Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, সেপ্টে. 16, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান চায় ভারত কিন্তু চীনের অবস্থান কেন ভিন্ন?
    আন্তর্জাতিক

    ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান চায় ভারত কিন্তু চীনের অবস্থান কেন ভিন্ন?

    নিউজ ডেস্কসেপ্টেম্বর 16, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুধু দুটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ কোনো সংঘাত নয়। এই যুদ্ধ আন্তর্জাতিক রাজনীতি, অর্থনীতি এবং আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন তৈরি করেছে। বিশেষ করে এশিয়ার দুই বড় শক্তি ভারত ও চীনের অবস্থান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, একই ধরনের কূটনৈতিক অবস্থানের আড়ালে রয়েছে সম্পূর্ণ ভিন্ন কৌশলগত চিন্তা।

    বাহ্যিকভাবে ভারত ও চীনের অবস্থানের মধ্যে কিছু মিল দেখা যায়। উভয় দেশই রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছে, রুশ জ্বালানি কিনছে এবং পশ্চিমা দেশগুলোর রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টায় সরাসরি অংশ নেয়নি। কিন্তু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে দুই দেশের মূল স্বার্থ এক নয়। ভারত চায় যুদ্ধ দ্রুত শেষ হোক, অন্যদিকে চীন দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতকে এমনভাবে দেখছে, যা তার নিজস্ব অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সুবিধার সঙ্গে যুক্ত।

    দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়া ভারতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে কাজ করেছে। চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ভারতের জন্য একটি ভারসাম্য রক্ষাকারী শক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার কারণে ভারত এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নিজের স্বাধীন অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছে।

    কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধের পর এই সমীকরণ অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর পশ্চিমা দেশগুলো মস্কোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর ফলে রাশিয়ার পশ্চিমা বাজার ও প্রযুক্তিগত সুবিধায় প্রবেশ সীমিত হয়ে যায়। একসময় ইউরোপ ছিল রাশিয়ার বড় জ্বালানি ক্রেতা, কিন্তু যুদ্ধের পর সেই পরিস্থিতি বদলে যায়।

    এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে চীন রাশিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদারদের একজন হয়ে ওঠে। রাশিয়ার জন্য চীন হয়ে ওঠে জ্বালানি বিক্রির বড় বাজার এবং পশ্চিমা দেশগুলো থেকে পাওয়া যন্ত্রপাতি, প্রযুক্তি ও শিল্পপণ্যের বিকল্প উৎস। ফলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হলেও এর মধ্যে শক্তির ভারসাম্য আগের মতো সমান থাকেনি।

    যুদ্ধ শুরুর আগে রাশিয়া ও চীন নিজেদের সম্পর্ককে সমান অংশীদারত্ব হিসেবে তুলে ধরেছিল। কিন্তু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাশিয়া অর্থনৈতিকভাবে চীনের ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতি চীনের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। চীন এখন রাশিয়ার কাছ থেকে তুলনামূলক সুবিধাজনক শর্তে জ্বালানি, কাঁচামাল ও অন্যান্য সম্পদ পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ রাশিয়াকে আরও বেশি চীনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কারণ পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক দুর্বল হওয়ার পর মস্কোর বিকল্প পথ সীমিত হয়ে গেছে। এই নির্ভরতা চীনের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রভাব বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করছে।

    জ্বালানি খাতেও এই পরিবর্তনের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। রাশিয়া ইউরোপের হারানো বাজারের বিকল্প হিসেবে চীনের দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে সাইবেরিয়া থেকে চীনে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের পরিকল্পনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে দাম, সরবরাহের পরিমাণ এবং অন্যান্য শর্ত নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মতপার্থক্য রয়েছে।

    চীনের জন্য বর্তমান পরিস্থিতি বিভিন্ন দিক থেকে সুবিধাজনক। একটি দুর্বল রাশিয়া, যেটি অর্থনৈতিকভাবে চীনের ওপর নির্ভরশীল, বেইজিংকে আরও বেশি কৌশলগত প্রভাব বিস্তারের সুযোগ দিতে পারে। একই সঙ্গে চীন রাশিয়া থেকে জ্বালানি, বাজার, সম্পদ এবং রাজনৈতিক সহযোগিতার সুবিধা নিতে পারছে।

    এই পরিস্থিতিই ভারতের উদ্বেগের অন্যতম কারণ। কারণ ভারতের দৃষ্টিতে একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী রাশিয়া এশিয়ার শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক। কিন্তু রাশিয়া যদি ক্রমাগত দুর্বল হয়ে চীনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তাহলে আঞ্চলিক শক্তির সমীকরণে পরিবর্তন আসতে পারে।

    এই কারণেই ভারত বারবার ইউক্রেন যুদ্ধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়ে আসছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে যুদ্ধ বন্ধের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। ব্রিকস সম্মেলনের আগে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে দুই হাজার বছরের পুরোনো ভারতীয় দর্শন ও কবিতার গ্রন্থ রুশ ভাষায় অনুবাদ করা একটি উপহার দেন, যেখানে সহমর্মিতা ও নেতৃত্বের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

    ভারতের শান্তির আহ্বানের পেছনে মানবিক উদ্বেগ যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও শক্তির ভারসাম্যের বিষয়টিও। কারণ ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো এমন একটি এশিয়া, যেখানে কোনো একটি শক্তি অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তার করতে না পারে।

    অন্যদিকে চীনের হিসাব কিছুটা ভিন্ন। চীন এমন একটি রাশিয়া দেখতে চায়, যেটি তার জন্য কার্যকর অংশীদার থাকবে, কিন্তু একই সঙ্গে এমন অবস্থায় থাকবে না যেখানে রাশিয়া স্বাধীনভাবে বড় বিকল্প তৈরি করতে পারে। ফলে ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ শুধু রাশিয়া ও ইউক্রেনের বিষয় নয়, বরং এশিয়ার ভবিষ্যৎ শক্তির কাঠামোর সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত।

    বর্তমান পরিস্থিতি দেখাচ্ছে, ইউক্রেন যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, ততই বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। রাশিয়া, চীন ও ভারতের সম্পর্কের পরিবর্তন শুধু কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের ফল নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে জ্বালানি, অর্থনীতি, নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যতের আঞ্চলিক প্রভাবের প্রশ্ন।

    তাই ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে আলোচনা শুধু শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন নয়, বরং আগামী দিনে এশিয়ায় কোন ধরনের শক্তির ভারসাম্য তৈরি হবে, সেই প্রশ্নের সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র

    সেপ্টেম্বর 16, 2026
    বাণিজ্য

    বিশ্বের ৫.২ ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল বাজারে হিস্যা বাড়াতে স্বতন্ত্র কর্তৃপক্ষের দাবি

    সেপ্টেম্বর 16, 2026
    আন্তর্জাতিক

    মক্কায় আমরা কোনো হামলা করিনি, সৌদির দাবি ‘মিথ্যা’: হুথি

    সেপ্টেম্বর 16, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.