Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, আগস্ট 21, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » আব্রাহাম লিংকন ও তার লেখা চিঠি
    আন্তর্জাতিক

    আব্রাহাম লিংকন ও তার লেখা চিঠি

    সিভি ডেস্কUpdated:অক্টোবর 28, 2024সেপ্টেম্বর 30, 2024
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১২ ফেব্রুয়ারি ১৮০৯ এবং মৃত্যুবরণ করেন ১৫ এপ্রিল ১৮৬৫ সালে।

    তিনি একজন মার্কিন রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী ছিলেন। তিনি ১৮৬১ সাল থেকে ১৮৬৫ সালে তার হত্যার আগপর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। নৈতিক, সাংস্কৃতিক, সাংবিধানিক এবং রাজনৈতিক সঙ্কট তিনি আমেরিকাকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তিনি ইউনিয়ন সংরক্ষণ, দাসত্ব বিলোপ, ফেডারেল সরকারকে মজবুত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে আধুনিকীকরণে সফল হন।

    লিংকন কাঠের গুরি দিয়ে তৈরি একটি ঘরে দারিদ্র্যের মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং মূলত ইন্ডিয়ানার সীমান্তে বেড়ে ওঠেন। তিনি স্ব-শিক্ষিত ছিলেন যার পেছনে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন উনার বাবা-মা।তিনি মূলত তাঁর বাবার জন্যই পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন শত দারিদ্রতার মধ্যে।তিনি তাঁর বন্ধুদের পুরাতন বই সংগ্রহ করে পড়তেন এবং এভাবেই শিক্ষিত হয়েছেন। তিনি একজন আইনজীবী, ইলিনয় রাজ্যের বিধায়ক এবং ইলিনয় থেকে মার্কিন কংগ্রেস সদস্য হয়েছিলেন। ১৮৪৯ সালে, তিনি তার আইন অনুশীলনে ফিরে আসেন তবে দাসত্বের জন্য অতিরিক্ত জমি খোলার জন্য কানসাস – নেব্রাস্কা আইনের দ্বারা উদ্বেগিত হন। তিনি ১৮৫৪ সালে নতুন রিপাবলিকান পার্টির নেতা হয়ে রাজনীতিতে নতুনভাবে প্রবেশ করেন এবং স্টিফেন ডগলাসের বিরুদ্ধে ১৮৫৮ সালের বিতর্কে তিনি জাতীয় দর্শকের কাছে পৌঁছেছিলেন। লিঙ্কন ১৮৬০ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে লড়েছিলেন এবং উত্তরের জয়ের পথ সুদুরপ্রসারিত করেছিলেন। দক্ষিণে দাসত্বের পক্ষের উপাদানগুলি তার সাফল্যের সাথে উত্তরের দাসত্ব অনুশীলনের অধিকার প্রত্যাখ্যান করে এবং দক্ষিণ রাজ্যগুলি ইউনিয়ন থেকে পৃথক হওয়া শুরু করে। এর স্বাধীনতা সুরক্ষার জন্য, নতুন কনফেডারেট স্টেটস দক্ষিণের মার্কিন কেল্লা ফোর্ট সামিটের উপর গুলি চালিয়েছিল এবং লিংকন এই বিদ্রোহ দমনে এবং ইউনিয়ন পুনরুদ্ধার করার জন্য বাহিনী গঠন করেছিলো।

    আব্রাহাম লিংকন একজন রূচিপূর্ণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন যার পরিচয় পাওয়া যায় তাঁর একটি চিঠির দ্বারা।যেটি তিনি পাঠিয়েছিলেন তাঁর পুত্রের শিক্ষকের কাছে।

    মাননীয় মহাশয়,

    আমার পুত্রকে জ্ঞানার্জনের জন্য আপনার কাছে প্রেরণ করলাম। তাকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন-এটাই আপনার কাছে আমার বিশেষ দাবি।

