ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৫ লাখের বেশি রুশ সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা স্টাফের প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল রিচার্ড নাইটন।
শুক্রবার তিনি জানান, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর রুশ বাহিনীর হতাহতের বিষয়ে যুক্তরাজ্যের করা হিসাব ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রকাশিত তথ্যের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে এ বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
পশ্চিমা কর্মকর্তা ও সামরিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য, বিপুল সামরিক শক্তি নিয়েও রাশিয়া যুদ্ধক্ষেত্রে প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জন করতে পারছে না। চলতি বছরে রুশ বাহিনীর অগ্রগতির গতিও আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে তাদের দাবি।
রিচার্ড নাইটনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধে রাশিয়ার বিপুলসংখ্যক সামরিক সরঞ্জামও ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজারের বেশি সাঁজোয়া যান, প্রায় ৩ হাজার আকাশ প্রতিরক্ষা ও কামান ব্যবস্থা এবং ৩৭০টির বেশি বিমান ও হেলিকপ্টার রয়েছে।
তবে একই সময়ে ইউক্রেনীয় বাহিনীর কতজন নিহত হয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো হিসাব দেননি ব্রিটিশ এই সামরিক কর্মকর্তা। যুদ্ধরত দুই দেশই সাধারণত নিয়মিতভাবে নিজেদের সেনাদের হতাহতের পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করে না।
এদিকে কিয়েভের মহাসড়কসংলগ্ন জ্বালানি পাম্পগুলোতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ড্রোন হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনের প্রসিকিউটর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রনাফটার পরিচালিত দুটি জ্বালানি পাম্পে হামলায় দুইজন নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছেন।

