটি অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের কথা। সেটিই হতে পারে জেসিকার শেষ আশা।

    সমস্যা ছিল, ওষুধটি পাওয়া যাচ্ছিল শুধু জার্মানির একটি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানে। আর সেদিন জার্মানিজুড়ে ভয়াবহ তুষারপাত ও বরফবৃষ্টিতে সড়ক, রেল ও বেসামরিক বিমান চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছিল। জেসিকার চিকিৎসক সাহায্য চান সার্ডিনিয়ার ডেসিমোমান্নু বিমানঘাঁটির জার্মান বিমানবাহিনীর সদস্যদের কাছে। এরপর শুরু হয় অবিশ্বাস্য এক সমন্বিত অভিযান।

    জার্মান সামরিক কর্তৃপক্ষ খুঁজে বের করে, ওষুধটি মিউনিখে রয়েছে। পুলিশ সংশ্লিষ্ট ওষুধ কোম্পানির এক কর্মকর্তাকে একটি অনুষ্ঠান থেকে নিয়ে আসে। এরপর বরফে ঢাকা প্রায় ১৩০ কিলোমিটার রাস্তা পাড়ি দিয়ে পুলিশি ব্যবস্থায় ওষুধটি পৌঁছে দেওয়া হয় মেমিনগেন বিমানঘাঁটিতে।

    কিন্তু সেখান থেকে উড়বে কীভাবে? রানওয়ে এতটাই বরফে ঢাকা ছিল যে পুরোটা পরিষ্কার করার সময় ছিল না। শুধু মাঝ বরাবর একটি সরু অংশ বরফমুক্ত করা হয়। ট্যাক্সিওয়ে ব্যবহার করা সম্ভব না হওয়ায় F-104 Starfighter যুদ্ধবিমানটিকে টেনে সরাসরি রানওয়েতে নিয়ে যাওয়া হয়। স্বেচ্ছায় এই ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব নেন জার্মান লুফটওয়াফের তরুণ পাইলট লেফটেন্যান্ট ইয়ুর্গেন গুন্ডলিং। তার মিশনের কলসাইন দেওয়া হয় ‘Rescue One’।

    রাত ১টা ৫০ মিনিটের দিকে ওষুধটি তার ককপিটে তুলে দেওয়া হয়। উড্ডয়নের আগে আরেকটি কূটনৈতিক বাধাও পেরোতে হয়। নিরপেক্ষ অস্ট্রিয়ার আকাশসীমা দিয়ে সামরিক বিমান ওড়ানোর বিশেষ অনুমতি নেওয়া হয়। সম্ভাব্য জরুরি অবতরণের জন্য ইতালির একাধিক সামরিক বিমানঘাঁটিও সারারাত খোলা রাখা হয়েছিল। এরপর Starfighter নিয়ে সার্ডিনিয়ার উদ্দেশে ছুটে যান গুন্ডলিং। কিন্তু ডেসিমোমান্নুতে পৌঁছে অপেক্ষা করছিল নতুন বিপদ।

    কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টিতে রানওয়ের লাইটিং সিস্টেমের তার পানিতে ডুবে গিয়েছিল। ফলে গভীর রাতে রানওয়ে প্রায় অন্ধকার হয়ে ছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে সামরিক ও বেসামরিক গাড়ি, বিশেষ করে ট্রাক, রানওয়ের পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো হয়। তাদের হেডলাইট জ্বালিয়ে তৈরি করা হয় অস্থায়ী আলোর ব্যবস্থা! একজন রাডার কন্ট্রোলারও বাড়ি থেকে ফিরে এসে গুন্ডলিংকে অবতরণে সহায়তা করেন।

    প্রায় রাত ৩টার দিকে অন্ধকার ও বৃষ্টির মধ্যে নিরাপদে অবতরণ করে ‘Rescue One’। সঙ্গে সঙ্গে ইতালীয় কারাবিনিয়েরি ওষুধটি নিয়ে ছুটে যায় কালিয়ারির শিশু হাসপাতালে। জেসিকাকে ওষুধ দেওয়া হয়। সে বেঁচে যায়।

    এটা কোনো পরিকল্পিত সামরিক অভিযান ছিল না। এক শিশুর জীবন বাঁচাতে চিকিৎসক, পুলিশ, সামরিক কর্মকর্তা, বিমানঘাঁটির কর্মী, কূটনীতিক, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার এবং একজন স্বেচ্ছাসেবী যুদ্ধবিমান পাইলট, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সবাই মিলে অসম্ভব একটি কাজ সম্ভব করেছিলেন।

    আর যে F-104 Starfighter মূলত যুদ্ধের জন্য তৈরি হয়েছিল, সেই রাতেই তার সবচেয়ে স্মরণীয় মিশনগুলোর একটি ছিল একটি শিশুর কাছে ওষুধ পৌঁছে দেওয়া।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ভূ-রাজনীতি

    মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিলে বাংলাদেশের কী লাভ, কী ঝুঁকি?

    আগস্ট 28, 2026
    আন্তর্জাতিক

    যুক্তরাষ্ট্র থেকে ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী জ্যাভলিন ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ভারত

    আগস্ট 28, 2026
    ভূ-রাজনীতি

    তারেক রহমানকে দিল্লিতে স্বাগত জানাতে কেন আগ্রহী ভারত?

    আগস্ট 28, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিলে বাংলাদেশের কী লাভ, কী ঝুঁকি?

    ভূ-রাজনীতি আগস্ট 28, 2026

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.