    আমার পুত্রকে অবশ্যই শেখাবেন- সব মানুষই ন্যায়পরায়ণ নয়, সব মানুষই সত্যনিষ্ঠ নয়। তাকে এ-ও শেখাবেন প্রত্যেক বদমায়েশের মাঝেও একজন বীর থাকতে পারে, প্রত্যোক স্বার্থপর রাজনীতিকের মাঝেও একজন নিঃস্বার্থ নেতা থাকে। তাকে শেখাবেন প্রত্যেক শত্রুর মাঝে একজন বন্ধু থাকে। আমি জানি এটা শিখতে তার সময় লাগবে, তবুও যদি পারেন তাকে শেখাবেন পাঁচটি ডলার কুড়িয়ে পাওয়ার চেয়ে একটি উপার্জিত ডলার অধিক মূল্যবান। এ-ও তাকে শেখাবেন, কীভাবে পরাজয়কে মেনে নিতে হয় এবং কীভাবে বিজয়োল্লাস উপভোগ করতে হয়। হিংসা থেকে দূরে থাকার শিক্ষাও তাকে দেবেন। যদি পারেন নীরব হাসির গোপন সৌন্দর্য তাকে শেখাবেন। সে যেন আগ-ভাগেই এ কথা বুঝতে শেখে যারা পীড়নকরী তাদেরই সহজে কাবু করা যায়। বইয়ের মাঝে কি রহস্য লুকিয়ে আছে তা-ও তাকে বুঝতে শেখাবেন।

    আমার পুত্রকে শেখাবেন, বিদ্যালয়ে নকল করার চেয়ে অকৃতকার্য হওয়া অনেক বেশি সম্মানজনক। নিজের ওপর তার যেন সুমহান আস্থা থাকে। এমনকি সবাই যদি সেটাকে ভুলও মনে করে। তাকে শেখাবেন ভদ্রলোকের প্রতি ভদ্র আচরণ করতে, কঠোরদের প্রতি কঠোর হতে। আমার পুত্র যেন এ শক্তি পায় হুজুগে মাতাল জনতার পদাঙ্ক অনুসরণ না করার। সে যেন সবার কথা শোনে এবং তা সত্যের পর্দায় ছেঁকে যেন ভালোটাই শুধু গ্রহণ করে- এ শিক্ষাও তাকে দেবেন সে যেন শেখে দুঃখের মাঝে কীভাবে হাসতে হয় আবার কান্নার মাঝে যে লজ্জা নেই-এ কথা তাকে বুঝতে শেখাবেন।

    যারা নির্দয়, নির্মম তাদের সে যেন ঘৃণা করতে শেখে আর অতিরিক্ত আরাম-আয়েশ থেকে সাবধান থাকে। আমার পুত্রের প্রতি সদয় আচরণ করবেন কিন্তু সোহাগ করবেন না। কেননা আগুনে পুড়েই ইস্পাত খাঁটি হয়। আমার সন্তানের যেন অধৈর্য হওয়ার সাহস না থাকে, থাকে যেন তার সাহসী হওয়ার ধৈর্য। তাকে এ শিক্ষাও দেবেন নিজের প্রতি তার যেন সুমহান আস্থা থাকে আর তখনই তার সুমহান আস্থা থাকবে মানবজাতির প্রতি।

    সশ্রদ্ধ সালাম, আব্রহাম লিংকন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সম্পাদকীয়

    পুনর্মূল্যায়ন, রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি এবং বাণিজ্যিক কার্যকারিতার দ্বান্দ্বিক রূপরেখা

    আগস্ট 20, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানের পাল্টা কৌশলে বদলাচ্ছে যুদ্ধের সমীকরণ, বাড়ছে ট্রাম্পের দুশ্চিন্তা

    আগস্ট 20, 2026
    আন্তর্জাতিক

    রাশিয়ার ভয়াবহ হামলায় কিয়েভে অন্তত ১৫ জন নিহত

    আগস্ট 20, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.