Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Thu, Jan 15, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসন বৈশ্বিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে
    আন্তর্জাতিক

    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসন বৈশ্বিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে

    হাসিব উজ জামানJuly 1, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসন বৈশ্বিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে সামরিক হামলা আমাদের বিশ্বকে আরও অনিরাপদ করে তুলেছে। সম্প্রতি ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে শুরু হওয়া সংঘাত এবং যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি হস্তক্ষেপ— যা ঘটেছে তাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েলের অনুরোধে— আন্তর্জাতিক কূটনীতি, বৈশ্বিক শৃঙ্খলা ও পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তারের প্রশ্নগুলোকে আবারও গভীরভাবে উত্থাপন করেছে।

    ইসরায়েল তাদের পরিচিত কৌশলেই ইরানে হামলা চালিয়েছে, যেখানে লক্ষ্যবস্তু ছিল কেবল সামরিক ঘাঁটি নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতালের মতো বেসামরিক অবকাঠামোও। এই হামলায় শত শত ইরানি বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। এটি স্পষ্ট যে এই আক্রমণ কেবল প্রতিরক্ষা বা প্রতিশোধের জন্য নয়; বরং ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ফিরে আসার পর শুরু হওয়া সংবেদনশীল কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে ধ্বংস করাই এর মূল উদ্দেশ্য ছিল।

    এই হস্তক্ষেপ ট্রাম্পের নিজস্ব প্রতিশ্রুতি— বিদেশে ব্যয়বহুল যুদ্ধ বন্ধের— সম্পূর্ণ বিপরীত। একইসঙ্গে এটি আবারও প্রমাণ করেছে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নীতিনির্ধারণে ইসরায়েলের প্রভাব কতটা গভীর এবং নিরঙ্কুশ। যদিও ইসরায়েল বারবার তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ও সামরিক দক্ষতা নিয়ে আত্মগর্ব করে এসেছে, তবুও ইরান সফলভাবে ইসরায়েলের সামরিক টার্গেটগুলোতে আঘাত হানতে পেরেছে এবং একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কাতার ঘাঁটি আল-উদেইদেও একটি প্রতীকী হামলা চালিয়েছে— যা ছিল সুস্পষ্ট বার্তা।

    এই হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিজয়োল্লাস দ্রুত ম্লান হয়ে গেছে। কারণ ইরানের ইউরেনিয়াম মজুদের অবস্থান নিয়ে এখন গোপন বিতর্ক শুরু হয়েছে এবং প্রশ্ন উঠেছে যে, সত্যিই কি এই হামলা কার্যকর ছিল। এ অবস্থায় যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ অত্যন্ত অনিশ্চিত। ইরান ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, সরাসরি মার্কিন হামলার জবাব তারা দেবে এবং সেইসঙ্গে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার কথা আলোচনায় এসেছে। এমনকি ইসরায়েলের পরমাণু স্থাপনাগুলো— যা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের বাইরে— সেগুলোকেও টার্গেট করার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

    ইরানকে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণে বাধ্য করার চিন্তা শুরু থেকেই অবাস্তব ছিল। যদি ট্রাম্প ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হন, তাহলে এই সংঘাত এক দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল যুদ্ধে রূপ নিতে পারে— যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয়ের পক্ষেই সামাল দেওয়া কঠিন হবে। ইসরায়েল বহুদিন ধরে ইরানের পরমাণু বিজ্ঞানীদের হত্যা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে জ্ঞান মুছে দেওয়ার কৌশল নিয়েছে, কিন্তু কোনো জাতির পারমাণবিক জ্ঞান বোমা মেরে ধ্বংস করা যায় না।

    এই পুরো প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের দোদুল্যমান অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। কখনও তিনি আলোচনার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, আবার পরের দিনই হামলা চালান, তার পরদিন আবার কূটনৈতিক বার্তা দেন— ফলে ইরান তার প্রকৃত উদ্দেশ্য বোঝে না এবং প্রতিক্রিয়া নির্ধারণ করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

    সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো, দু’টি পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হয়তো আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ইরানের বিরুদ্ধে আগাম হামলা চালিয়েছে— একটি এমন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে, যার এখনও পরমাণু অস্ত্র নেই। ফলে এই পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তারের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন অনেক রাষ্ট্র এই নজিরকে ব্যবহার করে নিজেদের অস্ত্রায়নের যৌক্তিকতা খুঁজে পাবে। ইসরায়েলের পরমাণু অস্ত্র থাকার ফলে তারা প্রতিরোধ গড়তে পারছে, আর ইরান— যা এখনো সম্পূর্ণ অস্ত্রায়িত হয়নি— কূটনীতি করে কিছুই অর্জন করতে পারছে না। এই বার্তাই এখন অন্যান্য রাষ্ট্রের কাছে ছড়িয়ে পড়ছে।

    এর মধ্যে ইউরোপীয় দেশগুলোর দুর্বল ও পুনরাবৃত্ত বিবৃতি যুক্তরাষ্ট্রের এই আগ্রাসনে মৌন সমর্থনেরই প্রতিফলন। তারা ‘নিয়মভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থা’র যে কথা বলে, তার ভিত্তি এমনিতেই ইউক্রেন ও গাজার দ্বিমুখী নীতির কারণে ভেঙে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে তাদের নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তা কেবল তাদের ভণ্ডামিই নয়, বরং তাদের অকার্যকারিতাও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে।

    শেষ পর্যন্ত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যেভাবে ‘শক্তিই ন্যায়’ এই নীতি অনুসরণ করে চলছে, তা কেবল আন্তর্জাতিক নীতিমালা ও ঐকমত্যকে পদদলিত করছে না, বরং গোটা বিশ্বকে একটি গভীরতর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে— যেখানে কূটনীতি নয়, অস্ত্রই ভবিষ্যতের ভাষা হয়ে উঠছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইরানে বারবার বিক্ষোভ সত্ত্বেও শাসকগোষ্ঠী কীভাবে টিকে থাকে?

    January 14, 2026
    মতামত

    ইরানে বিক্ষোভ: ধর্মতান্ত্রিক সরকারের টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ

    January 14, 2026
    আন্তর্জাতিক

    পেট্রোল-ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে প্রায় ৫ রুপি কমাচ্ছে পাকিস্তান

    January 14, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি August 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত April 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি August 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.