Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, এপ্রিল 27, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » গাজায় ধ্বংসস্তূপে লুকিয়ে হাজার হাজার টন অবিস্ফোরিত বোমা
    আন্তর্জাতিক

    গাজায় ধ্বংসস্তূপে লুকিয়ে হাজার হাজার টন অবিস্ফোরিত বোমা

    এফ. আর. ইমরানঅক্টোবর 27, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ইসরায়েলি অবরোধের কারণে গাজায় পুনর্গঠন কার্যধারার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনা-পাঠানো বন্ধ থাকায় ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার ও অবকাঠামো নির্মাণ কার্যক্রম স্থবির রয়েছে। ফলত ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও লাখো মানুষ চাপা পড়ে আছেন এবং চারদিকে ছড়িয়ে আছে বিস্ফোরিত না হওয়া বিপুল পরিমাণ বোমা—যেগুলোর পরিমাণ হাজার হাজার টনে পৌঁছেছে বলে সতর্কতা জানাচ্ছেন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সূত্র।

    সোমবার (২৭ অক্টোবর) আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

    গাজা সিটির মেয়র ইয়াহিয়া আল-সররাজ বলেন, পুনর্গঠন ও জরুরি পুনর্বাসন কাজ সঞ্চালনের জন্য গাজা সিটিতে কমপক্ষে ২৫০টি ভারী যন্ত্রপাতি এবং প্রায় এক হাজার টন সিমেন্টের তাত্ক্ষণিক প্রয়োজন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ধ্বংসস্তূপে হাজার হাজার টন অবিস্ফোরিত ইসরায়েলি বিস্ফোরক এখন মানুষের জীবনকে মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

    তবে আল জাজিরার প্রতিবেদক হিন্দ খুদারি জানাচ্ছেন, অত্যাবশ্যকীয় এই সরঞ্জামগুলোর মাত্র কিছু অংশই সীমান্ত পেরিয়ে গাজায় ঢুকতে পেরেছে—এখন পর্যন্ত মাত্র ছয়টি ট্রাকই অনুমোদন পেয়ে প্রবেশ করেছে। এর ফলে ধ্বংসস্তূপ থেকে মৃত্যুবরণকারী ও চাপা পড়া মানুষের উদ্ধারে প্রয়োজনীয় দ্রুত কাজ চলমান রাখা যাচ্ছে না।

    খুদারি বলেন, “প্রতিদিনই আমরা দেখছি ধ্বংসস্তূপের নিচে কতজন আছেন—৭ হাজার, না ৯ হাজার—ঠিক নির্ণয় কঠিন; কিন্তু উদ্ধারকার্যে যেভাবে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে তা ভয়াবহ।”

    আন্তর্জাতিক মানবতাবিজ্ঞানে নিয়োজিত সংগঠনগুলোও অবিস্ফোরিত ব্যারেল-মোতিয়াবন্ধ ও অন্যান্য ধরণের বোমার অস্তিত্ব সম্পর্কে সতর্ক করেছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক হালো ট্রাস্টের মধ্যপ্রাচ্য পরিচালক নিকোলাস টরবেট বার্তায় বলেছেন, গাজা নগরের প্রায় প্রতিটি অংশেই বিস্ফোরিত হওয়ার কথা থাকা সত্ত্বেও না-বিস্ফোরিত অনেক গোলাবারুদ ছড়ানো অবস্থায় রয়েছে। এসব বোমা অপসারণ করতে সময় লাগবে এবং অপসারণ না হলে পুনর্গঠন কার্যক্রম বিপুল বিলম্বে পড়বে। টরবেটের কথায়, “কিছু কিছুভাবে সবচেয়ে সুরক্ষিত পদ্ধতি হলো নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে বোমা ধ্বংস করা”—যার জন্য অবশ্য সংবেদনশীল ও প্রশিক্ষিত টিম ও উপকরণ প্রয়োজন।

    ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানিয়েছেন, ইসরায়েল গাজায় বিপুল পরিমাণ বোমা নিক্ষেপ করেছে—এগুলোর মোট পরিমাণ অন্তত ২ লাখ টন, যার মধ্যে প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী প্রায় ৭০ হাজার টন এখনও অবিস্ফোরিত রয়েছে। এসব অবিস্ফোরিত বিস্ফোরক উপেক্ষা করে দ্রুত পুনর্গঠন কাজ করা ঝুঁকিপূর্ণ হবে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।

    ইসরায়েলি প্রশাসন ও ভবিষ্যৎ টাস্ক ফোর্স নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে মিশ্র অবস্থান প্রকাশ করেছে। এতে গাজায় কোন বাহিনী কাজ করতে পারবে, তা নির্ধারণের উদ্যোগ ইসরায়েলের অধীনেই রাখার দাবি রেখে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু; তিনি বলেছেন, গাজার কাজে কোন বিদেশি বাহিনী উপযুক্ত, তা ইসরায়েলই নির্ধারণ করবে—এটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া নিয়েও বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সূত্র বলছে, ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা প্রবাহ ধীরগতি বা প্রায় বন্ধ থাকায় বেঁচে থাকা মানুষের ঝুঁকি বাড়ছে—বিশেষত পানিসহ মৌলিক পরিষেবা পুনরুদ্ধার না হলে পরিস্থিতি আরও অবনীয় হবে।

    স্থানীয় প্রশাসকরা বলছেন, গাজায় পানীয়জল সরবরাহ বজায় রাখতে নতুন কূপ খননের জন্যও জরুরি যন্ত্রপাতি দরকার; কিন্তু অবরোধ ও নিরাপত্তাজনিত সীমাবদ্ধতার কারণে সেই কাজও বন্ধ রয়েছে।

    এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও নির্বীজন (ইরেডিকেশন) টিমের তাৎক্ষণিক প্রবেশ, বিস্ফোরক নির্মূলের জন্য প্রশিক্ষিত একদল অপারেটিভ এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করে ত্রাণ-সামগ্রী প্রবাহ কেন্দ্রিক সময়োপযোগী পদক্ষেপই আন্দোলিতদের বাঁচাতে মূল চাবিকাঠি বলে বিশেষজ্ঞরা বলেন। উপকরণ না পৌঁছালে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নিখোঁজদের উদ্ধার, জরুরি পানীয়জল ও চিকিৎসাসহায়তা জোরালে কেবলই জীবন-রক্ষা সম্ভব হবে—এমনই বার্তা ছড়াচ্ছে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দেবে পরমাণু বোমার ভবিষ্যৎ?

    এপ্রিল 27, 2026
    আন্তর্জাতিক

    যেভাবে ট্রাম্পের নৈশভোজে নিরাপত্তাবেষ্টনী ভাঙেন বন্দুকধারী

    এপ্রিল 27, 2026
    আন্তর্জাতিক

    তেহরানের হাতে এখনো শক্তিশালী ‘কার্ড’: গালিবাফ

    এপ্রিল 27, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.