Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, এপ্রিল 28, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » গাজায় ইসরায়েলের হামলায় ৮৩৫টি মসজিদ ধ্বংস
    আন্তর্জাতিক

    গাজায় ইসরায়েলের হামলায় ৮৩৫টি মসজিদ ধ্বংস

    হাসিব উজ জামানঅক্টোবর 14, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় দুই বছরের ইসরায়েলি হামলায় ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থাপনার ব্যাপক ধ্বংস হয়েছে। উপত্যকার মোট ১,২৪৪টি মসজিদের মধ্যে ৮৩৫টি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে এবং আরও ১৮০টি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই মসজিদগুলোর অনেকটাই মামলুক ও উসমানীয় আমলে নির্মিত ছিল, যা গাজার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ।

    গত শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে গাজার যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়া সত্ত্বেও উপত্যকা এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত। হামলায় ঘরবাড়ি, স্কুল, হাসপাতালসহ শতাব্দী প্রাচীন মসজিদ এবং ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোও রক্ষা পায়নি। দুই বছরের এই আগ্রাসনে প্রাণহানি হয়েছে ৬৭,৫০০-এরও বেশি মানুষের।

    গাজার সবচেয়ে বড় এবং প্রাচীন মসজিদ ছিল প্রায় ১৪০০ বছর পুরনো মহান ওমরী মসজিদ। ‘ছোট আল-আকসা’ নামে পরিচিত এই মসজিদটি এক সময় ৫ হাজার বর্গমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত ছিল এবং ফিলিস্তিনের তৃতীয় বৃহত্তম মসজিদ হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলায় এটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

    অন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর মধ্যে সাইয়্যিদ হাশিম মসজিদও উল্লেখযোগ্য, যা ২০২৩ সালের ৭ ডিসেম্বর বিমান হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মামলুক আমলে নির্মিত কাতিব আল-ওয়ালায়া মসজিদও ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর ধ্বংস হয়েছে।

    চতুর্দশ শতকের ইবনে উসমান মসজিদ, আলী ইবনে মারওয়ান মসজিদ এবং ১৩৬১ সালে নির্মিত জাফার আদ-দিমরী মসজিদও এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। দক্ষিণ গাজার ১৯২৮ সালে নির্মিত গ্রেট খান ইউনিস মসজিদ, যা পরে ৩ হাজার বর্গমিটার পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়েছিল, সেটিও সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।

    এই মসজিদগুলো কেবল উপাসনার স্থান ছিল না; গাজার ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং পরিচয়ের প্রতীকও ছিল। আজ সেগুলোর স্থানে কেবল ধ্বংসাবশেষ পড়ে আছে, যা গাজার মানুষের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অপূরণীয় ক্ষতি নির্দেশ করে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইরান বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরাশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে- ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    এপ্রিল 28, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুতিনের

    এপ্রিল 27, 2026
    আন্তর্জাতিক

    দক্ষিণ সুদানে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৪ জনের মৃত্যু

    এপ্রিল 27, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.