Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, মে 8, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা মানে আসলে কী?
    আন্তর্জাতিক

    ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা মানে আসলে কী?

    হাসিব উজ জামানআগস্ট 20, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ইউক্রেনে
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    এই সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক বৈঠকের পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ঘোষণা করেছেন, তাঁর দেশ ও মিত্ররা ইতিমধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চয়তার নির্দিষ্ট কাঠামো নিয়ে কাজ করছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টার্মার ভার্চুয়ালি “Coalition of the Willing” নামে পরিচিত সেই দেশগুলোর বৈঠক পরিচালনা করেছেন, যারা শান্তিচুক্তির পর ইউক্রেনকে নিরাপত্তা দিতে আগ্রহী। যুক্তরাজ্য এমনকি তাদের প্রতিরক্ষা প্রধান অ্যাডমিরাল স্যার টনি রাডাকিনকে ওয়াশিংটনে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে।

    কিন্তু প্রশ্ন হলো—“নিরাপত্তা নিশ্চয়তা” বলতে বাস্তবে কী বোঝায়?

    ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় চাওয়া ন্যাটো সদস্যপদ হলেও, সেটা আপাতত অসম্ভব। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র তা সমর্থন করবে না। এমনকি স্লোভাকিয়ার মতো অনেক ন্যাটো দেশও চুপচাপ বিরোধিতা করছে, কারণ এতে জোট সরাসরি রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে।

    শান্তিচুক্তির পর রাশিয়ার পুনরায় হামলা ঠেকাতে ইউক্রেনকে কিছু কার্যকর নিশ্চয়তা প্রয়োজন। এজন্য ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টার্মার ৩০টিরও বেশি দেশ নিয়ে এক জোট গড়ে তুলেছেন।

    • আকাশপথে নিরাপত্তা: পোল্যান্ড বা রোমানিয়ার ঘাঁটি থেকে যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে ইউক্রেনের আকাশসীমা রক্ষা করা হতে পারে। তবে এর জন্য শক্ত নিয়ম-কানুন থাকা জরুরি—রাশিয়া যদি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, পাইলটরা পাল্টা আঘাত করতে পারবেন কি না, তা পরিষ্কার থাকতে হবে।

    • কালো সাগর নিয়ন্ত্রণ: রাশিয়ার নৌবহর ঠেকানো এবং ওডেসার মতো বন্দর থেকে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করাও বড় একটি চ্যালেঞ্জ।

    • স্থলভাগে সীমাবদ্ধতা: ইউক্রেনের ফ্রন্টলাইন ১,০০০ কিমিরও বেশি দীর্ঘ। এত বিশাল এলাকায় সৈন্য মোতায়েন করা অসম্ভব। তাই সহায়তা সীমিত থাকবে প্রশিক্ষণ, গোয়েন্দা তথ্য, লজিস্টিক সাপোর্ট ও অস্ত্র-গোলাবারুদ সরবরাহে।

    সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—রাশিয়া কী মেনে নেবে? অনেক বিশ্লেষক বলছেন, মস্কোর কিছু বলার অধিকার নেই। কিন্তু বাস্তবতা হলো, কোনো দেশই ইউক্রেনে সৈন্য পাঠাতে রাজি নয়। ব্রিটিশ সামরিক বিশ্লেষক জন ফোরম্যান ধারণা দেন, রাশিয়া হয়তো কোনো পর্যায়ে ইউক্রেনের দখলকৃত অঞ্চলকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং ন্যাটো থেকে দূরে থাকার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা মেনে নিতে পারে। তবে সেটি কার্যত ইউক্রেনকে ভাগ করার সমান।

    “Coalition of the Willing”-এর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা অপরিহার্য। ট্রাম্প প্রথমে অনাগ্রহ দেখালেও এখন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যুক্ত থাকবে, তবে ইউক্রেনে কোনো আমেরিকান সেনা মোতায়েন করা হবে না। আদর্শভাবে ইউক্রেন চাইছে যুক্তরাষ্ট্র শুধু অস্ত্র নয়, প্রয়োজনে বিমান শক্তি দিয়ে সরাসরি সহায়তা করুক। কিন্তু ট্রাম্পের অবস্থান বারবার পাল্টানোয় এটি অনিশ্চিত।

    অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল বেন হজেসের মতে, “যুক্তরাষ্ট্র আসলেই ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তায় আন্তরিক কি না, সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে। শুধু কথায় কাজ হবে না।”

    মূল প্রশ্ন হচ্ছে, নিরাপত্তা নিশ্চয়তা কতটা শক্তিশালী হবে? খুব দুর্বল হলে রাশিয়াকে ভয় দেখাতে পারবে না। আবার খুব শক্ত হলে রাশিয়া সরাসরি পশ্চিমা দেশগুলোকে হুমকি দিতে পারে।

    সাবেক ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্যার বেন ওয়ালেসের মতে, পশ্চিমা দেশগুলো এখনো ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে যথেষ্ট কঠোর অবস্থান নেয়নি। “পুতিন হত্যা থামাতে চান এমন কোনো লক্ষণ নেই। ট্রাম্প বা ইউরোপ কেউই যদি তাকে থামাতে না চায়, তবে আসল অগ্রগতি হবে না,” তিনি বলেন।

    লন্ডনভিত্তিক থিঙ্কট্যাঙ্ক RUSI-এর গবেষক এডওয়ার্ড আর্নল্ড মনে করেন, জোটটি একটি নমনীয় কাঠামো দিয়েছে যা ট্রাম্পের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করতে পারে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন—“এখনও এটি একটি রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা, কোনো কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নয়। আগামী কয়েক মাসেই আসল পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে।”

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    মতামত

    বৈশ্বিক বিচ্ছিন্নতা সত্ত্বেও কি ইসরায়েলের যুদ্ধ অর্থনীতি টিকে থাকবে?

    মে 8, 2026
    সাক্ষাৎকার

    আইসিসি প্রসিকিউটর তাকে অপসারণের জন্য রাষ্ট্রগুলোর ‘বিপজ্জনক’ প্রচেষ্টা তুলে ধরেছেন

    মে 8, 2026
    আন্তর্জাতিক

    উপসাগরীয় অঞ্চলের শ্রেষ্ঠত্ব ও মার্কিন সুরক্ষার মিথ শেষ হয়ে গেছে

    মে 8, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.