যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাঁচদিনের এশিয়া সফরে রওনা হয়েছেন। সফরে তিনি চীন, জাপান ও মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সফরের শেষের দিকে তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গেও দেখা করতে বলে জানিয়েছেন।
সফর শুরুর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আমি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বাণিজ্য আলোচনা করব এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় কিম জং উনের সঙ্গেও বৈঠকের সুযোগ চাই।”
এশিয়া সফরের শেষ দিনে ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বিশ্ব অর্থনীতির দুই বৃহত্তম দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা বাণিজ্যযুদ্ধের অবসানে চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন তিনি। আগামী ১ নভেম্বর থেকে চীনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের শতভাগ শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা থাকায় বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রাম্প জানান, “আমি কিমের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করব। তাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক আগে খুব ভালো ছিল। যদি পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ নিয়ে আলোচনার সুযোগ আসে, আমরা দেখব।” এর আগে ২০১৯ সালে হ্যানয়ে ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে বৈঠক হয়।
সফরের প্রথম গন্তব্য মালয়েশিয়া। সেখানে তিনি আসিয়ান সম্মেলনে যোগ দেবেন এবং যুক্তরাষ্ট্র-মালয়েশিয়ার বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন। এছাড়া থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে শান্তি চুক্তি কার্যক্রম তদারকি করবেন।
এরপর ট্রাম্প জাপানের টোকিও পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক করবেন। দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে পৌঁছে এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কোঅপারেশন (এপেক) সম্মেলনে অংশ নেবেন। সেখানে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংয়ের সঙ্গে বৈঠক এবং এপেকের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে বক্তব্য দেবেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্প-শি বৈঠক বাণিজ্যযুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে বেইজিংয়ের বিরল ধাতু রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ও শুল্ক বিরোধের প্রেক্ষাপটে বৈঠকটি গুরুত্ব বহন করছে।

