Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, জুলাই 19, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » দোহায় ৫৭ মুসলিম দেশের ঐক্য, ইসরায়েলের জন্য সতর্ক বার্তা
    আন্তর্জাতিক

    দোহায় ৫৭ মুসলিম দেশের ঐক্য, ইসরায়েলের জন্য সতর্ক বার্তা

    হাসিব উজ জামানUpdated:সেপ্টেম্বর 16, 2025সেপ্টেম্বর 16, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    মুসলিম
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    কাতারের রাজধানী দোহায় সোমবার থেকে শুরু হয়েছে আরব লীগ এবং ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার জরুরি শীর্ষ বৈঠক। বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য হলো ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার পর মুসলিম ও আরব বিশ্বের জন্য একক এবং দৃঢ় অবস্থান তৈরি করা। ইসরায়েল গত ৯ সেপ্টেম্বর কাতারের রাজধানীতে হামাসের একটি অফিসে আক্রমণ চালিয়ে ছয়জনকে হত্যা করে, যা এই জরুরি সমন্বয়ের প্রধান কারণ।

    শীর্ষ বৈঠকের আগে কাতারের বিদেশ মন্ত্রণালয়ে আড়াল বৈঠকে এক খসড়া প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়, যাতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপের রূপরেখা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান আল-থানি বৈঠকের আগে বলেন, “আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্বৈত মানদণ্ড পরিত্যাগ করার সময় এসেছে। ইসরায়েলের সকল অপরাধের জন্য তাকে দায়বদ্ধ করা আবশ্যক। এই হামলার জবাব অবশ্যই শক্তিশালী ও দৃঢ় হওয়া উচিত।”

    তিনি আরও বলেন, “গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি বারবার ব্যর্থ করার মাধ্যমে ইসরায়েলকে বোঝাতে হবে যে, ফিলিস্তিনি জনগণকে তাদের মাতৃভূমি থেকে জোরপূর্বক স্থানান্তরের লক্ষ্য কখনও সফল হবে না, যতই মিথ্যা যুক্তি দেওয়া হোক।”

    ইসরায়েলের এই হামলা একাধিক দেশের ওপর বিস্তৃত আক্রমণের অংশ হিসেবে এসেছে। মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এটি ইসরায়েলের ছয়টি আক্রমণের দেশ এবং এ বছর এর মাধ্যমে সপ্তম দেশকে লক্ষ্য করেছে।

    আরব লীগ ও ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার সদস্যরা

    এই শীর্ষ বৈঠকে আরব লীগ এবং ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন। আরব লীগ, যা ২২টি আরব সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের সমন্বয়ে গঠিত, উত্তর আফ্রিকা থেকে উপসাগরীয় দেশগুলো পর্যন্ত বিস্তৃত। এই অঞ্চলের মোট জনসংখ্যা প্রায় ৫ কোটি, যা বিশ্বের প্রায় ছয় শতাংশ।

    আরব লীগ ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ কায়রোতে প্রতিষ্ঠিত হয়। সাতটি দেশ—মিসর, ইরাক, ট্রান্সজর্ডান (বর্তমান জর্ডান), লেবানন, সৌদি আরব, সিরিয়া ও ইয়েমেন—এটি গঠন করে। সংস্থার উদ্দেশ্য ছিল নতুন স্বাধীন হওয়া আরব দেশগুলোর রাজনৈতিক একতা ও সমন্বয় নিশ্চিত করা, অঞ্চলীয় সংহতি তৈরি করা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ২২।

    উল্লেখযোগ্য যে, সব আরব লীগ সদস্যই ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার সদস্যও।

    ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার ৫৭ সদস্য দেশ

    ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা গঠিত হয় ১৯৬৯ সালে আল-আকসা মসজিদের আগুনঘটনার পর। এই সংস্থা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোকে একত্রিত করেছে, যাতে তারা ইসলামী পবিত্র স্থান রক্ষা, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা এবং বিশ্বব্যাপী মুসলিম সংহতি বাড়াতে পারে।

    প্রাথমিকভাবে ৩০টি দেশ সংস্থার সদস্য ছিল, পরে বৃদ্ধি পেয়ে তা ৫৭-এ উন্নীত হয়। বর্তমানে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা প্রায় ২.১ বিলিয়ন মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে, যা বিশ্বের প্রায় ২৬ শতাংশ।

    ২০০৮ সালে সংস্থার সংবিধান সংস্কারের পর সদস্যপদ আরও কঠোর হয়। এখন শুধুমাত্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ এবং জাতিসংঘের সদস্য দেশ (প্যালেস্টাইন ব্যতিক্রম হিসেবে) আবেদন করতে পারে।

    অদ্ভুত হলেও, গ্যাবন, মালদ্বীপ, মৌরিতানিয়া, উগান্ডা, মোজাম্বিক, ক্যামেরুন, টোগো, বেনিন, আইভরি কোস্ট এবং গিনিয়াবিসাউ-এর মতো দেশগুলো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ না হলেও গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম জনগোষ্ঠীর কারণে সদস্যপদ পেয়েছে। আমেরিকার দুটি দেশ—গায়ানা ও সূরিনামও সংস্থার অংশ। ইউরোপে একমাত্র আলবেনিয়া এই সংস্থার সদস্য।

    সংস্থার ভূমিকা ও অবস্থান

    ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা বহু বছর ধরে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। ফিলিস্তিন, গাজা ও পশ্চিম তীরের ওপর ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এবং সম্প্রতি কাতার ও ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আক্রমণকে তারা নিন্দা জানিয়েছে।

    গত তিন বছরে রিয়াদ, জেদ্দা ও ইস্তানবুলে জরুরি বৈঠক ও মন্ত্রিসভা সভা ডাকা হয়েছে। সংস্থা বারবার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করতে এবং ইসরায়েলের সম্ভাব্য অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে দায়িত্বহীনতা রোধ করতে।

    এই দোহা বৈঠক একদিকে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার পর মুসলিম বিশ্বের সংহতি প্রদর্শনের বার্তা, অন্যদিকে এটি আরব লীগ ও ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক ও মানবিক অবস্থানের পুনঃপ্রমাণ।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    টানা অষ্টম রাতেও ইরানে মার্কিন হামলা

    জুলাই 19, 2026
    আন্তর্জাতিক

    বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনার প্রতি সমর্থন জানালেন নেতানিয়াহু

    জুলাই 19, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইসরাইলি গুলিতে প্রাণ গেল তরুণ ফিলিস্তিনি ফুটবলারের

    জুলাই 19, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.